মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৪ ১৪৩২, ০৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ সেনা প্রধানের পরিদর্শন রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২, অনেকেই আহত আবু সাঈদ হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শেষ, রায় যে কোনো দিন নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা নির্বাচন অস্থিতিশীল করার কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারের ভোটের পথ খুলল মুস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া ‘চরম অপমান’: জামায়াত আমির রাষ্ট্রপতি ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’: সেই জামায়াত নেতা বহিষ্কার একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারিই, কমবে স্টল ভাড়া আজ ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও উত্তরায় তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা প্রবাসীদের সাড়ে ২১ হাজার ব্যালট দেশে পৌঁছেছে তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যু ২০
নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়ার বিধান

নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়ার বিধান

নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া গুনাহের কাজ। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত এ কারণ তার কেমন শাস্তি ভোগের আশংকা রয়েছে, তবে চল্লিশ পর্যন্ত ঠায় দাঁড়িয়ে থাকাও ভালো মনে করতো। বর্ণনাকারী আবুন নাযর বলেন, আমার জানা নেই, হাদিসে চল্লিশের কী অর্থ, চল্লিশ দিন, চল্লিশ মাস, নাকি চল্লিশ বছর! (সহিহ বুখারি: ৫১০, সহিহ মুসলিম: ৫০৭) সামনে দিয়ে অতিক্রম করার প্রয়োজন হতে পারে এমন জায়গায় নামাজে দাঁড়ালে নামাজির কর্তব্য হলো সামনে সুতরা অর্থাৎ এক হাত বা তার চেয়ে উঁচু কোনো বস্তু নামাজে দাঁড়ানো। মানুষ চলাফেরা করতে পারে, এমন স্থানে সুতরা না রেখে নামাজ পড়া গুনাহের কাজ। নামাজরত ব্যক্তির সামনে সুতরা থাকলে তার সামনে দিয়ে যাতায়াত করা যায়। বিনা সুতরায় নামাজ পড়লে কেউ সামনে দিয়ে গেলে নামাজ নষ্ট হয় না, কিন্তু নামাজের ক্ষতি হয়। নামাজির কতটুকু সামনে দিয়ে যাওয়া যাবে? নামাজরত ব্যক্তির সামনে যদি সুতরা না থাকে এবং মসজিদ বেশ বড় ও প্রশস্ত হয়, তাহলে তার দুই কাতার সামনে দিয়ে অতিক্রম করা যাবে। এ ছাড়া নামজি ব্যক্তির সামনে সুতরা দিয়েও অতিক্রম করা যাবে। এক হাত বা তার চেয়ে দীর্ঘ যে কোনো বস্তু যেমন, চেয়ার, টুল ও কাঠের স্ট্যান্ড ইত্যাদি সুতরা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?
স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

প্রশ্ন: স্বামীকে নাম ধরে ডাকা কি স্ত্রীর জন্য জায়েজ? স্ত্রী যদি স্বামীকে ভুল করে ভাই বলে সম্বোধন করে বা স্বামী যদি স্ত্রীকে বোন বলে সম্বোধান করে, তাহলে কি তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে? উত্তর: স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে এমন শব্দ বা নামে ডাকা সমীচীন, যা থেকে স্বাভাবিক সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ পায়, অসম্মান প্রকাশ না পায়। তারা পরস্পরকে সন্তানদের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকতে পারে। নাম ধরেও ডাকতে পারে যদি তা তাদের সংস্কৃতিতে অপমানসূচক না হয় এবং কেউ অপমান বোধ না করে। আরবের সংস্কৃতিতে স্ত্রীকে ও স্বামীকে নাম ধরে বা সন্তানের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকার প্রচলন ছিল। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন আল্লাহর রাসুল ইবরাহিম (আ.) তার স্ত্রী হাজেরা এবং শিশু পুত্র ইসমাইলকে মক্কার জনমানবহীন প্রান্তরে রেখে চলে যাচ্ছিলেন, তখন পেছন থেকে তার স্ত্রী তাকে ডেকে বললেন, হে ইবরাহিম, তুমি আমাদের এমন জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে কোথায় যাচ্ছ? (সহিহ বুখারি: ৩৩৬৫)

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫২

কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে
কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে

মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন চারদিক অন্ধকার মনে হয়, সব দরজা যেন একসাথে বন্ধ হয়ে যায়। কঠিন বিপদ, ভয়, অসহায়ত্ব ও চরম সংকটের সময়ে মানুষ তখন একমাত্র আল্লাহর দিকেই ফিরে যায়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—এই সংকটময় অবস্থায় হতাশ না হয়ে নির্দিষ্ট কিছু আমল ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে। কারণ বান্দা যখন ভাঙা হৃদয় নিয়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে, তখনই দোয়া কবুল হওয়ার সর্বোত্তম সময় ও সুযোগ তৈরি হয়। কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মু’মিন, আয়াত : ৬০)। আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।

রোববার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৯