মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৯ ১৪৩২, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

পিছু হটলেন ট্রাম্প, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিত ইরানকে সাহায্য করতে সোনা-রূপা নগদ অর্থ দিচ্ছে কাশ্মীরিরা ‘জাল ভোট’ নিয়ে ‘বিএনপি-জামায়াত’ সংঘর্ষে ৪০ বাড়ি ভাঙচুর, মুহুর্মুহু বোমা মার্চের মধ্যে ‘দখলদারদের’ ফুটপাত-সড়ক ছাড়তে বলল পুলিশ তেল সংকটে বগুড়ায় ৭২ পেট্রোল পাম্প বন্ধ, ভোগান্তি চরমে ইরানজুড়ে তীব্র বিস্ফোরণ: আহভাজে হাসপাতালে হামলা, মৃতের সংখ্যা বাড়ছে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ মৃত্যু: ২ গেইটম্যানের বিরুদ্ধে মামলা ‘ব্যাংক বন্ধ থাকায়’ তেল সংকট, বলছেন পাম্প মালিকরা এক দশক পর পাবনায় ‘চরমপন্থিদের’ পোস্টার, আতঙ্ক ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানি হামলার পর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ইরান: মাসুদ পেজেশকিয়ান লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সেতু উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল দক্ষিণ কোরিয়ায় কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪ পিএসএল খেলতে পাকিস্তান গেলেন চার বাংলাদেশি ক্রিকেটার

আন্তর্জাতিক

করোনায় বিশ্বে হস্তশিল্পের চাহিদা তুঙ্গে

 প্রকাশিত: ১১:২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২১

করোনায় বিশ্বে হস্তশিল্পের চাহিদা তুঙ্গে

কভিড-১৯-এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি আয় কমলেও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বাড়ছে দেশের হস্ত ও কুটির শিল্পের বাজার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহামারিতে মানুষ ঘরমুখী, ফলে ঘর সজ্জার পণ্যের চাহিদা বাড়ছে ইউরোপ ও আমেরিকায়।

তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, সরকার রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করার ওপর জোর দিলেও এই খাতে অনেকটা বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। পাটজাত পণ্যে রপ্তানিতে ২০ শতাংশ প্রণোদান দিলেও হস্তশিল্প রপ্তানিতে দেওয়া হয় মাত্র ১০ শতাংশ। এর ওপর কর কর্তনের পর উদ্যোক্তাদের থাকে মাত্র ৮ শতাংশ। তাই আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ অন্য বাধা দূর করা গেলে এই শিল্পের আগামী দুই বছরের মধ্যে হাজার কোটি টাকার রপ্তানি আয় করা সম্ভব। এ ছাড়া সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ পাটকলের অভ্যন্তরে যদি জমি ও অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয় তবে এটি একটি সুযোগে পরিণত হতে পারে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশের হস্ত ও কুটির শিল্প থেকে চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বরে) আয় হয়েছে এক কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এই আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮.৭০ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই আয় ২৩.৩৬ শতাংশ বেশি। এ সময় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ের আয় ছিল এক কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল দুই কোটি ৫২ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই কোটি ৮০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ হস্ত ও কুটির শিল্প প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিএইচএমইএ) সভাপতি গোলাম আহসান কালের কণ্ঠকে বলেন, কভিডের প্রভাবে স্থানীয় বাজারে হস্ত ও কুটির শিল্পের বাজার কমলেও বিশ্ববাজারে প্রায় ৫০ শতাংশ রপ্তানি আয় বেড়েছে গত কয়েক মাসে। তবে স্থানীয় বাজারে কমেছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। একই সঙ্গে কাঁচামাল, মজুুরি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়েছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল