বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৪ ১৪৩২, ২৯ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান ইসরায়েলে নতুন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান কিউবা নিয়ে যা খুশি তাই করতে পারি: ট্রাম্প ধর্ষণ রোধে সব মন্ত্রণালয়-সংস্থাকে সমন্বিত অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন এমপি আতিক মুজাহিদ ইরানের নিরাপত্তা প্রধান লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের পহেলা বৈশাখে সাড়ে ২১ হাজার কৃষক কার্ড দিচ্ছে সরকার কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী বাগদাদে দূতাবাসে হামলা, নিহত ৪ তেল অবরোধে অন্ধকারে কিউবা, ‘দখল’ নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের ঈদের সাত দিনের ছুটি শুরু, রাজধানী ছাড়ছে মানুষ সর্বকালের সর্বোচ্চ দরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ১২ হাজার ফ্লাইট বাতিল, অচলাবস্থা আফগানিস্তানের হাসপাতালে ‘পাকিস্তানের হামলা’, বহু হতাহত

অর্থনীতি

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২২:৪১, ৬ মে ২০২৫

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

আকুর ১৮৮ কোটি ডলারের দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

বাংলাদেশ গত মার্চ-এপ্রিল সময়ে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর ১৮৮ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে, তারপরেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উপরে রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রিজার্ভ ছিল ২২.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা দিন শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ২০.১৮ বিলিয়ন ডলারে।

আকু হচ্ছে একটি আন্তদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, ইরান, মিয়ানমার এবং মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থ নিষ্পত্তি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মার্চে ১৭৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে ১৬৭ কোটি ডলার আকুতে পরিশোধ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গত সরকারের সময়ে রিজার্ভের যে পতন হয়েছিল, বর্তমানে তা তেমন দ্রুতগতিতে কমছে না এবং সাম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভ কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৪৮.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের জুলাইয়ে কমে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, তবে চলতি বছরের এপ্রিলের শেষে তা ২২ বিলিয়নের উপরে ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ পাচার ও হুন্ডির চাহিদা কমে যাওয়ার ফলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বেড়েছে, যার কারণে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমেছে।