শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২২ ১৪৩২, ১৭ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক

সম্পর্ক বাড়াতে জাতিসংঘে মধ্য এশিয়ার নেতাদের সাথে বাইডেনের সাক্ষাত

 প্রকাশিত: ১৫:৩৯, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সম্পর্ক বাড়াতে জাতিসংঘে মধ্য এশিয়ার নেতাদের সাথে বাইডেনের সাক্ষাত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার আঞ্চলিক নেতাদের সাথে সাক্ষাতের পর মধ্য এশিয়ার ‘আঞ্চলিক অখ-তার’ উপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি খুব শিগগিরই এ অঞ্চলের কোন একটি দেশ সফর করতে পারেন। মস্কো এসব দেশকে তাদের উঠোন হিসেবে দেখে। খবর এএফপি’র।

বাইডেন তথাকথিত ‘সি-৫’ দেশ কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতাদের বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই প্রথমবারের মতো তারা বৈঠকে মিলিত হওয়ার পর তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় বাইডেন বলেন, ‘আমি শিগগিরই আপনার সাথে সাক্ষাত করার অপেক্ষায় রয়েছি। সম্ভবত আপনাদের কোন এক দেশে এ সাক্ষাত হতে পারে।’

রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের বিষয়ে মস্কোর দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে বাইডেন বলেন, সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখ-তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতি ছিল।’

তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘আমার দৃষ্টিতে এ নীতিগুলো আগের চেয়ে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

বাইডেন আরো বলেন, ‘আমি সত্যিকারভাবে বিশ্বাস করি, যখন আমরা একসাথে থাকি তখন পৃথিবী নিরাপদ থাকে।’

জাতিসংঘ ভাষণের আগে বাইডেন সতর্ক করে বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের ইউক্রেন আগ্রাসন জাতীয় সার্বভৌমত্বের বৈশ্বিক সংস্থার নীতিমালাকে দুর্বল এবং আরো ভূখ- দখলকে উৎসাহিত করতে পারে।

পুতিন জাতিসংঘের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাননি।

ইউক্রেন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে এমন সময়ে মধ্য এশিয়ায় বৃহত্তর ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করেছে যখন এ অঞ্চলের অনেক দেশ রাশিয়ার সাথে তাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।