সোমবার ১২ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৮ ১৪৩২, ২৩ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

আনিসুল হক ও তার বান্ধবীর নামে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা মুছাব্বির হত্যা: এক ‘শুটার’সহ গ্রেপ্তার ৪ অন্তর্বর্তী সরকারই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য প্রচার চালাবে দ্বিতীয় দিনের আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৫৮ জন হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেন: দুদক চেয়ারম্যান কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু: বাস মালিক গ্রেপ্তার কর ফাঁকির মামলায় বিএনপি নেতা দুলু খালাস আমেরিকানদের অবিলম্বে ভেনেজুয়েলা ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের এআই খেলনা বিতর্ক: নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ফেরার চ্যালেঞ্জ ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যেই ইরানে নতুন করে বিক্ষোভ শামা ওবায়েদের আয় কমলেও সম্পদ বেড়েছে নির্বাচন কমিশনে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভা বিশ্বে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে ঢাকা সিরিয়ায় আইএসের লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যাপক’ হামলা

অর্থনীতি

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২২:৪১, ৬ মে ২০২৫

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

আকুর ১৮৮ কোটি ডলারের দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

বাংলাদেশ গত মার্চ-এপ্রিল সময়ে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর ১৮৮ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে, তারপরেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উপরে রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রিজার্ভ ছিল ২২.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা দিন শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ২০.১৮ বিলিয়ন ডলারে।

আকু হচ্ছে একটি আন্তদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, ইরান, মিয়ানমার এবং মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থ নিষ্পত্তি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মার্চে ১৭৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে ১৬৭ কোটি ডলার আকুতে পরিশোধ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গত সরকারের সময়ে রিজার্ভের যে পতন হয়েছিল, বর্তমানে তা তেমন দ্রুতগতিতে কমছে না এবং সাম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভ কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৪৮.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের জুলাইয়ে কমে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, তবে চলতি বছরের এপ্রিলের শেষে তা ২২ বিলিয়নের উপরে ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ পাচার ও হুন্ডির চাহিদা কমে যাওয়ার ফলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বেড়েছে, যার কারণে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমেছে।