রোববার ২৯ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১৫ ১৪৩২, ১০ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

ময়মনসিংহে অবৈধভাবে মজুদ করা ২৪ হাজার লিটার জ্বালানি জব্দ চব্বিশকে স্বাধীনতার সমান করলে ‘বিপর্যয় হবে’: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জ্বালানি সরবরাহে ডিপোতে নতুন সময়সূচি দিল বিপিসি ঈদের পর প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফেরা কঠিন, ফ্লাইট বিপর্যয়ে দুর্ভোগ শুধু খার্গ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নজর ইরানের আরও সাত দ্বীপে সংসদে শব্দযন্ত্রের বিভ্রাট ‘অন্তর্ঘাত’ কি না, তদন্তে কমিটি এই পোশাকে পুলিশ সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা ইরানিরা চার সপ্তাহ ধরে ‘ডিজিটাল অন্ধকারে’ সরকার বলছে সংকট নেই: পাম্প কোথাও বন্ধ, কোথাও লম্বা লাইন দেশের পেট্রল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত দৌলত‌দিয়ায় বাসডু‌বি: চতুর্থ দি‌নেও উদ্ধার অ‌ভিযান চলছে প্রায় ৪০ দিনের ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে রোববার বেড়েছে সোনার দাম, প্রতিভরি ২৩৭০১২ টাকা সৌদি আরবে বিমানঘাঁটিতে ইরানি হামলায় ১২ মার্কিন সেনা আহত নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি গ্রেপ্তার

জাতীয়

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে পঞ্চগড়, স্থবির জনজীবন

 প্রকাশিত: ১৪:৪০, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে পঞ্চগড়, স্থবির জনজীবন

পঞ্চগড়ে রাতভর কুয়াশা ঝরছে বৃষ্টির মত। এর সঙ্গে কনকনে হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়ছে হিমালয়ের কাছাকাছি এ জেলার মানুষ। তীব্র শীতে স্থবিরতা এসেছে জনজীবনে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্রনাথ রায়।

তিনি জানান, কিছুদিন ধরে এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা একটু বেশি। সূর্যের দেখে মিললেও তেজ নেই তেমন। এর আগে, বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, জেলায় বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত কোনো সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি। কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে আকাশ মেঘলা।

কনকনে শীত আর হিমেল বাতাস সহজেই কাবু করছে এখানকার জনজীবন। দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের। তারা সময়মত কাজে যেতে পারছেন না।

ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে পথঘাটে বিপাকে যানবাহন চালকরাও। তাদেরকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে।

জেলার বোদা উপজেলার বোদা সদর ইউনিয়নের আব্দুল লতিফ বলেন, “আমি অটোরিকশা চালাই। কিন্তু কনকনে ঠান্ডায় যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে। দিনে ঠান্ডা কম হলেও রাতে হাত-পা বাইরে রাখাই মুশকিল হয়ে পড়ে।”

অপরদিকে সাকোয়া ইউনিয়নের কৃষি শ্রমিক মনজু মিয়া জানান, “চারা তৈরির জন্য জমিতে ধান ছিটাচ্ছি। কিন্তু এতো ঠান্ডা যে, কাদা পানিতে পা রাখা যাচ্ছে না। ঠান্ডার কারণে ঠিকমত কাজ করতে পারছি না। শীতের কাপড় কম থাকায় রাতে বউ-বাচ্চাসহ কষ্টে ভুগছি।”

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, জেলায় তাপমাত্রা ওঠা-নামায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা। একইসঙ্গে আকাশে মেঘ থাকায় কুয়াশার পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত তাপমাত্রার পারদ আরও কমে আসছে। সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে রাতে ও সকালে।

আগামীতে ঠান্ডা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তিনি।