বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২, অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯, ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার

পরিচ্ছেদঃ ৩– পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ৫। হযরত আবু হুরায়রা (রা) বর্ণনা করেন, যে একদা রাসূলুল্লাহ্ (সা)–কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সদ্ব্যবহার লাভের সর্বাধিক যােগ্য পাত্র কে ? ফরমাইলেনঃ তােমার মাতা। প্রশ্নকারী আবার জিজ্ঞাসা করিলেন। অতঃপর কে?

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২, ১৪:০০

মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার

পরিচ্ছেদঃ ২– মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ৩। আবু আসিম বাহ্ ইবন হাকীমের প্রমুখাৎ, তিনি তদীয় পিতার এবং তদীয় পিতা তদীয় পিতামহের প্রমুখাৎ বর্ণনা করেন, আমি জিজ্ঞাসা করিলামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সদ্ব্যবহার লাভের সর্বাধিক যােগ্য পাত্র কে? তিনি ফরমাইলেনঃ তােমার মাতা। বলিলাম । তারপর কে? ফরমাইলেন ঃ তােমার মাতা।

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২, ১৩:৫৬

পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার

পরিচ্ছেদঃ ১– পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। আল্লাহ তা`আলা বলেনঃ “আমি মানুষকে তাহার পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ প্রদান করিয়াছি।” – আল কুরআন, ২৯ঃ৮

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২, ১৩:৫৩

পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার

পরিচ্ছেদঃ ১– পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। আল্লাহ তা`আলা বলেনঃ “আমি মানুষকে তাহার পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ প্রদান করিয়াছি।” – আল কুরআন, ২৯ঃ৮

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২, ১৩:৫০
বিবাহ ও দাম্পত্য জীবন : কিছু দ্বীনী মুযাকারা

বিবাহ মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। স্বাভাবিক জীবনের অনিবার্য একটি প্রয়োজন। একজন মানুষ যখন শিশু হিসেবে ভূমিষ্ঠ হয় তখনই তার মাঝে খাবারের চাহিদা থাকে; বরং মাতৃগর্ভে প্রাণ সঞ্চারের পর থেকেই তার মাঝে খাবারের চাহিদা সৃষ্টি হয়। এ সময় তার মাঝে মানবজীবনের অন্য অনেক সাধারণ চাহিদা থাকে না। সে ভূমিষ্ঠ হয়ে ধীরে ধীরে যখন বড় হতে থাকে তখন পর্যায়ক্রমে তার অনেক প্রয়োজন দেখা দিতে থাকে। যখন সে আরো বড় হয়, পরিণত বয়সে উপনীত হয় তখন তার বিবাহের প্রয়োজন হয়। ব্যক্তিভেদে মানুষের জীবনে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজন থাকতে পারে, তবে কিছু প্রয়োজন এমন রয়েছে, যা প্রায় প্রতিটি মানুষের মাঝেই বিদ্যমান। বিবাহ তারই একটি।

শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:১৯
দাওয়াতের মতো সবার জন্য দ্বীনী তালীমের ব্যবস্থা করাও অপরিহার্য

ব্যাপক দাওয়াতের প্রয়োজনীয়তা দ্বীনের অনুসারীদের কাছে দ্বীনের অন্যতম প্রধান দাবি এই যে, তারা যেন সর্বস্তরের মানুষের মাঝে দ্বীনের অনুসরণ ব্যাপক করার চেষ্টা করেন এবং দ্বীনের দাওয়াতকে সমাজের কোনো বিশেষ শ্রেণী বা শুধু আগ্রহী ব্যক্তিদের মাঝে সীমাবদ্ধ না রাখেন। মুসলমানদের মনে মুসলমানিত্বের অনুভূতি জাগ্রত করার এবং দ্বীনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির প্রচেষ্টা দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। মুসলমানদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে যে, দ্বীন ও ঈমান হচ্ছে শিক্ষা করার বিষয়। শেখা ছাড়া এমনি এমনি তা অর্জিত হয় না আর তা জাগতিক বিভিন্ন বিদ্যা ও পেশা শিক্ষার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।

শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩৬

সমাজ গঠনে সীরাতের ভূমিকা

সাত. আইনের চোখে সবাই সমান এই সাম্য ইসলাম সর্বক্ষেত্রে রক্ষা করেছে। আরবের এক সম্ভ্রান্ত গোত্রের এক নারী চুরি করেছিল। গোত্রের সম্মানে তারা ঐ নারীর হাত না কাটার অনুরোধ করেছিল। তখন ক্রোধে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা মুবারক বিবর্ণ হয়ে গেল। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন- إِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ قَبْلَكُمْ، أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ، وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الحَدَّ، وَأيْمُ اللهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا.

সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০২২, ২২:২৮

সমাজ গঠনে সীরাতের ভূমিকা

সমাজবদ্ধতা মানুষ একা একা জীবনযাপন করতে পারে না। তাকে অন্যের সাথে থাকতে হয়, অন্যের সহযোগিতা ও সাহচর্যের প্রয়োজন হয়। পরস্পর সহযোগিতা ও আদান-প্রদানের মাধ্যমেই সমাজ এগিয়ে যায়। তাই সমাজবদ্ধতা মানুষের সাধারণ প্রয়োজন।

রোববার, ৯ অক্টোবর ২০২২, ১২:২৯

ব্যক্তি ও সমাজ গঠনে সীরাতের ভূমিকা

এই প্রবন্ধের বিষয়বস্তু দুই ভাগে বিভক্ত। এক. ব্যক্তি গঠন দুই. সমাজ-গঠন। প্রথম ভাগের সম্পর্ক সমাজের প্রতিটি ব্যক্তির সাথে আলাদাভাবে আর দ্বিতীয় ভাগের সম্পর্ক মানবজাতির সামাজিক সমস্যা ও তার সমাধানের সাথে। এ বিষয়ে ইসলামী শিক্ষা, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী ও নির্দেশনা এবং তাঁর জারিকৃত নীতি ও বিধান এ প্রবন্ধের বিষয়বস্তু।

শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২, ২৩:০১

জান্নাত আমার কত কাছে!

জীবন টিকিয়ে রাখার জন্য মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শ্বাস-নিঃশ্বাস, যে প্রয়োজন পূর্ণ হয় বাতাসের মাধ্যমে। কিছুক্ষণের জন্য সেই বাতাস বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না। জীবনের অতি প্রয়োজনীয় এই বস্তুটিকে আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি সহজ করেছেন। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ অবারিতভাবে এই নিআমত গ্রহণ করছে।

মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:১৮

সমগ্র বিশ্বে একই দিনে চান্দ্রমাসের সূচনা: একই দিনে রোযা ও ঈদ

সমগ্র বিশ্বে একই দিনে রোযা শুরু করা, রমযান মাস শেষ হলে একই দিনে ঈদ করা এবং একই দিনে ঈদুল আযহা করাÑ ভৌগোলিক ও জ্যোতির্শাস্ত্রীয় বাস্তবতার দিক থেকে এগুলো মূলত সম্ভবই নয়। কার্যত যা সম্ভব নয়, শরীয়ত নাযিলের সময় সে বিষয়ের ধারণা থাকলেও, শরীয়ত এর হুকুম দেয় না। আর একে তো অসম্ভব, আবার সে সময় এর ধারণাও ছিল না, এমন বিষয়ের হুকুম শরীয়ত কীভাবে দেবে? কথা এমনিতেই খুব পরিষ্কার; তা সত্ত্বেও আরো স্পষ্ট করার জন্য প্রথমে আমরা বাস্তবতার আলোকে এর সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখব তারপর শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে এর আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

শনিবার, ৪ জুন ২০২২, ০৫:০৩

রোজার কথা মনে থাকুক বছরজুড়ে

রমযানুল মোবারক শেষ হয়ে গেল। আল্লাহর মুর্কারাব ও নেককার বান্দারা রমযান আসার আগেই তার আপেক্ষায় থাকেন। প্রস্তুতি নিতে থাকেন। রমযান যখন শেষ হয়ে যায়, খুব স্বাভাবিক কারণেই তাদের কষ্ট হতে থাকে। তবে এটাও স্বাভাবিক কথা যে, রমযান আসবে, যাবে। দুনিয়ার মধ্যেও অনেককে ইস্তেকবাল করতে হয়, আবার মন না চাইলেও তাকে বিদায় দিতে হয়। আপনজনকে বিদায় দেওয়ার অনুভূতি যেমন কষ্টের, প্রিয় কিছুকে হারিয়ে ফেলার অনুভূতিও তেমনই হৃদয়বিদারক। তবে না চাইলেও যেমনিভাবে মানুষকে এই কষ্টের স্বাদ নিতে হয় তেমনি সে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি বা বস্তুর স্মৃতি ধারণ করে সান্ত্বনা খোঁজারও চেষ্টা করে। রমযানও যাচ্ছে, বিদায় হচ্ছে। তারও এরকম বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে; সেগুলোর কিছুটাও যদি আমরা রোযার পরেও ধারণ করে রাখতে পারি, তাহলেই সার্থকতা।

বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০২২, ১০:০২

রমযানের পর: আমাদের জীবনে আসুক ভোরের আলো

মাহে রমযান বিদায় নিচ্ছে। দিবসের সিয়াম আর রাতের কিয়ামের এক পবিত্র চাঞ্চল্যে ঘেরা ছিল মাসটি। শেষরাত থেকেই ছিল ঘরে ঘরে সেহরির আয়োজন। পরিবারের ছোট-বড় সকলে একসাথে রাতের স্নিগ্ধ পরিবেশে  বরকতের দস্তরখানে অংশগ্রহণ। দিবা শেষে ইফতারের আনন্দ। এরপর রাতের তারাবীতে দল বেঁধে অংশগ্রহণ। গোটা মাসটিই ছিল এক আশ্চর্য সজীবতা ও সক্রিয়তায় প্রাণবন্ত। দেখতে দেখতে রহমত ও মাগফিরাতের মাসটি বিদায় নিয়ে গেল। আর আমরাও যেন ফিরে এলাম আমাদের ইতিপূর্বেকার গতানুগতিকতার মধ্যে।

রোববার, ১৭ এপ্রিল ২০২২, ২২:৫৬

শাবান রমযান ঈদ: কিছু নিবেদন

আল্লাহ তাআলার অপার মেহেরবানী, তিনি আমাদেরকে ১৪৪২ হিজরীর শাবান-রমযানে উপনীত করেছেন আলহামদু লিল্লাহ। আল্লাহর দরবারে প্রত্যাশা রাখি পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তি-নিরাপত্তা ও আনন্দের সাথে ঈদুল ফিত্র উদ্যাপনের। এটা আল্লাহ তাআলার অনেক বড় নিআমত। একজন মুমিনের ঈমানী কর্তব্য হল, আল্লাহর নিআমতের শুকরিয়া আদায় করা। এই শুকরিয়া আদায়ের একটি মাধ্যম এবং প্রকাশ হল, আল্লাহর দেওয়া নিআমত আল্লাহর হুকুম ও সন্তুষ্টি মোতাবেক ব্যবহার করা।

শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২, ০০:৪৮

হাদীসের আলো

হযরত আবু হোরায়রা (রা) হইতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন- মুনাফিকের আলামত তিনটি, যখন সে কথা বলে তখন মিথ্যা বলে, আর যখন ওয়াদা করে তখন ওয়াদাখেলাফী করে, আর যখন তাহার নিকট আমানত রাখা হয় তখন সে আমানতের খেয়ানত করে। (বুখারী ও মুসলিম)

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০২২, ০০:০৪

ছোট বাচ্চাদের মারধর করা উচিত নয়

বুধবার, ২ মার্চ ২০২২, ২৩:৫১