সোমবার ০২ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ১৮ ১৪৩২, ১৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলার দাবি ইরানের হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা সদর দপ্তরের প্রধান নিহত, দাবি ইসরায়েলের খামেনি হত্যার খবর শুনে ‘মর্মাহত’ বাংলাদেশ প্রধান বিরোধীদল হিসেবে জামায়াত পাচ্ছে ডেপুটি স্পিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫ বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত, আহত ২ ইসরায়েলের বিমান হামলায় লেবাননে ৩১ জন নিহত, আহত ১৪৯ যুদ্ধের মধ্যে জেবেল আলী বন্দরে আটকা বিএসসির জাহাজ ‘জয়যাত্রা’ হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা ‘দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য’ অন্য আদালতে যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসব না: লারিজানি ইরান যুদ্ধ: তেলের দামে উত্থান, পুঁজিবাজারে পতন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তিন দিনে শাহজালালে ৭৪ ফ্লাইট বাতিল ইরান যুদ্ধে ৩ মার্কিন সেনা নিহত, গুরুতর আহত ৫ ইরানের পাল্টা হামলায় আমিরাতে এক বাংলাদেশি নিহত কুয়েতে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত

ইসলাম

বিতির নামাযে সন্দেহ হলে কী করা উচিত?

 প্রকাশিত: ০৭:৪২, ১২ জানুয়ারি ২০২৫

বিতির নামাযে সন্দেহ হলে কী করা উচিত?

প্রশ্ন: হুজুর, বিতির নামাযে আমি প্রায় সময়ই সন্দেহে পড়ে যাই যে, নামায দুই রাকাত হয়েছে, না তিন রাকাত। পরে দুই রাকাত ধরে নিয়েই নামায শেষ করি এবং শেষে সাহু সিজদা করি। সেদিন এ ব্যাপারে একজন আলেমকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে, বিতির নামাযে এরকম সন্দেহে পড়লে দ্বিতীয় রাকাত এবং তৃতীয় রাকাত উভয় রাকাতেই কুনুত পড়তে হবে।

হুজুরের কাছে জানতে চাই, উক্ত আলেম কি ঠিক বলেছেন? বিতির নামাযে এরকম সন্দেহ হলে আমার কী করা উচিত?

উত্তর: জ্বী, উক্ত আলেম ঠিকই বলেছেন। কারো যদি বিতির নামাযে দ্বিতীয় রাকাত না তৃতীয় রাকাত— এ নিয়ে সন্দেহ হয় এবং কোনো এক দিক স্থীর করতে না পারে তাহলে নিয়ম হল, শেষ দুই রাকাতেই সে দুআয়ে কুনূত পড়বে এবং নামায শেষে সাহু সিজদা করবে।

উল্লেখ্য, নামাযে প্রায়শই রাকাত সংখ্যা নিয়ে সন্দেহে পড়া উদাসীনতার লক্ষণ। তাই নামাযে আরো মনোযোগী হওয়া কাম্য।

* >التجنيس والمزيد< ২/৯১ : رجل شك في الوتر وهو في حالة القيام أنه في الثانية أو الثالثة، يتم الركعة ويقنت فيها لجواز أنها الثالثة، ثم يقعد ويقوم فيضيف إليها ركعة أخرى ويقنت فيها أيضا، وهو المختار.

—আলমুহীতুর রাযাবী ১/২৮৩; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৩৪৫; আলবাহরুর রায়েক ২/৪১; শরহুল মুনইয়া, পৃ. ৪২১

আলকাউসার