মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২০ ১৪৩২, ১৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শবে বরাত: অন্যায়-অবিচার পরিহারের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে: জামায়াত আমির একাত্তরে তাদের কারণে মা-বোনদের সম্মান গেছে, এখনো দরদ নেই: তারেক গৃহকর্মী নির্যাতন: গ্রেপ্তারের পর কারাগারে বিমানের এমডি ও স্ত্রী শেখ হাসিনার বাইরে গিয়েও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক এগোতে পারে: ফখরুল আরও বাড়ল এলপিজির দাম ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ২ জন নিহত : কর্তৃপক্ষ এরা মিথ্যাবাদী, মিথ্যাবাদীরা দেশ চালাতে পারে না: তারেক রহমান আমুর ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ববি ও রূপন্তীর প্লটের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা-টিউলিপের সঙ্গে এবার ববি ও রূপন্তীর সাজা ‘এনসিটি’ নিয়ে আন্দোলন: তৃতীয় দিনে ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার যাচ্ছে জেলায় জেলায় লক্ষ্মীপুর-৪: বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩৮ হাজার কোটি টাকা আসতে পারে শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বজ্র ও শিলাবৃষ্টি বিশ্বকাপে খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ
রমজানে মসজিদে নববীর ইমামের তালিকায় নাম নেই যার
রমজানে মসজিদে নববীর ইমামের তালিকায় নাম নেই যার

দীর্ঘ ১২ বছর যাবত মসজিদে নববীতে নিয়মিত তারাবিহ ও তাহাজ্জুদ নামাজে ইমামতি করার পর এবার আর সেই দায়িত্বে দেখা যাচ্ছে না শায়খ আহমেদ বিন তালিব বিন হামিদকে। এবারের রমজানে মসজিদে নববীর তারাবির ইমামদের আনুষ্ঠানিক সূচিতে নেই তার নাম। সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন ২০২৬ সালের রমজানের জন্য প্রকাশিত প্রাথমিক সূচিতে তার নাম না থাকায় বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই পবিত্র মসজিদে রমজানের রাতের নামাজে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে প্রশাসনিক কিছু পরিবর্তনের অংশ হিসেবে দুই পবিত্র মসজিদের বিষয়ক জেনারেল প্রেসিডেন্সির প্রকাশিত নথিতে মসজিদে নববীর স্থায়ী ইমামদের তালিকা থেকে শায়খ আহমেদ বিন তালিবের নাম বাদ পড়ে। তখন থেকেই তার ভবিষ্যৎ দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে ২০২৬ সালের রমজানের জন্য প্রকাশিত সূচিতে তার নাম না থাকায় বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৩৯

জুমার দিন যে ৩ কাজ ভুলেও করা যাবে না
জুমার দিন যে ৩ কাজ ভুলেও করা যাবে না

জুমার দিন বা শুক্রবার সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের মর্যাদা ও তাৎপর্য অনেক বেশি। মুসলমানদের কাছে পবিত্র ও সর্বশ্রেষ্ঠ একটি দিন হলো জুমার দিন। ফজিলতের কারণে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে। জুমার দিনে অনেকেই বিভিন্ন আমল করার চেষ্টা করেন, শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য। এক রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন অন্যান্য দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জুমার দিন আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে মহান দিন। এমনকি এ দিন আল্লাহ তাআলার কাছে ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর তথা ইসলামের দুই ঈদের দিন থেকেও মহান। (সুনানে ইবনে মাজা) إِنَّ هَذَا يَوْمُ عِيدٍ جَعَلَهُ اللَّهُ لِلْمُسْلِمِينَ فَمَنْ جَاءَ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ وَإِنْ كَانَ طِيبٌ فَلْيَمَسَّ مِنْهُ وَعَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন। তাই যে ব্যক্তি জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে সে যেন গোসল করে এবং সুগন্ধি থাকলে তা শরীরে লাগায়। মিসওয়াক করাও তোমাদের কর্তব্য। (সুনানে ইবনে মাজা)

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩০