বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৮ ১৪৩২, ২৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

বাগেরহাটের রামপালে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১২ ইরান যুদ্ধের প্রথম ৬ দিনেই খরচ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার ইরানের ভেতরে বাস্তুচ্যুত ৩২ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ ‘জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’: সংসদের ভাষণে আর যা যা বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল: রাষ্ট্রপতি এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে সংসদে বিরোধীদের ওয়াকআউট আশা করি সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না: স্পিকারকে শফিকুর ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে এই সংসদকে মুক্ত করেছিলাম: নাহিদ যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে হামলা, বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান যাত্রা করল ত্রয়োদশ সংসদ কয়েক হাত দূর থেকে গুলি, প্রাণে বেঁচে গেলেন জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আব্দুল্লাহ তেল-গ্যাস নয়, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ভয় খাবার পানি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের কোনো সম্ভাবনা নেই ইরানের : ক্রীড়ামন্ত্রী

অর্থনীতি

২৫ হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো

 প্রকাশিত: ১৯:৪৩, ২৫ জুলাই ২০২৪

২৫ হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো

টানা পাঁচ দিন ছুটির পর কারফিউ শিথিলের সুযোগে খোলা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তারল্য সংকট কাটাতে এক দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ধার নিয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়ে বলেছে, নগদ টাকার সরবরাহ ঠিক রাখতে বুধবার টাকা ধারা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকা ও এটিএম বুথে নগদ টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার ব্যাংক খোলার দিনই তারল্য সংকটে ছিল ব্যাংকগুলো।


কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে নজিরবিহীন সহিংসতার জেরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাঁচ দিন এবং মোবাইল ইন্টারনেট ছয় দিন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে শুক্র-শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির পর রোব থেকে মঙ্গলবার তিন দিন সাধারণ ছুটি ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নগদ টাকার চাহিদা পূরণে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলো ধার নিয়ে নিয়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়েছে বাকি টাকা।

সাধারণত ব্যাংকগুলো ধার নেওয়া এই অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে থাকা হিসাবে ঘাটতি ও নগদ জমায় (সিআরআর) ঘাটতি হিসেবে ব্যবহার করে। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকা নিয়ে গ্রাহকের চাহিদা মেটায়।


কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, বুধবার বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক রেপো, অ্যাসিউরড রেপো, অ্যাসিউরড লিকুইডিটি সাপোর্ট (এএলএস) ও শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর জন্য ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির (আইবিএলএফ) নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

এই নিলামে ৭ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ১৪টি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার ৭ কোটি টাকা, ১৪ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ৯টি ব্যাংককে ২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা, ২৮ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ১২টি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়।

১৮০ দিন মেয়াদি অ্যাসিউরড রেপো সুবিধার আওতায় তিনটি ব্যাংককে ৫ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা এবং ১ দিন মেয়াদি অ্যাসিউরড লিকুইডিটি সাপোর্ট আওতায় ১১টি প্রাইমারি ডিলার ব্যাংককে ৩ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৪ দিন মেয়াদি ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় ১টি ব্যাংককে ৪৯৭ কোটি টাকা ও ২৮ দিন মেয়াদে ৫টি ইসলামি ধারার ব্যাংককে ৯৮৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বুধবারে ২৫ হাজার ৫২১ কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়।টানা পাঁচ দিন ছুটির পর কারফিউ শিথিলের সুযোগে খোলা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তারল্য সংকট কাটাতে এক দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ধার নিয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়ে বলেছে, নগদ টাকার সরবরাহ ঠিক রাখতে বুধবার টাকা ধারা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকা ও এটিএম বুথে নগদ টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার ব্যাংক খোলার দিনই তারল্য সংকটে ছিল ব্যাংকগুলো।


কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে নজিরবিহীন সহিংসতার জেরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাঁচ দিন এবং মোবাইল ইন্টারনেট ছয় দিন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে শুক্র-শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির পর রোব থেকে মঙ্গলবার তিন দিন সাধারণ ছুটি ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নগদ টাকার চাহিদা পূরণে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলো ধার নিয়ে নিয়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়েছে বাকি টাকা।

সাধারণত ব্যাংকগুলো ধার নেওয়া এই অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে থাকা হিসাবে ঘাটতি ও নগদ জমায় (সিআরআর) ঘাটতি হিসেবে ব্যবহার করে। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকা নিয়ে গ্রাহকের চাহিদা মেটায়।


কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, বুধবার বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক রেপো, অ্যাসিউরড রেপো, অ্যাসিউরড লিকুইডিটি সাপোর্ট (এএলএস) ও শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর জন্য ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির (আইবিএলএফ) নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

এই নিলামে ৭ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ১৪টি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার ৭ কোটি টাকা, ১৪ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ৯টি ব্যাংককে ২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা, ২৮ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ১২টি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়।

১৮০ দিন মেয়াদি অ্যাসিউরড রেপো সুবিধার আওতায় তিনটি ব্যাংককে ৫ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা এবং ১ দিন মেয়াদি অ্যাসিউরড লিকুইডিটি সাপোর্ট আওতায় ১১টি প্রাইমারি ডিলার ব্যাংককে ৩ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৪ দিন মেয়াদি ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় ১টি ব্যাংককে ৪৯৭ কোটি টাকা ও ২৮ দিন মেয়াদে ৫টি ইসলামি ধারার ব্যাংককে ৯৮৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বুধবারে ২৫ হাজার ৫২১ কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ দিন মেয়াদে টাকা ধারের সুদহার ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ, ১৪ দিন মেয়াদে সুদহার ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ ও ২৮ দিন মেয়াদি টাকা ধারের সুদহার ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ ছাড়া অ্যাসিউরড রেপো ও অ্যাসিউরড লিকুইডিটির সুদহার সাড়ে ৮ শতাংশ, ইসলামি ধারার ব্যাংকের জন্য মুনাফার হার সাড়ে ৫ শতাংশ, ২৮ দিন মেয়াদি ইসলামি ধারার ব্যাংকের জন্য মুনাফার হার ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশ ধরা হয়েছে।