বৃহস্পতিবার ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৩ ১৪৩২, ১৭ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

পল্লবীর বিহারী ক্যাম্পে ২ শিশুসহ এক পরিবারের ৪ জনের লাশ পোস্টাল ভোটের ফল আগেভাগে জানার সুযোগ নেই: ইসি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা শুক্রবার এরদোয়ান-সিসি বৈঠক : অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর জুলাই হত্যা: আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোয় শাহবাজ শরীফকে আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ আন্দোলনের সঙ্গীরাই এখন আমার ওপর মিসাইল ছুড়ছে: জামায়াত আমির তিন লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে আধিপত্য বিস্তার: সিলেটে মহাসড়ক আটকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ অনিশ্চয়তা কাটল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘বৈঠক হচ্ছেই’, আলোচ্যসূচিতে মতভেদ আর্টেমিস ২: চাঁদে মানুষের যাত্রা পিছিয়ে গেল মার্চে বাংলাদেশের অটল অবস্থান ভালো লেগেছে নাসের হুসেইনের
মক্কার মিউজিয়ামে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কোরআন প্রদর্শনী

মক্কার মিউজিয়ামে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কোরআন প্রদর্শনী

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত হোলি কোরআন মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের হাতে লেখা পবিত্র কোরআনের একটি অনুলিপি। বিশাল এই পাণ্ডুলিপিটি আকার ও নান্দনিকতার দিক থেকে অনন্য হওয়ায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও স্বীকৃতি পেয়েছে। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রদর্শিত কোরআন শরিফটির দৈর্ঘ্য ৩১২ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ২২০ সেন্টিমিটার। এতে মোট ৭০০ পৃষ্ঠা রয়েছে। আকার ও উপস্থাপনার কারণে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআনের পাণ্ডুলিপি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি মূলত ১০ম হিজরি শতাব্দী বা ১৬শ শতাব্দীর একটি ঐতিহাসিক কোরআনের বর্ধিত অনুলিপি। মূল কপিটির মাপ ছিল ৪৫ বাই ৩০ সেন্টিমিটার। সেই কোরআনের বেশির ভাগ সুরা লেখা হয়েছিল থুলুথ লিপিতে, আর সুরা ফাতিহা লেখা হয়েছিল নাসখ লিপিতে। এতে সে সময়ের ক্যালিগ্রাফি শিল্পের সূক্ষ্মতা ও নান্দনিক বৈচিত্র্য স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

রোজা রেখে স্বামী-স্ত্রী কতটুকু ঘনিষ্ঠ হতে পারবে?
রোজা রেখে স্বামী-স্ত্রী কতটুকু ঘনিষ্ঠ হতে পারবে?

রমজান মাস প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত পবিত্র এবং এটি মূলত আত্মসংযম ও ইবাদতের সময়। এই মাসে রোজা পালনকালে স্বামী-স্ত্রীর দৈনন্দিন সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতার সীমা নিয়ে অনেকের মনেই নানা জিজ্ঞাসা থাকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় রোজা অবস্থায় কোন কাজগুলো জায়েজ আর কোনগুলো করলে রোজা ভেঙে যায় সেই বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের সুস্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ দিকনির্দেশনা রয়েছে। কুরআন ও হাদিসের আলোকে এই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যাতে কোনো মুমিন ব্যক্তির রোজা ত্রুটিপূর্ণ না হয়।ইসলামি শরিয়তের মূলনীতি অনুযায়ী রোজার সময় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পানাহার ও যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা বাধ্যতামূলক। সুরা আল-বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা রোজার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মিলনকে হালাল ঘোষণা করেছেন তবে দিনের বেলায় ফজর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চার মাজহাবের সকল আলেম এ বিষয়ে একমত যে রোজা অবস্থায় দিনের বেলায় সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায়। এই কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করলে কেবল কাজা করলেই হয় না বরং তার কঠিন কাফফারাও আদায় করতে হয় যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একাধিক সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।সহবাস ছাড়া স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার অন্যান্য সাধারণ ঘনিষ্ঠতা বা ভালোবাসার প্রকাশের ক্ষেত্রে ফকিহগণ বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যদি কেউ নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন তবে স্ত্রীর সাথে কথা বলা বা সাধারণ স্পর্শের মতো কাজগুলো জায়েজ হতে পারে।

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:১৫