মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬, আষাঢ় ২ ১৪৩৩

ব্রেকিং

এমন ঘটনা প্রত্যাশা করি না: দিল্লিতে উপদেষ্টা জাহেদকে আটকানো প্রসঙ্গে শামা ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি ধর্ষণের ক্ষেত্রে ছোট-বড় বলে কিছু নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেব: শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ষোলোর কম বয়সীদের ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার নিষিদ্ধ অর্থনীতির পুনর্গঠন অন্যতম অগ্রাধিকার: সংসদে মন্ত্রী বাকলিয়ার শিশু ‘ধর্ষণ’: আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষ, যুক্তিতর্ক মঙ্গলবার আবু সাঈদ হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায় প্রসিকিউশনে, ‘প্রয়োজনে আপিল’ বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দুর্নীতির সব নথি গোছাচ্ছে দুদক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: ভারতীয় দূতকে তলব দিল্লির ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনকও বটে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: খোঁজ নিচ্ছে ঢাকা কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলায় রায় ২৮ জুন নারিতা রুটে বিমান ফিরছে আগামী মাসে ফের বাড়লো সোনা-রুপার দাম ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয়: বেন-গভির

আন্তর্জাতিক

করোনায় বিশ্বে হস্তশিল্পের চাহিদা তুঙ্গে

 প্রকাশিত: ১১:২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২১

করোনায় বিশ্বে হস্তশিল্পের চাহিদা তুঙ্গে

কভিড-১৯-এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি আয় কমলেও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বাড়ছে দেশের হস্ত ও কুটির শিল্পের বাজার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহামারিতে মানুষ ঘরমুখী, ফলে ঘর সজ্জার পণ্যের চাহিদা বাড়ছে ইউরোপ ও আমেরিকায়।

তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, সরকার রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করার ওপর জোর দিলেও এই খাতে অনেকটা বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। পাটজাত পণ্যে রপ্তানিতে ২০ শতাংশ প্রণোদান দিলেও হস্তশিল্প রপ্তানিতে দেওয়া হয় মাত্র ১০ শতাংশ। এর ওপর কর কর্তনের পর উদ্যোক্তাদের থাকে মাত্র ৮ শতাংশ। তাই আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ অন্য বাধা দূর করা গেলে এই শিল্পের আগামী দুই বছরের মধ্যে হাজার কোটি টাকার রপ্তানি আয় করা সম্ভব। এ ছাড়া সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ পাটকলের অভ্যন্তরে যদি জমি ও অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয় তবে এটি একটি সুযোগে পরিণত হতে পারে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশের হস্ত ও কুটির শিল্প থেকে চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বরে) আয় হয়েছে এক কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এই আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮.৭০ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই আয় ২৩.৩৬ শতাংশ বেশি। এ সময় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ের আয় ছিল এক কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল দুই কোটি ৫২ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই কোটি ৮০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ হস্ত ও কুটির শিল্প প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিএইচএমইএ) সভাপতি গোলাম আহসান কালের কণ্ঠকে বলেন, কভিডের প্রভাবে স্থানীয় বাজারে হস্ত ও কুটির শিল্পের বাজার কমলেও বিশ্ববাজারে প্রায় ৫০ শতাংশ রপ্তানি আয় বেড়েছে গত কয়েক মাসে। তবে স্থানীয় বাজারে কমেছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। একই সঙ্গে কাঁচামাল, মজুুরি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়েছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল