বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১২ ১৪৩২, ০৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চট্টগ্রামের এমপি নুরুল আমিন ১২ কেজি এলপিজির দাম কমল ১৫ টাকা বিশ্বকাপের স্বাগতিক মেক্সিকোয় সহিংসতা, গভীর নজর রাখছে ফিফা দুই সচিবের দপ্তর বদল ৫ অগাস্টের পর প্রতিবিপ্লবের চেষ্টা ছিল: রাষ্ট্রপতি এপস্টেইন ফাইল: যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত ম্যান্ডেলসন গ্রেপ্তার দায়িত্ব নিলেন ছয় সিটির প্রশাসক বিমানবন্দরে মশা মারার ওষুধ ছিটানোর নির্দেশ বিমানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে চলে গেলেন আরেকজন, মৃত্যু বেড়ে ৩ ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় মার্কেটে আগুনে পুড়ল ১০ দোকান কুমিল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ মাদক সম্রাটের মৃত্যু: মেক্সিকোতে সহিংসতা ঠেকাতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন ভারতের ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৭

অর্থনীতি

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২২:৪১, ৬ মে ২০২৫

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

আকুর ১৮৮ কোটি ডলারের দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

বাংলাদেশ গত মার্চ-এপ্রিল সময়ে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর ১৮৮ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে, তারপরেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উপরে রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রিজার্ভ ছিল ২২.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা দিন শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ২০.১৮ বিলিয়ন ডলারে।

আকু হচ্ছে একটি আন্তদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, ইরান, মিয়ানমার এবং মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থ নিষ্পত্তি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মার্চে ১৭৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে ১৬৭ কোটি ডলার আকুতে পরিশোধ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গত সরকারের সময়ে রিজার্ভের যে পতন হয়েছিল, বর্তমানে তা তেমন দ্রুতগতিতে কমছে না এবং সাম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভ কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৪৮.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের জুলাইয়ে কমে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, তবে চলতি বছরের এপ্রিলের শেষে তা ২২ বিলিয়নের উপরে ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ পাচার ও হুন্ডির চাহিদা কমে যাওয়ার ফলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বেড়েছে, যার কারণে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমেছে।