শুক্রবার ০২ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ১৯ ১৪৩২, ১৩ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ভেনেজুয়েলায় ৮৮ ভিন্নমতাবলম্বীর মুক্তি নববর্ষে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলায় ২০ জন নিহতের ঘটনায় ইউক্রেন দায়ী: রাশিয়া ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সংঘর্ষে নিহত ৬ ৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ বিএনপি আমলে র‌্যাবকে ‘রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি’, দাবি বাবরের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা কমলো আওয়ামী লীগ থেকে এসে যোগ দেন, দায়-দায়িত্ব আমাদের: জামায়াতের লতিফুর রংপুর-১: জাপা প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল এনইআইআর চালু, প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা, ভাঙচুর ২৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান, ভাই ও ছেলেদের বিরুদ্ধে চার মামলা করছে দুদক নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে কোরান ছুঁয়ে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার ই-সিগারেট, ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরে ২৫ ভবন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮

জাতীয়

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত

 প্রকাশিত: ১৮:৫২, ২৯ আগস্ট ২০২৪

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত

‘বৈষম্যমূলক নীতি’ বিবেচনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় প্রণীত আইন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

এর ফলে বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং তাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার সুবিধাটি আর থাকছে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রস্তাবে বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের চতুর্থ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেন, “আমাদের এই সরকারটা হচ্ছে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আউটকাম। নিরাপত্তা সংস্থা এরকম বিশেষ নিরাপত্তার দরকার আছে বলে মনে করে না। আর এটাকে বৈষম্যমূলক মনে করা হয়েছে, সেটার ভিত্তিতে এটা রহিত করা হয়েছে।”

নবম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০০৯ সালে 'জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা বিল-২০০৯' (২০০৯ সালের ৬৩ নম্বর আইন) সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। ওই আইনের আওতায় জাতির পিতার পরিবারের জীবিত সদস্যদের জন্য আজীবন বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এছাড়া এই পরিবারের সদস্যদের প্রত্যেকের জন্য নিরাপদ সুরক্ষিত আবাসনের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয় আইনে। ওই আইন অনুসারে ২০১৫ সালের মে মাসে বিশেষ নিরাপত্তা এবং সুবিধাদি প্রদানের গেজেট জারি করা হয়।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানান হয়েছে, কেবল একটি পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় বিশেষ সুবিধা প্রদানের জন্য আইনটি করা হয়েছিল, যা একটি ‘সুস্পষ্ট বৈষম্য’।

“বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সব বৈষম্য দূরীকরণে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছে।”

এর আগে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার ছাড়ার আগে 'জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বিল-২০০১ সংসদ পাস হয়েছিল। তবে বিএনপি নেতৃত্বে চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে অষ্টম সংসদে সেটি বাতিল করে দেয়।