মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৪ ১৪৩২, ০৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ভোট সুষ্ঠু করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার যুবকরা ন্যায় ইনসাফের দেশ চায় : ডা. শফিকুর রহমান শুধু ভোট দিলেই চলবে না, ভোটের হিসাব বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তীব্র শীতকালীন ঝড় ভোটের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি ডাকসু থেকে সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগ সালমান এফ রহমান ও আবেদপুত্র সোহান ৪ দিনের রিমান্ডে জুলাই হত্যার দুই মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পরোয়ানা চানখাঁরপুলে ৬ হত্যা: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ব্যাংক থেকে কর্পোরেট ঋণ কমানো হবে: গভর্নর ৩ দিনের সফরে খুলনা-ময়মনসিংহ বিভাগে যাচ্ছেন জামায়াত আমির দুই সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিলেন গৃহবধূ উত্তরের মানুষ মৈত্রী হাসপাতালে পাবেন উন্নত চিকিৎসা: ইউনূস লক্ষ্মীপুরে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, হাসপাতালে ভর্তি ৬ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ফিলিপাইনে ফেরি ডুবে নিহত ১৫, নিখোঁজ ২৮ মেক্সিকোর ফুটবল মাঠে ১১ জনকে হত্যা করেছে সশস্ত্র হামলাকারীরা

ইসলাম

রোজা অবস্থায় অতিরিক্ত পিপাসায় পানি পান করে ফেললে...

 আপডেট: ১৪:৩৩, ১১ মার্চ ২০২৫

রোজা অবস্থায় অতিরিক্ত পিপাসায় পানি পান করে ফেললে...

প্রশ্ন
গত রমযানের ১০ তারিখে আমি পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জমি থেকে ধান কেটে আনি। সেদিন অনেক গরম পড়েছিল। ফলে দুপুর ২টার দিকে আমি প্রচণ্ড পিপাসায় কাতর হয়ে পড়ি। আমার পক্ষে আর স্থির থাকা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে আমি পানি পান করে ফেলি।

মুহতারামের নিকট আমার জানার বিষয় হল, আমাকে কি এখন সে রোযার কাযা করলে চলবে, নাকি এর কাফফারাও আদায় করতে হবে?

উত্তর
প্রশ্নোক্ত বর্ণনা মতে বাস্তবেই যদি আপনি পিপাসায় এত বেশি কাতর হয়ে পড়েছিলেন যে, তখন নিজেকে ধরে রাখা বেশ কঠিন হয়ে উঠেছিল, তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে রোযাটির শুধু কাযা আদায় করলেই হবে। কাফফারা আদায় করা জরুরি নয়।

উল্লেখ্য, খুব বেশি ওজর না হলে রমযানে রোযা অবস্থায় এত কঠিন কাজ করা ঠিক নয়, যার দরুন রোযাদার ব্যক্তি অধিক ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

* >المجتبى شرح مختصر القدوري< ২/২৮৩ : أتعب نفسه في عمل حتى أجهده العطش فأفطر، لزمته الكفارة، وقيل لا، وبه أفتى البقالي.

–বাদায়েউস সানায়ে ২/২৫২; তাবয়ীনুল হাকায়েক ২/১৮৯; শরহু মানযুমাতি ইবনে ওহবান   ১/৯৯; আলবাহরুর রায়েক ২/২৮২; রদ্দুল মুহতার ২/৪২০