শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২২ ১৪৩২, ১৭ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

জাতীয়

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে পঞ্চগড়, স্থবির জনজীবন

 প্রকাশিত: ১৪:৪০, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে পঞ্চগড়, স্থবির জনজীবন

পঞ্চগড়ে রাতভর কুয়াশা ঝরছে বৃষ্টির মত। এর সঙ্গে কনকনে হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়ছে হিমালয়ের কাছাকাছি এ জেলার মানুষ। তীব্র শীতে স্থবিরতা এসেছে জনজীবনে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্রনাথ রায়।

তিনি জানান, কিছুদিন ধরে এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা একটু বেশি। সূর্যের দেখে মিললেও তেজ নেই তেমন। এর আগে, বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, জেলায় বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত কোনো সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি। কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে আকাশ মেঘলা।

কনকনে শীত আর হিমেল বাতাস সহজেই কাবু করছে এখানকার জনজীবন। দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের। তারা সময়মত কাজে যেতে পারছেন না।

ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে পথঘাটে বিপাকে যানবাহন চালকরাও। তাদেরকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে।

জেলার বোদা উপজেলার বোদা সদর ইউনিয়নের আব্দুল লতিফ বলেন, “আমি অটোরিকশা চালাই। কিন্তু কনকনে ঠান্ডায় যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে। দিনে ঠান্ডা কম হলেও রাতে হাত-পা বাইরে রাখাই মুশকিল হয়ে পড়ে।”

অপরদিকে সাকোয়া ইউনিয়নের কৃষি শ্রমিক মনজু মিয়া জানান, “চারা তৈরির জন্য জমিতে ধান ছিটাচ্ছি। কিন্তু এতো ঠান্ডা যে, কাদা পানিতে পা রাখা যাচ্ছে না। ঠান্ডার কারণে ঠিকমত কাজ করতে পারছি না। শীতের কাপড় কম থাকায় রাতে বউ-বাচ্চাসহ কষ্টে ভুগছি।”

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, জেলায় তাপমাত্রা ওঠা-নামায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা। একইসঙ্গে আকাশে মেঘ থাকায় কুয়াশার পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত তাপমাত্রার পারদ আরও কমে আসছে। সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে রাতে ও সকালে।

আগামীতে ঠান্ডা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তিনি।