শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৮ ১৪৩২, ০৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

উত্তর কোরিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন কিম জং উন এআই নিয়ে যৌথ অবস্থান ঘোষণা করবেন বিশ্বনেতারা ভেনেজুয়েলা পার্লামেন্টে সর্বসম্মতভাবে সাধারণ ক্ষমা আইন পাস তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকারি দল সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ বিদ্রোহের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের যাবজ্জীবন সচিবালয়েই অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু: তথ্যমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই স্বাভাবিক হবে: সহকারী হাই কমিশনার আইজিপি বাহারুল স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন, আলোচনায় পুনরায় ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ মিত্রদের সঙ্গে এআইয়ের ‘নিয়মের কাঠামো’ গড়তে বদ্ধপরিকর মাখোঁ ভারতে এআই সম্মেলনে ভাষণ বাতিল করলেন বিল গেটস শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানে নতুন কোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সতর্কতা জানালেন ল্যাভরভ

বিনোদন

ঢাবিতে ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়াই ‘বই উৎসব’

 প্রকাশিত: ১৮:৫২, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২

ঢাবিতে ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়াই ‘বই উৎসব’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য স্টল আর ক্রেতা, বিক্রেতা নিয়ে আয়োজন হয় উৎসব বা মেলা। সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে ভিন্নধর্মী এক বই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। যেখানে নেই কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতা।

এই উৎসবে যে কেউ চাইলে এক বা একাধিক বই স্বেচ্ছায় দিয়ে যাচ্ছে। সেই বইয়ে নিজের নাম পরিচয় লিখে দিয়ে যাচ্ছে বই। আর উৎসবে আগন্তুক সকলকে এক কাপ চা দিয়ে আপ্যায়ন করছে হল আয়োজকরা। তাই এ উৎসবের নাম দিয়েছে ‘এক কাপ চা, একটি বই এবং এক প্রজন্ম ভালবাসা’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ. এফ. রহমান হল ছাত্রলীগ এবং হল সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে বই উৎসব- ২০২২ নামে এই উৎসব আয়োজন করে। আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাবির স্যার এএফ রহমান হলে সারাদিনব্যপী এ উৎসব চলছে।

 সাধ্যমতো একাধিক বই স্বেচ্ছায় দিয়ে যাচ্ছে। বইয়ে দাতাগণ তাদের নাম, বিভাগ ও সেশনসহ ব্যক্তিগত পরিচয় লিখে বইগুলোর পরবর্তী পাঠকের উদ্দেশে একটি করে মেসেজ লিখে যাচ্ছে। আর উৎসবে যেই যাচ্ছে তাকে আপ্যায়নস্বরুপ চা খাওয়ানো হচ্ছে। আর এখানে একদল শিল্পী লোকগান গেয়ে এই বই উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলছেন।

 তিনি আরো বলেন, আমরা চাই এই আয়োজন শুধু ২০২২ সালেই সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে যারা নেতৃত্বে আসবে তারাও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হলগুলোর প্রতিও আমার আহ্বান থাকবে যে, তারাও যেন এ ধরনের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, উক্ত উৎসবে প্রদানকৃত বইগুলো স্যার এফ রহমান হল সাহিত্য সংসদের লাইব্রেরিতে সংরক্ষণ করা হবে এবং হলের যে কোনো শিক্ষার্থী সেগুলো পড়তে পারবেন।