বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১ ১৪৩২, ২৫ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

৩ স্থানে অবরোধের ডাক দিয়ে সড়ক ছাড়লেন আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে গত ৩ নির্বাচনে গোয়েন্দা সংস্থার অনেকে ছিলেন ‘স্বপ্রণোদিত’: প্রতিবেদন জুলাই জাতীয় সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো: সালাহউদ্দিন আহমদ যুক্তরাষ্ট্র নাক গলালে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হবে, আঞ্চলিক দেশগুলোকে ইরানের হুঁশিয়ারি ‘সাহস থাকলে’ শেখ হাসিনা ও জয় দেশে এসে কথা বলুক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়: প্রধান উপদেষ্টা রংপুরে ‘স্পিরিট পানে’ তিন দিনে ৬ জনের মৃত্যু অভিযানে আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: জানাজা সম্পন্ন, দাফন বৃহস্পতিবার সিলেটের ছয়টি আসনে ৩৯ প্রার্থীর ২২ জনই কোটিপতি থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ১২ ভেনেজুয়েলার তেল কোম্পানি বিক্রির বিরোধিতা, যুক্তরাষ্ট্রে মামলা দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দেবেন ট্রাম্প : আয়োজক কমিটি ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইসলাম

বিতির নামাযে সন্দেহ হলে কী করা উচিত?

 প্রকাশিত: ০৭:৪২, ১২ জানুয়ারি ২০২৫

বিতির নামাযে সন্দেহ হলে কী করা উচিত?

প্রশ্ন: হুজুর, বিতির নামাযে আমি প্রায় সময়ই সন্দেহে পড়ে যাই যে, নামায দুই রাকাত হয়েছে, না তিন রাকাত। পরে দুই রাকাত ধরে নিয়েই নামায শেষ করি এবং শেষে সাহু সিজদা করি। সেদিন এ ব্যাপারে একজন আলেমকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে, বিতির নামাযে এরকম সন্দেহে পড়লে দ্বিতীয় রাকাত এবং তৃতীয় রাকাত উভয় রাকাতেই কুনুত পড়তে হবে।

হুজুরের কাছে জানতে চাই, উক্ত আলেম কি ঠিক বলেছেন? বিতির নামাযে এরকম সন্দেহ হলে আমার কী করা উচিত?

উত্তর: জ্বী, উক্ত আলেম ঠিকই বলেছেন। কারো যদি বিতির নামাযে দ্বিতীয় রাকাত না তৃতীয় রাকাত— এ নিয়ে সন্দেহ হয় এবং কোনো এক দিক স্থীর করতে না পারে তাহলে নিয়ম হল, শেষ দুই রাকাতেই সে দুআয়ে কুনূত পড়বে এবং নামায শেষে সাহু সিজদা করবে।

উল্লেখ্য, নামাযে প্রায়শই রাকাত সংখ্যা নিয়ে সন্দেহে পড়া উদাসীনতার লক্ষণ। তাই নামাযে আরো মনোযোগী হওয়া কাম্য।

* >التجنيس والمزيد< ২/৯১ : رجل شك في الوتر وهو في حالة القيام أنه في الثانية أو الثالثة، يتم الركعة ويقنت فيها لجواز أنها الثالثة، ثم يقعد ويقوم فيضيف إليها ركعة أخرى ويقنت فيها أيضا، وهو المختار.

—আলমুহীতুর রাযাবী ১/২৮৩; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৩৪৫; আলবাহরুর রায়েক ২/৪১; শরহুল মুনইয়া, পৃ. ৪২১

আলকাউসার