মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৯ ১৪৩২, ২৪ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

আইসিসির চিঠি: মুস্তাফিজ থাকলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়বে, দাবি আসিফ নজরুলের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, আলোচনার জন্যও: ট্রাম্পকে ইরান ইসিতে তৃতীয় দিনে ৪১ জনের আপিল মঞ্জুর মুছাব্বির হত্যা: ‘শুটার’ জিনাতের ‘দোষ স্বীকার’, রিমান্ডে ৩ জন ‘অনৈতিক প্রস্তাবে’ রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর স্কুলছাত্রীকে হত্যা: র‌্যাব মানিকগঞ্জ হাসপাতালে নারীকে ‘ধর্ষণ’, ২ আনসার সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই, এটি সরকারের ব্যর্থতা: মির্জা ফখরুল ৫০ বছর পর চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছে নাসা, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভাইরাল পোস্টে নিজেকে ‘ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা: সন্দেহভাজন মিলন র‌্যাবের হাতে ধরা চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের ফজলুলের প্রার্থিতা ফিরল না আপিলেও হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল থেকে ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৫০০ ছাড়িয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে শক্ত বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক

গাজা দখলে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করলেন ট্রাম্প

 আপডেট: ২৩:৩৫, ১৫ মে ২০২৫

গাজা দখলে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করলেন ট্রাম্প

আরব আমিরাতের পথে রওনা দিতে কাতারে এয়ার ফোর্স ওয়ানের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা ভূখণ্ডকে ‘ফ্রিডম জোন’ বা মুক্ত অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি দখলের প্রস্তাব পুনরায় তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার কাতারের সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি গাজা দখলে নেয় এবং এটিকে একটি মুক্ত অঞ্চল বানায়, তবে আমি তা নিয়ে গর্ব করব। মানুষজনকে নিরাপদে ঘরে রাখা হবে এবং হামাসেরও মোকাবিলা করা হবে।”

ট্রাম্প দাবি করেন, গাজার সমস্যার সমাধান কখনো হয়নি এবং এখনকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। “বিমান থেকে তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেখানকার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। মানুষ ধ্বংসস্তুপের নিচে বাস করছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না,” বলেন তিনি।

এর আগে তিনি গাজার মানুষদের মিশর বা জর্ডানে সরিয়ে নিয়ে গাজা ভূখণ্ডকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের রিভিয়েরা’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, যা গাজার ফিলিস্তিনিরা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। অনেকেই বলেন, তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও নিজেদের বাড়িতেই থাকতে চান, অন্য কোথাও নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এটি হবে ২০০৩ সালের ইরাক আগ্রাসনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। এতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়বে, যা দেশটির ভেতরেও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।