মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৪ ১৪৩২, ২৯ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

এক হাসিনায় আটকে থাকবে না ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: ফখরুল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায় জানালেন প্রধান উপদেষ্টা রমজানে হাইস্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ স্থগিত ভোটের পরের সহিংসতায় দেশে ‘৭ মৃত্যু, আহত ৩৫০’ ঢাকা-১৭ রেখে বগুড়া-৬ ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান ওমরাহ শেষে সৌদি আরবের সড়কে প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৩৭ বাড়ি প্রস্তুত, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কোথায় নির্বাচনে প্রচারণা ব্যয়ের সীমা লঙ্ঘন, শীর্ষে বিএনপি: টিআইবি পুরোনো জীবনে ফিরে যাবো, লেখালেখি করবো: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশেষে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করছে এনসিপি শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি নাসার নজরুলের স্ত্রীর ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার জমি জব্দ ভারতে এআই সম্মেলন শুরু, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় তেলের গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ, সচিবালয়ে বিদায়ের সুর

ইসলাম

মহানবী (সাঃ) এর জামা দেখতে মানুষের ঢল

 আপডেট: ১৬:১২, ২৫ এপ্রিল ২০২২

মহানবী (সাঃ) এর জামা দেখতে মানুষের ঢল

এই শুক্রবারের কথা। তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলের ফাতিহ জেলার হিরকা-ই সেরিফ মসজিদের সামনে ও ভেতরে প্রচণ্ড ভিড়। দুই বছর পর আবার হযরত মুহাম্মদ (সাঃ ) এর ব্যবহার করা পোষাকটি প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেই পোশাক মুবারক দেখতেই মানুষের এত আগ্রহ ও ভিড়।

এটা আসলে একটা আলখাল্লা বা জুব্বা। মহানবী (সাঃ) যা পরেছেন। প্রায় ১,৪০০ বছর ধরে যা সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এই পোশাক দেখতেই মসজিদে মানুষের ঢল নামে। হিরকা শব্দের অর্থ জুব্বা বা জামা। মূলত সংরক্ষিত জুব্বার জন্যই ১৬০ বছরের পুরনো এই মসজিদের নাম মসজিদে হিরকা-ই সেরিফ রাখা হয়েছে।  

জানা যায়, মহানবীর এই পোশাকটা সংগ্রহ করা হয়েছিল বিখ্যাত সাধক উয়াইস আল-কারনির (রহঃ) কাছ থেকে। মুহাম্মদ (সাঃ) এর কাছ থেকে জামাটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন তিনি। 

ইস্তাম্বুলের গভর্নর আলি ইয়ারলিকায়া ও ফাতিহের মেয়র ইরগুন তুরান সেদিন পুনরায় জামাটির প্রদর্শণী উন্মুক্ত করার দিনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শুরু হয় কুরআন তিলওয়াতের মধ্য দিয়ে। এরপর উৎসুক দর্শক ভেতরে প্রবেশের অনুমতি পান। 

আগে থেকেই কেবল পবিত্র রমজান মাসে মহানবীর (সাঃ) এই পোশাকের প্রদর্শনী হতো। কিন্তু গত দুই বছর তা বন্ধ ছিল। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বন্ধ করা হয়েছিল প্রদর্শণী। 

শুক্রবার মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র দিন। আর এদিন জুমার নামাজের কয়েক ঘণ্টা আগে মহানবীর (সাঃ) পবিত্র জামা মুবারক রাখার ঘরটিতে দর্শকরা ঢোকার অনুমতি পান। পোশাকটা কাচে ঘেরা দেয়ালের ওপাশে রাখা। পুরুষ-নারী-শিশুরা লাইন ধরে এগিয়ে গিয়ে দেখছিলেন জুব্বাটি। পুরুষ-নারীর জন্য প্রবেশের ভিন্ন লাইন।

জীবনে এমন সৌভাগ্য তো একবারই আসে। মহানবীর (সাঃ) পরিদানের বস্তু দেখতে এসে যা একটু ধৈর্য্য পরীক্ষা দিতে হয়েছে তা নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ নেই। অনেককে দেখা গেল কান্নায় ভেঙে পড়তে। অনেকে প্রার্থনা করছিলেন।  

ঈদ উল-ফিতরের দুদিন আগ পর্যন্ত মানে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মহানবীর (সাঃ) এই পবিত্র পোশাক প্রদর্শনীর জন্য থাকবে। 

এই জামা দেখতে আসার জন্য কি প্রবল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন তা বোঝা যায় লায়লা কাহরামানের কথায়, ‘আমি এতোটাই রেমাঞ্চিত ছিলাম যে গত রাতে একটুও ঘুমাতে পারিনি। এই মুহূর্তের জন্য আমি (দুই বছর ধরে) অপেক্ষা করছিলাম।’ তার সঙ্গে ছিল ৯ বছরের ছেলে। তার ভাষ্য, ‘আমি মহানবীকে (সাঃ) খুব ভালোবাসি। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে আমার।’