মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২১ ১৪৩২, ১৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন ভারতে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতারা’ বুথে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন কারাবন্দিরা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছি, কোথাও ‘যাব না’: অর্থ উপদেষ্টা অস্থির সোনা-রূপার বাজার, সকাল–বিকাল দাম বাড়ছে এনসিটি ইজারা: এবার লাগাতার কর্মবিরতি ঘোষণা নির্বাচনি সফর: তারেক এবার যাচ্ছেন বরিশাল ও ফরিদপুরে তীব্র শীতে কিয়েভে আবারও রাশিয়ার হামলা র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ বিটিভিতে বিএনপি নেতার ভোটের ভাষণ ৯ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত, মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশ হচ্ছে কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে নাহিদের রিট খারিজ শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ পবিত্র শবে বরাত আজ সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে বাধা নেই টানা ছয় মাস পতনের ধারায় রপ্তানি আয় ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

অর্থনীতি

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২২:৪১, ৬ মে ২০২৫

১৮৮ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ, রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে

আকুর ১৮৮ কোটি ডলারের দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

বাংলাদেশ গত মার্চ-এপ্রিল সময়ে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর ১৮৮ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে, তারপরেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উপরে রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রিজার্ভ ছিল ২২.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা দিন শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ২০.১৮ বিলিয়ন ডলারে।

আকু হচ্ছে একটি আন্তদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, ইরান, মিয়ানমার এবং মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থ নিষ্পত্তি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মার্চে ১৭৫ কোটি ডলার এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে ১৬৭ কোটি ডলার আকুতে পরিশোধ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গত সরকারের সময়ে রিজার্ভের যে পতন হয়েছিল, বর্তমানে তা তেমন দ্রুতগতিতে কমছে না এবং সাম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভ কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৪৮.০৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের জুলাইয়ে কমে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, তবে চলতি বছরের এপ্রিলের শেষে তা ২২ বিলিয়নের উপরে ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ পাচার ও হুন্ডির চাহিদা কমে যাওয়ার ফলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বেড়েছে, যার কারণে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমেছে।