শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১ ১৪৩২, ২৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গণভোট: হ্যাঁ ভোট ৬৮.০৬% ভোট পড়েছে ৫৯% আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান: ফখরুল ঢাকার ১৩টি আসন বিএনপির, ৭টি জামায়াত জোটের এনসিপির ঝুলিতে ৬ আসন ফলাফলে ‘গরমিল’, প্রশাসন ‘নিরপেক্ষ ছিল না’: জামায়াত নিরঙ্কুশ বিজয়ে তারেককে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন তারেককে মোদীর অভিনন্দন, গণতান্ত্রিক-অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের সমর্থনে থাকবে ভারত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি ঐতিহাসিক জয়ে তারেককে অভিনন্দন, এক সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র খুলনার ৬টি আসনে চারটিতে বিএনপি, দুটিতে জামায়াত জয়ী জামায়াত নেতা সাঈদীর ছোট ছেলে জয়ী, হেরেছেন বড়জন ঢাকা-৮: জিতলেন আব্বাস, পাটওয়ারীর হার ৪৯৮০ ভোটে নওগাঁর ছয় আসনের পাঁচটিতে জয় বিএনপির গোপালগঞ্জের তিন আসনই এখন বিএনপির ঢাকা-১৫: জামায়াত আমিরের জয় ২২ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান বড় ব্যবধানে জয়ী ঢাকা- ১৭: ৪৩৯৯ ভোটে জিতলেন তারেক রহমান

রাজনীতি

সংবিধান পরিবর্তন ছাড়া ফ্যাসিবাদ বিলোপ সম্ভব নয়: এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক

 প্রকাশিত: ২৩:২১, ৩১ মে ২০২৫

সংবিধান পরিবর্তন ছাড়া ফ্যাসিবাদ বিলোপ সম্ভব নয়: এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক

বক্তৃতা করছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

"এক ব্যক্তি আসবে, আরেক ব্যক্তি যাবে— কিন্তু ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থাটি অটুট থাকলে জনগণের রক্ত বৃথা ঝরবে"—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

শনিবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় গুলশানের সেলিব্রেটি কনভেনশন হলে এনসিপি’র ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘মৌলিক সংস্কার ও আগামীর রাজনীতি’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তব্য দেন তিনি।

নাসীর বলেন, “৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান— প্রতিটি পর্যায়ে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা। কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত সংবিধান একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামো বহন করছে। যতদিন এই সংবিধান থাকবে, ততদিন দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র আসবে না। সংবিধানের আমূল সংস্কার তরুণ প্রজন্মের হাতেই হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের অভ্যুত্থান ছিল ৭১-এর পর সবচেয়ে বড় গণজাগরণ, যার নেতৃত্ব ছিল তরুণদের হাতে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশও তাদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে।”

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম— এক ব্যক্তি দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধান—এই ব্যবস্থা চলতে পারে না। একজন ব্যক্তি দেশের সব নিয়োগ, সিদ্ধান্ত ও ক্ষমতার উৎস হলে, সেটি আর গণতন্ত্র নয়, বরং ‘গ্যাংস্টার কালচার’। আমরা ভবিষ্যতে কোনও ব্যক্তি বা পরিবারের কাছে নয়, শুধু জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই।”

এ কর্মশালায় বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত ভাগ করেন— আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, সাংবাদিক রেজাউল করিম রনি, মানবাধিকার কর্মী মোস্তাঈন জহির, The Descent-এর সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির, ‘ট্রাক লাগবে’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এনায়েত রশিদ, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি (কাতার) এর সহকারী অধ্যাপক হাসান মাহমুদ, অর্থনীতিবিদ জিয়া হাসান, বিডি জবস-এর সিইও ফাহিম মাশরুর, কবি ও লেখক এসএম রেজাউল করিম মনু, এনসিপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আরিফ আদিব, চিকিৎসক ও লেখক ডা. তাসনিম জারা