রোববার ১৫ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ৩০ ১৪৩২, ২৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান হামাসের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মির্জা আব্বাস, ‘সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো’ জামিনে কারামুক্ত আনিস আলমগীর আরও ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক পদে বিএনপি নেতারা রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হবে ৫০ ঘণ্টা শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা, তাহের উপনেতা দেশে ফিরেছেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি ইরান ‘সম্পূর্ণ পরাজিত’, তারা চুক্তি করতে চায়: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প সারের দাম বাড়ায় ভেনেজুয়েলা থেকে আমদানির অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের ঈদযাত্রা: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১৫ স্থানে যানজটের শঙ্কা রাজশাহীতে সংসদ সদস্যের সঙ্গে হত্যা মামলার আসামির সেলফি আবারও কমল সোনা-রুপার দাম বাহরাইনে যুদ্ধাতঙ্ক: অনিশ্চয়তার মুখে বাংলাদেশি কর্মীরা ইরানি হামলায় ‘সৌদি আরবে ৫টি মার্কিন সামরিক বিমান’ ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের খারক দ্বীপে বোমা ফেলল যুক্তরাষ্ট্র, তেল স্থাপনায় হামলার হুমকি

বিনোদন

ঢাবিতে ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়াই ‘বই উৎসব’

 প্রকাশিত: ১৮:৫২, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২

ঢাবিতে ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়াই ‘বই উৎসব’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য স্টল আর ক্রেতা, বিক্রেতা নিয়ে আয়োজন হয় উৎসব বা মেলা। সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে ভিন্নধর্মী এক বই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। যেখানে নেই কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতা।

এই উৎসবে যে কেউ চাইলে এক বা একাধিক বই স্বেচ্ছায় দিয়ে যাচ্ছে। সেই বইয়ে নিজের নাম পরিচয় লিখে দিয়ে যাচ্ছে বই। আর উৎসবে আগন্তুক সকলকে এক কাপ চা দিয়ে আপ্যায়ন করছে হল আয়োজকরা। তাই এ উৎসবের নাম দিয়েছে ‘এক কাপ চা, একটি বই এবং এক প্রজন্ম ভালবাসা’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ. এফ. রহমান হল ছাত্রলীগ এবং হল সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে বই উৎসব- ২০২২ নামে এই উৎসব আয়োজন করে। আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাবির স্যার এএফ রহমান হলে সারাদিনব্যপী এ উৎসব চলছে।

 সাধ্যমতো একাধিক বই স্বেচ্ছায় দিয়ে যাচ্ছে। বইয়ে দাতাগণ তাদের নাম, বিভাগ ও সেশনসহ ব্যক্তিগত পরিচয় লিখে বইগুলোর পরবর্তী পাঠকের উদ্দেশে একটি করে মেসেজ লিখে যাচ্ছে। আর উৎসবে যেই যাচ্ছে তাকে আপ্যায়নস্বরুপ চা খাওয়ানো হচ্ছে। আর এখানে একদল শিল্পী লোকগান গেয়ে এই বই উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলছেন।

 তিনি আরো বলেন, আমরা চাই এই আয়োজন শুধু ২০২২ সালেই সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে যারা নেতৃত্বে আসবে তারাও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হলগুলোর প্রতিও আমার আহ্বান থাকবে যে, তারাও যেন এ ধরনের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, উক্ত উৎসবে প্রদানকৃত বইগুলো স্যার এফ রহমান হল সাহিত্য সংসদের লাইব্রেরিতে সংরক্ষণ করা হবে এবং হলের যে কোনো শিক্ষার্থী সেগুলো পড়তে পারবেন।