রোববার ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২১ ১৪৩২, ১৫ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

বিমানের ঢাকা-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট স্থগিত দাম বাড়ল এলপিজির প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: সকালে নয়, পরীক্ষা হবে শুক্রবার বিকালে ভারতে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ, ভেন্যু সরাতে বলবে বিসিবি আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা এত মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য আমাদের পরিবার ভুলবে না: তারেক রহমান কাওরানবাজারে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ব্যবসায়ীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মামলার জট কমাতে সহযোগিতা চাইলেন নতুন প্রধান বিচারপতি শরীয়তপুরে খোকন দাস হত্যায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার ২০২৫ সালে সড়কে ঝরেছে ৯১১১ প্রাণ ভেনেজুয়েলায় ডেলসি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, হাইকোর্টের নির্দেশ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে নেই জাকের, আছেন সোহান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার হবে, আশা জয়শঙ্করের সংসদ নির্বাচন: সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ২৫ থেকে ৮৪ লাখ টাকা, না মানলে ৭ বছর জেল বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধে তথ্য উপদেষ্টাকে অনুরোধ আসিফ নজরুলের

প্রযুক্তি

এআই কি মানবজাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে?

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৪:৫৮, ৯ এপ্রিল ২০২৫

এআই কি মানবজাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে?

অবিলম্বে বৈশ্বিক তদারকি না হলে এআই হয়ে উঠতে পারে মানবজাতির জন্য হুমকি – ডিপমাইন্ড সিইও

ধীরে ধীরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এই প্রযুক্তি এখন মানুষের মতো চিন্তা করার মতো সক্ষমতা অর্জনের পথে রয়েছে বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই প্রযুক্তির অগ্রগতি মানবজাতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে কি না।

মানবসদৃশ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (এজিআই)। গুগল ডিপমাইন্ডের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের আগেই এমন ধরনের এআই তৈরি হতে পারে, যার বুদ্ধিমত্তা মানুষের সমান হবে। গবেষণায় বলা হয়, এজিআই প্রযুক্তি যেমন অগাধ সম্ভাবনা নিয়ে আসবে, তেমনি এর ভুল ব্যবহারে মানবজাতির অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

গবেষণাটিতে এজিআইয়ের ঝুঁকিকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে—অপব্যবহার, ভুল প্রয়োগ, ভুল সিদ্ধান্ত এবং কাঠামোগত দুর্বলতা। যদিও সম্ভাব্য বিপদের দিকগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ঠিক কীভাবে এজিআই মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

এআই নিয়ে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদারকি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে। ডিপমাইন্ডের প্রধান নির্বাহী ডেমিস হাসাবিস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের আদলে একটি বৈশ্বিক সংস্থা গঠন করে এআই প্রযুক্তির বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও ডেমিস হাসাবিস তাঁর শঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন এবং বলেন, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই এজিআই বাস্তব রূপ নিতে পারে।