বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৯ ১৪৩২, ২৩ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শঙ্কামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে ‘সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’: প্রধান উপদেষ্টা উৎস ও ব্যবহারের খাত বৈধ হলে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি ভোটকেন্দ্রে যারা নাশকতা করতে আসবে, ঝুঁকি তাদেরই: র‍্যাব ডিজি ভোটে টাকা লেনদেনের তথ্য পেলে ‘ব্যবস্থা নেবে’ র‍্যাব কুমিল্লায় ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতার ব্যাগে মিলল ৭৪ লাখ টাকা: পুলিশ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে ইসি অবিচল: সিইসি ভোটে টাকার লেনদেন বন্ধে মোবাইল ব্যাংকিং সীমিত, ভোগান্তি টাকা থাকলেই ধরবে কেন, প্রশ্ন জামায়াতের ‘টাকার ব্যাগ’সহ আটক জামায়াত নেতা অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট ভোটের মাঠে ৯ লাখ ১৯ হাজার ফোর্স, সেনা ১ লাখ কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় গোলাগুলিতে নিহত ১০ ইউরোপের প্রতি কৌশলগত খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান মাখোঁর

ইসলাম

শাওয়ালের ছয় রোযার ভিত্তিহীন ফযীলত

 প্রকাশিত: ২০:০২, ২২ মে ২০২৪

শাওয়ালের ছয় রোযার ভিত্তিহীন ফযীলত

রমযানের পরের মাসই হল শাওয়াল। রমযানে দীর্ঘ এক মাস রোযা রাখার পর কেউ যদি শাওয়ালেও ছয়টি রোযা রাখে, এর দ্বারা সে সারা বছর রোযা রাখার সওয়াব লাভ করবে। এটি অনেক বড় ফযীলত এবং সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। আবু আইয়ূব আনসারী রা. থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمّ أَتْبَعَهُ سِتّا مِنْ شَوّالٍ، كَانَ كَصِيَامِ الدّهْرِ.

যে ব্যক্তি রমযানে রোযা রাখল। এরপর শাওয়ালে ছয়টি রোযা রাখল। সে পুরো বছর রোযা রাখার সওয়াব লাভ করবে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬৪

ছয় রোযার এত বড় ফযীলত নির্ভরযোগ্য হাদীসে বর্ণিত হওয়া সত্ত্বেও কিছু মানুষ নিজে থেকে আরো ফযীলত আবিষ্কার করেছে। ‘বারো চাঁদের ফজিলত’ শিরোনামের একটি বইয়ে ‘শাওয়াল মাসে ছয় রোযা রাখার ফজীলত’ শিরোনামে লেখা হয়েছে-

“যে ব্যক্তি রমজান মাসের পরে শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখবে,... তার আমলনামায় প্রত্যেক রোযার এক হাজার সওয়াব লেখা হবে।

যে ব্যক্তি শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখবে, আল্লাহ তাআলা তার আমলনামায় সমস্ত উম্মতে মুহাম্মাদীর নেকের সওয়াব লিখবেন।

যে ব্যক্তি শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখবে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতে তাকে খুব জাক জমকের শহর দান করবেন। যার মধ্যে লাল ইয়াকুত পাথরের বাড়ি থাকবে এবং প্রত্যেক বাড়ির সামনে দুধ ও মধুর নদী প্রবাহিত থাকবে। ফেরেস্তারা ঐ ব্যক্তিকে ডেকে বলবেন, হে আল্লাহর বান্দা! তোমাকে আল্লাহ তাআলা সুসংবাদ দিতেছেন যে, তিনি তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।”

এসকল বর্ণনার সবই ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব কথা পাওয়া যায় না।

সুতরাং আমরা এ বিষয়ে কেবল সহীহ হাদীসে বর্ণিত কথাই বলব, এসব বানোয়াট কথা বলব না।

মাসিক আলকাউসার