শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬, জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪৩৩

ব্রেকিং

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের আবার হারিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় সামাজিক সুরক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে ১৩% পোশাক খাতসহ দেশি শিল্প ‘সুরক্ষায়’ কর ছাড় ঘাটতি মেটাতে নিট বিদেশি ঋণ দ্বিগুণ করার লক্ষ্য বাজেট ‘ব্যবসায়বান্ধব’, কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি: ডিসিসিআই ব্যাংক হিসাবে ৪ লাখ টাকা হলে আবগারি শুল্ক ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ স্থিতিশীলতায় ফেরার বাজেটে ব্যয় বাড়ল ১৯% ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল মন্ত্রিসভায় বাজেট অনুমোদন কল্যাণ রাষ্ট্রের ভিত্তি দেওয়াই বাজেটের লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিএনপি-জামায়াত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া টানা ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাতে সাগরে নামবেন জেলেরা বান্দরবান সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

স্বাস্থ্য

৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজারের বেশি

 আপডেট: ১৭:৪৫, ৩০ জুন ২০২২

৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজারের বেশি

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  আগের দিনে এই রোগে কেউ মারা যায়নি। এ সময়ে সংক্রমণ বেড়েছে দশমিক ৪৭ শতাংশ। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ খবর জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৪৯ জন। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। বুধবার করোনায় শনাক্তের হার ছিল ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৯০৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১৮৩ জন। আগের দিন ১৪ হাজার ৭১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ২৪১ জন।

দেশে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় মোট শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন। এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৭ হাজার ৫০৯ জন। সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতকাল এই হার ছিল ৯৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এদিকে রাজধানীসহ ঢাকা জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭২৭ জন। শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের দিনে এই হার ছিল ১৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। 

বাংলাদেশে করোনা বেশ কমে গিয়েছিল। গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে একদিনে শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৪ জন। এভাবে রোজ ৫০ এর নিচে থাকতো নতুন রোগীর সংখ্যা। টানা একমাস প্রথম দফায় কোনো মৃত্যু ছিল না কোভিড-১৯ এ। এরপর আবার টানা ২০ দিন ছিল মৃত্যুহীন। 

কিন্তু ১১ সপ্তাহ পর প্রথমে গত ১২ জুন রোজকার রোগী ১০০ ছাড়ায়। এরপর এর ১৫ দিনের মাথায় গতকাল সোমবার তা ২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। টানা চারদিন দুই হাজারের বেশি শনাক্ত পাওয়া গেছে। এবং এখন রোজ ২/৩ জন করে মারা যাওয়ার খবরও আসছে। গত ১১ মার্চের পর শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে সবচেয়ে বেশি। সেদিন ৫ জন মারা গিয়েছিল। 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ করোনা মহামারীর চতুর্থ ঢেউয়ে ঢুকেছে। 

দেশে সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় সরকার মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা ফের জারি করেছে। স্বাস্থ্যবীধি ও সামাজিক দুরত্ব মেনে চলার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করার ক্ষেত্রেও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।