বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২, অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯, ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

জাতীয়

নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি ও তেল

 প্রকাশিত: ১৮:৪৮, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি ও তেল

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সরকার নির্ধারণ করে দিলেও পূর্বের মতোই বেশি  দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি ও তেল। আজ রোববার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতিকেজি খোলা চিনির দাম রাখা হচ্ছে ৯০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১০০ থেকে ১০৫ টাকা।
অন্যদিকে আরেক প্রয়োজনীয় পণ্য তেল। যা বাজারে প্রতি লিটার খোলা বিক্রি হচ্ছে ১৩৮ থেকে ১৪০ টাকায় ( পাম অয়েল)
অথচ গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিকেজি প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকা, খোলা চিনি ৮৪ টাকা এবং পাম অয়েলের লিটার ১৩৩ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। যা আজ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু বিষয়টি না মেনে বাজারে পুরনো বাড়তি দামেই চিনি ও তেল বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমার পরিবর্তে উল্টো চিনির দাম বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা বেড়েছে। ৪২০০ টাকার চিনির বস্তা আজ কিনতে হয়েছে ৪ হাজার ৩০০ টাকায়। প্রতিকেজি চিনির কেনা দাম পড়ছে ৮৬ টাকা। তার সঙ্গে রয়েছে যাতায়াত খরচ।
তারা বলছেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শুনেছি চিনি আর তেলের দাম আজ থেকে কমানো হয়েছে। সরকার নির্ধারিত নতুন দামে তেল-চিনি আজ থেকে পাইকারি বাজারে আসতে শুরু করবে। তবে এগুলো আমাদের কাছে (খুচরা বাজার) আসতে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগবে।
এদিকে পুরনো বাড়তি দামে তেল-চিনি বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছে সরকারি বাজার মনিটরিং প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ তথ্য মতে, রাজধানীতে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকা।
তেলের মধ্যে খোলা সয়াবিনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭২ থেকে ১৭৫ টাকায়। এক লিটারের বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা থেকে ১৯২ টাকা কেজিতে। ৫ লিটারের তেল বিক্রি হয়েছে ৯২০ থেকে ৯৪৫ টাকায়। আর খোলা পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে ১২৬ থেকে ১৩৫ টাকা। আর সুপার পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা লিটার।

মন্তব্য করুন: