মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৬ ১৪৩৩

ব্রেকিং

একদিনেই ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪ নতুন মুদ্রানীতি মঙ্গলবার করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে করা হল ৪ লাখ টাকা ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ধারা বাতিল সকল আয় ব্যাংকে ট্রান্সফারের শর্তে কোম্পানির করহার কমল দেশ পুনর্গঠনে ‘ঘুরে দাঁড়ানোর’ বিকল্প নেই: সংসদে প্রধানমন্ত্রী করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর, ‘কালো টাকা সাদা করার’ সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ‘উন্নতির’ তথ্য সংসদে দিলেন মন্ত্রী দীপু মনি হাসপাতাল থেকে আবার কারাগারে ৩ মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজের জামিন, মুক্তি মিলছে না এখনই দেশে সন্দেহজনক হামরোগী লাখ ছাড়ালো বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলব, এটাই মানুষ চায়: প্রধানমন্ত্রী নতুন বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ বললেন প্রধানমন্ত্রী বিপৎসীমা অতিক্রমের ১২ ঘণ্টা পর কমছে তিস্তার পানি, কাটেনি বন্যার শঙ্কা বিরোধী দলের এমপিদের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানালেন ফখরুল

আন্তর্জাতিক

করোনায় বিশ্বে হস্তশিল্পের চাহিদা তুঙ্গে

 প্রকাশিত: ১১:২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২১

করোনায় বিশ্বে হস্তশিল্পের চাহিদা তুঙ্গে

কভিড-১৯-এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি আয় কমলেও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বাড়ছে দেশের হস্ত ও কুটির শিল্পের বাজার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহামারিতে মানুষ ঘরমুখী, ফলে ঘর সজ্জার পণ্যের চাহিদা বাড়ছে ইউরোপ ও আমেরিকায়।

তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, সরকার রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করার ওপর জোর দিলেও এই খাতে অনেকটা বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। পাটজাত পণ্যে রপ্তানিতে ২০ শতাংশ প্রণোদান দিলেও হস্তশিল্প রপ্তানিতে দেওয়া হয় মাত্র ১০ শতাংশ। এর ওপর কর কর্তনের পর উদ্যোক্তাদের থাকে মাত্র ৮ শতাংশ। তাই আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ অন্য বাধা দূর করা গেলে এই শিল্পের আগামী দুই বছরের মধ্যে হাজার কোটি টাকার রপ্তানি আয় করা সম্ভব। এ ছাড়া সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ পাটকলের অভ্যন্তরে যদি জমি ও অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয় তবে এটি একটি সুযোগে পরিণত হতে পারে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশের হস্ত ও কুটির শিল্প থেকে চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বরে) আয় হয়েছে এক কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এই আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮.৭০ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই আয় ২৩.৩৬ শতাংশ বেশি। এ সময় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ের আয় ছিল এক কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল দুই কোটি ৫২ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই কোটি ৮০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ হস্ত ও কুটির শিল্প প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিএইচএমইএ) সভাপতি গোলাম আহসান কালের কণ্ঠকে বলেন, কভিডের প্রভাবে স্থানীয় বাজারে হস্ত ও কুটির শিল্পের বাজার কমলেও বিশ্ববাজারে প্রায় ৫০ শতাংশ রপ্তানি আয় বেড়েছে গত কয়েক মাসে। তবে স্থানীয় বাজারে কমেছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। একই সঙ্গে কাঁচামাল, মজুুরি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়েছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল