মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৯ ১৪৩২, ২৪ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

আইসিসির চিঠি: মুস্তাফিজ থাকলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়বে, দাবি আসিফ নজরুলের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, আলোচনার জন্যও: ট্রাম্পকে ইরান ইসিতে তৃতীয় দিনে ৪১ জনের আপিল মঞ্জুর মুছাব্বির হত্যা: ‘শুটার’ জিনাতের ‘দোষ স্বীকার’, রিমান্ডে ৩ জন ‘অনৈতিক প্রস্তাবে’ রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর স্কুলছাত্রীকে হত্যা: র‌্যাব মানিকগঞ্জ হাসপাতালে নারীকে ‘ধর্ষণ’, ২ আনসার সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই, এটি সরকারের ব্যর্থতা: মির্জা ফখরুল ৫০ বছর পর চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছে নাসা, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভাইরাল পোস্টে নিজেকে ‘ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা: সন্দেহভাজন মিলন র‌্যাবের হাতে ধরা চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের ফজলুলের প্রার্থিতা ফিরল না আপিলেও হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল থেকে ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৫০০ ছাড়িয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে শক্ত বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

শিশু

কেন আজকের শিশুরা অতিরিক্ত বদমেজাজী?

 প্রকাশিত: ১১:২১, ১৮ আগস্ট ২০২৩

কেন আজকের শিশুরা অতিরিক্ত বদমেজাজী?

উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

শিশুদের অস্বাভাবিক রাগের কারণ 

এখনকার বাচ্চাদের মধ্যে  কাজ করছে অস্বাভাবিক রাগ, ক্রোধ এবং বদমেজাজ। যা বিগত ১৫/২০ বছর আগেও ছিল না। বাচ্চাদের এমন ক্রোধাগ্নিতার একটা বড় কারণ হলো বিভিন্নধরনের ইলেক্ট্রনিক গেম। গেমিংয়ের মধ্যে যেটা শেখানো হয় সেটা হলো নিজের বিপরীতে যেই থাকুক তাকে পরাজিত করতে হবে। এর ফলে শিশুর মনে অন্যকে সহ্য করার মানসিকতা লোপ পেতে থাকে। যা ফিজিক্যাল খেলাধুলায় পাওয়া যায় না। বরং ফিজিক্যাল খেলাধুলায় আজকে যে প্রতিপক্ষ দলে খেলছে কালকে আবার সে নিজের পক্ষে খেলছে। এর ফলে খেলার মাঠে হারি জিতি মানসিকতা থাকলেও মাঠের বাইরে, পড়ার টেবিলে, ক্যান্টিনে, গাল-গল্পে তারা অন্তরঙ্গতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে মিলিত হয়। এরফলে তাদের মনে পরমত সহিষ্ণুতা তৈরী হয়। অপরের ইচ্ছা, আগ্রহ এবং চাহিদার প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের সুযোগ হয়।

রাগ কমাতে করণীয়

কাজেই বাচ্চার রাগ কমাতে প্রযুক্তির অযাচিত ব্যবহার রোধ করতে হবে। তা না হলে এর সুদুরপ্রসারি ক্ষতি থেকে পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে যাবে।

বাচ্চার রাগ কমাতে বাচ্চা যে জিনিসের উপরে জেদ ধরে জেদের কারণে তাত্ক্ষণিক তাকে সেই জিনিস দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কেননা সে যদি বুঝতে পারে যে জেদের কারণে সে যা চায় তাই পায় তাহলে এতে তার জেদ এবং আনাড়ী ভাব আরো বেড়ে যাবে। বরং যদি সেই বস্তুটা দেওয়ার মত হয় তাহলে তার রাগ প্রশমিত হওয়ার পর দিতে হবে। এবং তাকে এ কথা বুঝতে দিতে হবে যে রাগ করলেই সবকিছু পাওয়া যায় না।

শিশু রাগ করলে কখন তাকে ধমক দিতে হবে এবং কখন তাকে আদর করতে হবে সেই বিষয়টাও বুঝতে হবে। অভিভাবকদের অনেকেই এখানে ভুল করেন। কাজেই সোহাগ এবং সতর্ক উভয়টা দিয়েই কাজ নিতে হবে।

শিশুর রাগ কমাতে একটি বিশেষ আমল

উপরোক্ত পদ্ধতি অবলম্বনের সাথে সাথে রুকিয়ার এই আমলটিও করা যেতে পারে। সেটি হলো তার খাবারের মধ্যে সাতবার اعوذ بالله من الشيطان الرجيم পড়ে ফু দিয়ে তাকে খেতে দিতে হবে। এভাবে নিয়মিত আমল করতে থাকলে ইনশাআল্লাহ তার রাগ অবশ্যই কমে যাবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের তৌফিক দান করুন।

والله اعلم بالصواب

উত্তর দিয়েছেনঃ মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি

মুসলিম বাংলা