মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৩ ১৪৩২, ০৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ভোট সুষ্ঠু করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার যুবকরা ন্যায় ইনসাফের দেশ চায় : ডা. শফিকুর রহমান শুধু ভোট দিলেই চলবে না, ভোটের হিসাব বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তীব্র শীতকালীন ঝড় ভোটের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি ডাকসু থেকে সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগ সালমান এফ রহমান ও আবেদপুত্র সোহান ৪ দিনের রিমান্ডে জুলাই হত্যার দুই মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পরোয়ানা চানখাঁরপুলে ৬ হত্যা: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ব্যাংক থেকে কর্পোরেট ঋণ কমানো হবে: গভর্নর ৩ দিনের সফরে খুলনা-ময়মনসিংহ বিভাগে যাচ্ছেন জামায়াত আমির দুই সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিলেন গৃহবধূ উত্তরের মানুষ মৈত্রী হাসপাতালে পাবেন উন্নত চিকিৎসা: ইউনূস লক্ষ্মীপুরে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, হাসপাতালে ভর্তি ৬ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ফিলিপাইনে ফেরি ডুবে নিহত ১৫, নিখোঁজ ২৮ মেক্সিকোর ফুটবল মাঠে ১১ জনকে হত্যা করেছে সশস্ত্র হামলাকারীরা
স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?
স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

প্রশ্ন: স্বামীকে নাম ধরে ডাকা কি স্ত্রীর জন্য জায়েজ? স্ত্রী যদি স্বামীকে ভুল করে ভাই বলে সম্বোধন করে বা স্বামী যদি স্ত্রীকে বোন বলে সম্বোধান করে, তাহলে কি তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে? উত্তর: স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে এমন শব্দ বা নামে ডাকা সমীচীন, যা থেকে স্বাভাবিক সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ পায়, অসম্মান প্রকাশ না পায়। তারা পরস্পরকে সন্তানদের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকতে পারে। নাম ধরেও ডাকতে পারে যদি তা তাদের সংস্কৃতিতে অপমানসূচক না হয় এবং কেউ অপমান বোধ না করে। আরবের সংস্কৃতিতে স্ত্রীকে ও স্বামীকে নাম ধরে বা সন্তানের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকার প্রচলন ছিল। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন আল্লাহর রাসুল ইবরাহিম (আ.) তার স্ত্রী হাজেরা এবং শিশু পুত্র ইসমাইলকে মক্কার জনমানবহীন প্রান্তরে রেখে চলে যাচ্ছিলেন, তখন পেছন থেকে তার স্ত্রী তাকে ডেকে বললেন, হে ইবরাহিম, তুমি আমাদের এমন জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে কোথায় যাচ্ছ? (সহিহ বুখারি: ৩৩৬৫)

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫২

কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে
কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে

মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন চারদিক অন্ধকার মনে হয়, সব দরজা যেন একসাথে বন্ধ হয়ে যায়। কঠিন বিপদ, ভয়, অসহায়ত্ব ও চরম সংকটের সময়ে মানুষ তখন একমাত্র আল্লাহর দিকেই ফিরে যায়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—এই সংকটময় অবস্থায় হতাশ না হয়ে নির্দিষ্ট কিছু আমল ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে। কারণ বান্দা যখন ভাঙা হৃদয় নিয়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে, তখনই দোয়া কবুল হওয়ার সর্বোত্তম সময় ও সুযোগ তৈরি হয়। কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মু’মিন, আয়াত : ৬০)। আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।

রোববার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৯