শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৮ ১৪৩২, ০৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

উত্তর কোরিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন কিম জং উন এআই নিয়ে যৌথ অবস্থান ঘোষণা করবেন বিশ্বনেতারা ভেনেজুয়েলা পার্লামেন্টে সর্বসম্মতভাবে সাধারণ ক্ষমা আইন পাস তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকারি দল সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ বিদ্রোহের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের যাবজ্জীবন সচিবালয়েই অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু: তথ্যমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই স্বাভাবিক হবে: সহকারী হাই কমিশনার আইজিপি বাহারুল স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন, আলোচনায় পুনরায় ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ মিত্রদের সঙ্গে এআইয়ের ‘নিয়মের কাঠামো’ গড়তে বদ্ধপরিকর মাখোঁ ভারতে এআই সম্মেলনে ভাষণ বাতিল করলেন বিল গেটস শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানে নতুন কোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সতর্কতা জানালেন ল্যাভরভ

ইসলাম

মহানবী (সাঃ) এর জামা দেখতে মানুষের ঢল

 আপডেট: ১৬:১২, ২৫ এপ্রিল ২০২২

মহানবী (সাঃ) এর জামা দেখতে মানুষের ঢল

এই শুক্রবারের কথা। তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলের ফাতিহ জেলার হিরকা-ই সেরিফ মসজিদের সামনে ও ভেতরে প্রচণ্ড ভিড়। দুই বছর পর আবার হযরত মুহাম্মদ (সাঃ ) এর ব্যবহার করা পোষাকটি প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেই পোশাক মুবারক দেখতেই মানুষের এত আগ্রহ ও ভিড়।

এটা আসলে একটা আলখাল্লা বা জুব্বা। মহানবী (সাঃ) যা পরেছেন। প্রায় ১,৪০০ বছর ধরে যা সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এই পোশাক দেখতেই মসজিদে মানুষের ঢল নামে। হিরকা শব্দের অর্থ জুব্বা বা জামা। মূলত সংরক্ষিত জুব্বার জন্যই ১৬০ বছরের পুরনো এই মসজিদের নাম মসজিদে হিরকা-ই সেরিফ রাখা হয়েছে।  

জানা যায়, মহানবীর এই পোশাকটা সংগ্রহ করা হয়েছিল বিখ্যাত সাধক উয়াইস আল-কারনির (রহঃ) কাছ থেকে। মুহাম্মদ (সাঃ) এর কাছ থেকে জামাটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন তিনি। 

ইস্তাম্বুলের গভর্নর আলি ইয়ারলিকায়া ও ফাতিহের মেয়র ইরগুন তুরান সেদিন পুনরায় জামাটির প্রদর্শণী উন্মুক্ত করার দিনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শুরু হয় কুরআন তিলওয়াতের মধ্য দিয়ে। এরপর উৎসুক দর্শক ভেতরে প্রবেশের অনুমতি পান। 

আগে থেকেই কেবল পবিত্র রমজান মাসে মহানবীর (সাঃ) এই পোশাকের প্রদর্শনী হতো। কিন্তু গত দুই বছর তা বন্ধ ছিল। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বন্ধ করা হয়েছিল প্রদর্শণী। 

শুক্রবার মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র দিন। আর এদিন জুমার নামাজের কয়েক ঘণ্টা আগে মহানবীর (সাঃ) পবিত্র জামা মুবারক রাখার ঘরটিতে দর্শকরা ঢোকার অনুমতি পান। পোশাকটা কাচে ঘেরা দেয়ালের ওপাশে রাখা। পুরুষ-নারী-শিশুরা লাইন ধরে এগিয়ে গিয়ে দেখছিলেন জুব্বাটি। পুরুষ-নারীর জন্য প্রবেশের ভিন্ন লাইন।

জীবনে এমন সৌভাগ্য তো একবারই আসে। মহানবীর (সাঃ) পরিদানের বস্তু দেখতে এসে যা একটু ধৈর্য্য পরীক্ষা দিতে হয়েছে তা নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ নেই। অনেককে দেখা গেল কান্নায় ভেঙে পড়তে। অনেকে প্রার্থনা করছিলেন।  

ঈদ উল-ফিতরের দুদিন আগ পর্যন্ত মানে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মহানবীর (সাঃ) এই পবিত্র পোশাক প্রদর্শনীর জন্য থাকবে। 

এই জামা দেখতে আসার জন্য কি প্রবল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন তা বোঝা যায় লায়লা কাহরামানের কথায়, ‘আমি এতোটাই রেমাঞ্চিত ছিলাম যে গত রাতে একটুও ঘুমাতে পারিনি। এই মুহূর্তের জন্য আমি (দুই বছর ধরে) অপেক্ষা করছিলাম।’ তার সঙ্গে ছিল ৯ বছরের ছেলে। তার ভাষ্য, ‘আমি মহানবীকে (সাঃ) খুব ভালোবাসি। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে আমার।’