সোমবার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৬ ১৪৩২, ৩০ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারে ফের মিললো দুই পোড়া লাশ গুলশান থেকে তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার ক্ষমতায় গেলে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আলাদা বিভাগ হবে: তারেক রহমান ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৫০০০ ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আর্টেমিস-২ মিশন: ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাতে প্রস্তুত নাসা ইসির সামনে রাত পর্যন্ত অবস্থানের ঘোষণা ছাত্রদলের ‘প্লট দুর্নীতি’: হাসিনা, টিউলিপ, ববির মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিরোধিতা: ইউরোপের ৮ দেশে শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘অগ্রহণযোগ্য’: ইউরোপীয় নেতারা ফেসবুকে শীর্ষদের তালিকায় ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে তারেক রহমান

প্রযুক্তি

মঙ্গল গ্রহকে বসবাসযোগ্য করতে অভিনব প্রস্তাব - পোলিশ বিজ্ঞানীর

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ০৯:৩৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

মঙ্গল গ্রহকে বসবাসযোগ্য করতে অভিনব প্রস্তাব - পোলিশ বিজ্ঞানীর

মঙ্গলে মানুষের বসবাস সম্ভব? পোলিশ বিজ্ঞানীর অভিনব পরিকল্পনায় নতুন আলোচনার সূত্রপাত

লাল গ্রহ মঙ্গল নিয়ে মানুষের কৌতূহল ও গবেষণার অন্ত নেই। তবে মঙ্গলের মাটিতে থাকা পারক্লোরেট নামের একটি রাসায়নিক যৌগ সাধারণ জীবনের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সেই সঙ্গে গ্রহটির নিম্ন বায়ুমণ্ডলীয় চাপ মানুষের শরীর থেকে জলীয় অংশ দ্রুত শুকিয়ে ফেলতে পারে, যা প্রাণধারণের পথে বড় বাধা।

এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলকে বসবাসযোগ্য করে তোলার জন্য নানা তত্ত্ব ও গবেষণা উঠে আসছে। অনেক বিজ্ঞানী অ্যান্টার্কটিকার মরুভূমিতে বেড়ে ওঠা মস বা লাইকেন জাতীয় উদ্ভিদ ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন। কারণ, এসব উদ্ভিদ চরম আবহাওয়া সহ্য করতে সক্ষম।

সম্প্রতি, পোলিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের বিজ্ঞানী লেজেক চেকভস্কি মঙ্গলকে প্রাণের উপযোগী করার জন্য এক ব্যতিক্রমী প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলছেন, হিমায়িত গ্রহাণু দিয়ে মঙ্গল গ্রহে আঘাত করা যেতে পারে। তাঁর মতে, এভাবে গ্রহের আবহমণ্ডলে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

চেকভস্কির ব্যাখ্যায়, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল মূলত কার্বন ডাই–অক্সাইড দ্বারা গঠিত, যা মানবজীবনের জন্য উপযুক্ত নয়। তবে হিমায়িত গ্রহাণুর সংঘর্ষে সহায়ক গ্যাস নির্গত হয়ে নতুন বায়ুমণ্ডল সৃষ্টি হতে পারে। এতে মঙ্গলের পরিবেশ ধীরে ধীরে প্রাণধারণের উপযোগী হয়ে উঠতে পারে বলে তিনি মনে করেন।