বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৪ ১৪৩২, ০৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জামায়াতের দুই মন্ত্রী তখন কেন পদত্যাগ করেনি, প্রশ্ন তারেক রহমানের মির্জা আব্বাসের ‘বহিষ্কার চান’ পাটওয়ারী মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে টেকনাফে ২ কিশোর আহত স্কুলে শিশু নির্যাতন: পবিত্র কুমার ৪ দিনের রিমান্ডে নির্বাচন: তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল আবু সাঈদ হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শেষ, রায় যে কোনো দিন নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা নির্বাচন অস্থিতিশীল করার কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারের ভোটের পথ খুলল মুস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া ‘চরম অপমান’: জামায়াত আমির রাষ্ট্রপতি ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’: সেই জামায়াত নেতা বহিষ্কার একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারিই, কমবে স্টল ভাড়া প্রবাসীদের সাড়ে ২১ হাজার ব্যালট দেশে পৌঁছেছে তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যু ২০
স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?
স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

প্রশ্ন: স্বামীকে নাম ধরে ডাকা কি স্ত্রীর জন্য জায়েজ? স্ত্রী যদি স্বামীকে ভুল করে ভাই বলে সম্বোধন করে বা স্বামী যদি স্ত্রীকে বোন বলে সম্বোধান করে, তাহলে কি তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে? উত্তর: স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে এমন শব্দ বা নামে ডাকা সমীচীন, যা থেকে স্বাভাবিক সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ পায়, অসম্মান প্রকাশ না পায়। তারা পরস্পরকে সন্তানদের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকতে পারে। নাম ধরেও ডাকতে পারে যদি তা তাদের সংস্কৃতিতে অপমানসূচক না হয় এবং কেউ অপমান বোধ না করে। আরবের সংস্কৃতিতে স্ত্রীকে ও স্বামীকে নাম ধরে বা সন্তানের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকার প্রচলন ছিল। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন আল্লাহর রাসুল ইবরাহিম (আ.) তার স্ত্রী হাজেরা এবং শিশু পুত্র ইসমাইলকে মক্কার জনমানবহীন প্রান্তরে রেখে চলে যাচ্ছিলেন, তখন পেছন থেকে তার স্ত্রী তাকে ডেকে বললেন, হে ইবরাহিম, তুমি আমাদের এমন জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে কোথায় যাচ্ছ? (সহিহ বুখারি: ৩৩৬৫)

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫২

কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে
কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে

মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন চারদিক অন্ধকার মনে হয়, সব দরজা যেন একসাথে বন্ধ হয়ে যায়। কঠিন বিপদ, ভয়, অসহায়ত্ব ও চরম সংকটের সময়ে মানুষ তখন একমাত্র আল্লাহর দিকেই ফিরে যায়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—এই সংকটময় অবস্থায় হতাশ না হয়ে নির্দিষ্ট কিছু আমল ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে। কারণ বান্দা যখন ভাঙা হৃদয় নিয়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে, তখনই দোয়া কবুল হওয়ার সর্বোত্তম সময় ও সুযোগ তৈরি হয়। কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মু’মিন, আয়াত : ৬০)। আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।

রোববার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৯