সোমবার ০২ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ১৮ ১৪৩২, ১৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলার দাবি ইরানের হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা সদর দপ্তরের প্রধান নিহত, দাবি ইসরায়েলের খামেনি হত্যার খবর শুনে ‘মর্মাহত’ বাংলাদেশ প্রধান বিরোধীদল হিসেবে জামায়াত পাচ্ছে ডেপুটি স্পিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫ বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত, আহত ২ ইসরায়েলের বিমান হামলায় লেবাননে ৩১ জন নিহত, আহত ১৪৯ যুদ্ধের মধ্যে জেবেল আলী বন্দরে আটকা বিএসসির জাহাজ ‘জয়যাত্রা’ হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা ‘দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য’ অন্য আদালতে যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসব না: লারিজানি ইরান যুদ্ধ: তেলের দামে উত্থান, পুঁজিবাজারে পতন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তিন দিনে শাহজালালে ৭৪ ফ্লাইট বাতিল ইরান যুদ্ধে ৩ মার্কিন সেনা নিহত, গুরুতর আহত ৫ ইরানের পাল্টা হামলায় আমিরাতে এক বাংলাদেশি নিহত কুয়েতে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত

বিনোদন

ঢাবিতে ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়াই ‘বই উৎসব’

 প্রকাশিত: ১৮:৫২, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২

ঢাবিতে ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়াই ‘বই উৎসব’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য স্টল আর ক্রেতা, বিক্রেতা নিয়ে আয়োজন হয় উৎসব বা মেলা। সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে ভিন্নধর্মী এক বই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। যেখানে নেই কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতা।

এই উৎসবে যে কেউ চাইলে এক বা একাধিক বই স্বেচ্ছায় দিয়ে যাচ্ছে। সেই বইয়ে নিজের নাম পরিচয় লিখে দিয়ে যাচ্ছে বই। আর উৎসবে আগন্তুক সকলকে এক কাপ চা দিয়ে আপ্যায়ন করছে হল আয়োজকরা। তাই এ উৎসবের নাম দিয়েছে ‘এক কাপ চা, একটি বই এবং এক প্রজন্ম ভালবাসা’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ. এফ. রহমান হল ছাত্রলীগ এবং হল সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে বই উৎসব- ২০২২ নামে এই উৎসব আয়োজন করে। আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাবির স্যার এএফ রহমান হলে সারাদিনব্যপী এ উৎসব চলছে।

 সাধ্যমতো একাধিক বই স্বেচ্ছায় দিয়ে যাচ্ছে। বইয়ে দাতাগণ তাদের নাম, বিভাগ ও সেশনসহ ব্যক্তিগত পরিচয় লিখে বইগুলোর পরবর্তী পাঠকের উদ্দেশে একটি করে মেসেজ লিখে যাচ্ছে। আর উৎসবে যেই যাচ্ছে তাকে আপ্যায়নস্বরুপ চা খাওয়ানো হচ্ছে। আর এখানে একদল শিল্পী লোকগান গেয়ে এই বই উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলছেন।

 তিনি আরো বলেন, আমরা চাই এই আয়োজন শুধু ২০২২ সালেই সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে যারা নেতৃত্বে আসবে তারাও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হলগুলোর প্রতিও আমার আহ্বান থাকবে যে, তারাও যেন এ ধরনের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, উক্ত উৎসবে প্রদানকৃত বইগুলো স্যার এফ রহমান হল সাহিত্য সংসদের লাইব্রেরিতে সংরক্ষণ করা হবে এবং হলের যে কোনো শিক্ষার্থী সেগুলো পড়তে পারবেন।