বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৩ ১৪৩২, ২৯ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান ইসরায়েলে নতুন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান কিউবা নিয়ে যা খুশি তাই করতে পারি: ট্রাম্প ধর্ষণ রোধে সব মন্ত্রণালয়-সংস্থাকে সমন্বিত অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন এমপি আতিক মুজাহিদ ইরানের নিরাপত্তা প্রধান লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের পহেলা বৈশাখে সাড়ে ২১ হাজার কৃষক কার্ড দিচ্ছে সরকার কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী বাগদাদে দূতাবাসে হামলা, নিহত ৪ তেল অবরোধে অন্ধকারে কিউবা, ‘দখল’ নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের ঈদের সাত দিনের ছুটি শুরু, রাজধানী ছাড়ছে মানুষ সর্বকালের সর্বোচ্চ দরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ১২ হাজার ফ্লাইট বাতিল, অচলাবস্থা আফগানিস্তানের হাসপাতালে ‘পাকিস্তানের হামলা’, বহু হতাহত

অর্থনীতি

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

 প্রকাশিত: ১৭:০৭, ১২ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

রিজার্ভ চুরি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা পর্যালোচনা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন—সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক আলী আশফাক এবং রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নজরুল হুদা।


কমিটির দায়িত্ব হলো ২০১৬ সালের রিজার্ভ চুরির তদন্ত অগ্রগতি ও সরকারি পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করা, দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করা এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সুপারিশ দেওয়া। কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, এবং প্রয়োজনে তারা সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে ও সভা আয়োজন করতে পারবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। হ্যাকাররা সুইফট পেমেন্ট পদ্ধতির দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে এই অর্থ হাতিয়ে নেয়।