বৃহস্পতিবার ০৭ জুলাই ২০২২, আষাঢ় ২২ ১৪২৯, ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

সমগ্র বিশ্বে একই দিনে চান্দ্রমাসের সূচনা: একই দিনে রোযা ও ঈদ

সমগ্র বিশ্বে একই দিনে রোযা শুরু করা, রমযান মাস শেষ হলে একই দিনে ঈদ করা এবং একই দিনে ঈদুল আযহা করাÑ ভৌগোলিক ও জ্যোতির্শাস্ত্রীয় বাস্তবতার দিক থেকে এগুলো মূলত সম্ভবই নয়। কার্যত যা সম্ভব নয়, শরীয়ত নাযিলের সময় সে বিষয়ের ধারণা থাকলেও, শরীয়ত এর হুকুম দেয় না। আর একে তো অসম্ভব, আবার সে সময় এর ধারণাও ছিল না, এমন বিষয়ের হুকুম শরীয়ত কীভাবে দেবে? কথা এমনিতেই খুব পরিষ্কার; তা সত্ত্বেও আরো স্পষ্ট করার জন্য প্রথমে আমরা বাস্তবতার আলোকে এর সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখব তারপর শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে এর আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

শনিবার, ৪ জুন ২০২২, ০৫:০৩

রোজার কথা মনে থাকুক বছরজুড়ে

রমযানুল মোবারক শেষ হয়ে গেল। আল্লাহর মুর্কারাব ও নেককার বান্দারা রমযান আসার আগেই তার আপেক্ষায় থাকেন। প্রস্তুতি নিতে থাকেন। রমযান যখন শেষ হয়ে যায়, খুব স্বাভাবিক কারণেই তাদের কষ্ট হতে থাকে। তবে এটাও স্বাভাবিক কথা যে, রমযান আসবে, যাবে। দুনিয়ার মধ্যেও অনেককে ইস্তেকবাল করতে হয়, আবার মন না চাইলেও তাকে বিদায় দিতে হয়। আপনজনকে বিদায় দেওয়ার অনুভূতি যেমন কষ্টের, প্রিয় কিছুকে হারিয়ে ফেলার অনুভূতিও তেমনই হৃদয়বিদারক। তবে না চাইলেও যেমনিভাবে মানুষকে এই কষ্টের স্বাদ নিতে হয় তেমনি সে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি বা বস্তুর স্মৃতি ধারণ করে সান্ত্বনা খোঁজারও চেষ্টা করে। রমযানও যাচ্ছে, বিদায় হচ্ছে। তারও এরকম বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে; সেগুলোর কিছুটাও যদি আমরা রোযার পরেও ধারণ করে রাখতে পারি, তাহলেই সার্থকতা।

বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০২২, ১০:০২

রমযানের পর: আমাদের জীবনে আসুক ভোরের আলো

মাহে রমযান বিদায় নিচ্ছে। দিবসের সিয়াম আর রাতের কিয়ামের এক পবিত্র চাঞ্চল্যে ঘেরা ছিল মাসটি। শেষরাত থেকেই ছিল ঘরে ঘরে সেহরির আয়োজন। পরিবারের ছোট-বড় সকলে একসাথে রাতের স্নিগ্ধ পরিবেশে  বরকতের দস্তরখানে অংশগ্রহণ। দিবা শেষে ইফতারের আনন্দ। এরপর রাতের তারাবীতে দল বেঁধে অংশগ্রহণ। গোটা মাসটিই ছিল এক আশ্চর্য সজীবতা ও সক্রিয়তায় প্রাণবন্ত। দেখতে দেখতে রহমত ও মাগফিরাতের মাসটি বিদায় নিয়ে গেল। আর আমরাও যেন ফিরে এলাম আমাদের ইতিপূর্বেকার গতানুগতিকতার মধ্যে।

রোববার, ১৭ এপ্রিল ২০২২, ২২:৫৬

শাবান রমযান ঈদ: কিছু নিবেদন

আল্লাহ তাআলার অপার মেহেরবানী, তিনি আমাদেরকে ১৪৪২ হিজরীর শাবান-রমযানে উপনীত করেছেন আলহামদু লিল্লাহ। আল্লাহর দরবারে প্রত্যাশা রাখি পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তি-নিরাপত্তা ও আনন্দের সাথে ঈদুল ফিত্র উদ্যাপনের। এটা আল্লাহ তাআলার অনেক বড় নিআমত। একজন মুমিনের ঈমানী কর্তব্য হল, আল্লাহর নিআমতের শুকরিয়া আদায় করা। এই শুকরিয়া আদায়ের একটি মাধ্যম এবং প্রকাশ হল, আল্লাহর দেওয়া নিআমত আল্লাহর হুকুম ও সন্তুষ্টি মোতাবেক ব্যবহার করা।

শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২, ০০:৪৮
হাদীসের আলো

হযরত আবু হোরায়রা (রা) হইতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন- মুনাফিকের আলামত তিনটি, যখন সে কথা বলে তখন মিথ্যা বলে, আর যখন ওয়াদা করে তখন ওয়াদাখেলাফী করে, আর যখন তাহার নিকট আমানত রাখা হয় তখন সে আমানতের খেয়ানত করে। (বুখারী ও মুসলিম)

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০২২, ০০:০৪
ছোট বাচ্চাদের মারধর করা উচিত নয়

বুধবার, ২ মার্চ ২০২২, ২৩:৫১

ইসলামী ফৌজদারী আইন কি মধ্যযুগীয় বর্বর আইন?

প্রায় ত্রিশ বছর আগের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস ফ্যাকাল্টির পূর্বপাশে হচ্ছে ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিন, বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরী ও মসজিদ। তার উত্তর পাশে হচ্ছে আইবিএ ভবন। আর্টস ফ্যাকাল্টির পশ্চিম পাশ ঘেঁষে যে রাস্তাটি আন্তর্জাতিক হোস্টেল ও সূর্যসেন হলের দিকে এগিয়ে গেছে, তাতে সামান্য উত্তর দিকে গেলেই ডান পাশে ছিল নি.পা.র ট্রেনিং ক্যাম্প। সরকারি অফিসারদে জন্য পি.এস.সি বা বি.সি.এস কোর্সের যে ব্যবস্থা রয়েছে, তাতে বিভিন্ন বিষয়ে ট্রেনিং দেওয়ার জন্যই মনে হয় এই নি.পা.র অস্তিত্ব। একদিন পড়ন্ত বেলায় এখানে ‘আপরাধ আইন’ শিরোনামে একটি সেমিনারের আয়োজন ছিল। পত্র-পত্রিকা ও বিভিন্ন মিডিয়া থেকে সাংবাদিক বন্ধুরা যেমন এসেছেন, রেডিও বাংলাদেশ থেকেও আমাকে পাঠানো হয়েছে রেডিও নিউজরিলে সেমিনারটি কভারেজ দেওয়ার জন্য। সেমিনারের এক পর্যায়ে প্রধান অথিতির ভাষণ দিতে উঠলেন প্রধান সাংবাদিক অবজার্ভার সম্পাদক শ্রদ্ধেয় আবদুস সালাম সাহেব। তিনি তাঁর বক্তব্যে অপরাধ আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক পর্যায়ে ইসলামী আইনে চোরের হাত কাটা ও ব্যাভিচারীর শাস্তি ১০০টি বেত্রাঘাত বা পাথর মেরে তাকে হত্যার যে বিধানের কথা রয়েছে, তা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তাকে মধ্যযুগীয় বর্বর আইন বলে উল্লেখ করেন।

সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২০:৫০

হাদীসের আলো

হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হইতে বর্ণিত যে, নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন প্রতিপালকের নিকট হইতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা‘আলা বলিয়াছেন, আমি আমার সম্পর্কে আমার বান্দার ধারণার অনুরূপ আচরণ করি। আর আমি তাহার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। সুতরাং যখন সে আমাকে মনে মনে স্মরণ করে তখন আমিও তাহাকে মনে মনে স্মরণ করি, আর যখন সে আমাকে কোন মজলিসে স্মরণ করে তখন আমি তাহাকে আরো উত্তম মজলিসে সম্মরণ করি। আর বান্দা যখন আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, আমি তাহার দিকে এক হাত অগ্রসর হই। যখন সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়, আমি তাহার দিকে দুই হাত অগ্রসর হই, আর বান্দা যখন আমার দিকে হাঁটিয়া আসে, আমি তাহার দিকে দৌড়াইয়া যাই। (বুখারী)

শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮:৫১

হাদীসের আলো

হযরত ছাফওয়ান বিন ‘আস-সাল হইতে একটি দীর্ঘ হাদীছের শেষাংশ বর্ণিত যে, নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, ‘আলমারউ মা‘আ মান আহাব্বা’, মানুষ যাহাকে ভালোবাসিবে কেয়ামতের দিন তাহার সঙ্গেই থাকিবে। (তিরমিযি ও অন্যান্য) ফায়দা- আলোচ্য হাদীছে আল্লাহ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি মুহব্বতের ফযীলত প্রকাশ করা হইয়াছে। ইহা এত বড় সুসংবাদ যে, মুসলিম শরীফের হাদীছে হযরত আনাস (রা) বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের পর আমরা এত বেশী আনন্দিত হই নাই যত আনন্দিত হইয়াছি নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণী শ্রবণ করিবার পর।’ ইহার কারণ এই যে, আর কোন আমল সম্পর্কেই বলা হয় নাই যে, উহা দ্বারা কেয়ামতে ও জান্নাতে নবী-সান্নিধ্য লাভ হইবে; শুধু মুহব্বত সম্পর্কেই এই মহাসুসংবাদ আসিয়াছে। আর যেহেতু তাঁহারা নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আপন প্রাণ, সন্তান ও সম্পদ অপেক্ষা অধিক মুহব্বত করিতেন সেহেতু তাঁহারা আনন্দ লাভ করিয়াছিলেন যে, মুহব্বতের উছিলায় দুনিয়ার ন্যায় কেয়ামতে ও জান্নাতেও অবশ্যই তাঁহারা নবী-সঙ্গ লাভ করিবেন। তাই হযরত আনাস (রা) আরও বলিয়াছেন, আমি আল্লাহকে এবং তাঁহার রাসূলকে, আর আবুবকর ও ওমরকে মুহব্বত করি, সুতরাং আশা করি, আমি তাঁহাদের সঙ্গেই থাকিব, যদিও তাঁহাদের ন্যায় আমল করিতে পারি নাই।

বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৫:৩৮

হাদীছের আলো

হযরত ছাওবান রা.  হতে বর্ণিত যে, নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, খুব দূরে নয় যে, বিভিন্ন সম্প্রদায় তোমাদের বিরুদ্ধে ডাকাডাকি করবে, যেমন মানুষ একে অন্যকে ডেকে আনে খাদ্য-থালার দিকে। কেউ জিজ্ঞাসা করলেন, (এমন কি হবে) তখন আমাদের সংখ্যাল্পতার কারণে? তিনি বললেন, তোমরা তো বরং সেদিন হবে অনেক। তবে কিনা তোমরা (হবে) ঢলে ভেসে আসা খড়কুটোর মত। আর অবশ্যই আল্লাহ্ তোমাদের অন্তরে ‘ওয়াহনপ্রক্ষেপণ করবেন। একজন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্, ওয়াহ্ন কী? তিনি বললেন, দুনিয়ার মোহ এবং মৃত্যুর অনীহা।  (আবু দাঊদ, কিতাবুল মালাহিম)

বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৭:২৩

বাইতুল্লাহর মুসাফির-৬

মদীনা শহর থেকেই দেখা যায় অহুদ পাহাড়। আমাকে যখন বলা হলো, ঐ যে দূরে পাহাড় দেখছো, সেটাই জাবালে অহুদ! তখন মুহূর্তের মাঝে আমার সমগ্র দেহে যেন বিদ্যুৎ তরঙ্গ বয়ে গেল! আমি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম আমার পেয়ারা নবীর প্রিয় জাবালে অহুদের দিকে।

মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২০:৫৫

খতমে নবুওয়াত সম্পর্কে কয়েকটি হাদীস

হযরত ছাওবান রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমার উম্মতের মধ্যে ত্রিশজন মিথ্যাবাদী আত্মপ্রকাশ করবে। তাদের প্রত্যেকে নবী বলে দাবী করবে। জেনে রেখ, আমি হলাম খাতামুন্নাবিয়ীন, আমার পরে আর কোন নবী নেই।’’ -সুনানে তিরমিযী ২/৪৫; মুসনাদে আহমদ ৬/৩৭৩ হা. ২১৮৮৯

রোববার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৩:১০

মাছনূন দুআ: অলৌকিক ভাবের উদ্ভাস

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ পাকের শোকর আদায় করছি। আল্লাহ পাক আবার আপনাদের সামনে দ্বীনি কিছু আলোচনার জন্য একত্র হওয়ার সৌভাগ্য দিলেন। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা উলামায়ে কেরামের মুখে শুনে থাকি যে, এ ধরনের মজলিস আল্লাহ তাআলার কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এ ধরনের মজলিসে অংশগ্রহণকারীদেরকে রহমতের ফেরেশতারা ঘিরে রাখে, রহমত তাদেরকে ঢেকে ফেলে, তাদের উপর সকীনা নামের বিশেষ রহমত নাযিল হয়। ফেরেশতারা তাদের জন্য মাগফেরাতের দুআ করে। আল্লাহ তাআলা নিকবর্তী ফেরেশতাদের কাছে এ ধরনের মজলিসে অংশগ্রহণকারীদের কথা আলোচনা করেন। এ জন্য আমাদের মাওলানা আবারারুল হক [রহ.] বলতেন, ‘এ ধরনের মজলিসে বসতে পারাটাই মস্তবড় আমল।’

শুক্রবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৫:৫৮

সুন্দর বাক্যবিনিময় উত্তম চরিত্রের লক্ষণ

মানুষের চরিত্রের উৎকর্ষতা ও নিম্নতা মাপার একটি মাপকাঠি হচ্ছে ভাষা। ভাষা তিক্ত ও কঠোর হলে তার আঘাত হয় বড্ড ভয়ংকর এবং তার ক্ষত অনেক গভীর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ভাষার সুন্দর ব্যবহারের সর্বোচ্চ দিক হল, সকল নবী-রাসূল এ ভাষার মাধ্যমে তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। আবার এর নেতিবাচক দিক খেয়াল করলে দেখা যাবে আখলাক এবং মানুষের যাবতীয় কাজ-কর্ম, চাল-চলনের সবচেয়ে বড় দুশমনও এটিই। আজকে ভাষা ও প্রচার মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে দুশমনদের নৈতিক স্খলন ও চারিত্রিক রোগ-ব্যধি আমাদের মধ্যেও অনুপ্রবেশ করছে।

বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৪:৩২

যে সকল আমল দ্বারা গোনাহ মাফ হয়

মুমিন চেষ্টা করে গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে। কিন্তু কখনো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গোনাহ হয়ে যায়। তখন মুমিনের আফসোস ও আক্ষেপের শেষ থাকে না; কেন গোনাহে জড়ালাম, কেন গোনাহের পথে পা বাড়ালাম, কীভাবে পরিত্রাণ পাব এ গোনাহ থেকে। কৃত গোনাহ তাকে কষ্টে নিপতিত করে। আর এটিই মুমিনের পরিচয়। এটিই তার ঈমানের প্রমাণ। আবু উমামা রা. বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ঈমান কী আল্লাহর রাসূল! (আমি কীভাবে বুঝব আমার মাঝে ঈমান আছে?)

সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:১৩

হাদীসের আলোকে সেরা নামায

নামায- ইসলামী শরীয়তে ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরয ইবাদত। প্রতিদিনের নিয়মিত যে ফরজ-ওয়াজিব এবং সুন্নতে মুআক্কাদা নামায রয়েছে, এসব তো আমাদের জন্যে অবধারিত। এর কোনো বিকল্প নেই। এর বাইরে আছে নফল নামায। ফরযের পাশাপাশি নফল নামাযের কথাও পবিত্র কুরআন ও হাদীসে বারবার আলোচিত হয়েছে।

শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২১:১৩