মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৯ ১৪৩২, ২৪ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

আইসিসির চিঠি: মুস্তাফিজ থাকলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়বে, দাবি আসিফ নজরুলের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, আলোচনার জন্যও: ট্রাম্পকে ইরান ইসিতে তৃতীয় দিনে ৪১ জনের আপিল মঞ্জুর মুছাব্বির হত্যা: ‘শুটার’ জিনাতের ‘দোষ স্বীকার’, রিমান্ডে ৩ জন ‘অনৈতিক প্রস্তাবে’ রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর স্কুলছাত্রীকে হত্যা: র‌্যাব মানিকগঞ্জ হাসপাতালে নারীকে ‘ধর্ষণ’, ২ আনসার সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই, এটি সরকারের ব্যর্থতা: মির্জা ফখরুল ৫০ বছর পর চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছে নাসা, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভাইরাল পোস্টে নিজেকে ‘ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা: সন্দেহভাজন মিলন র‌্যাবের হাতে ধরা চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের ফজলুলের প্রার্থিতা ফিরল না আপিলেও হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল থেকে ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৫০০ ছাড়িয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে শক্ত বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

প্রযুক্তি

এআই কি মানবজাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে?

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৪:৫৮, ৯ এপ্রিল ২০২৫

এআই কি মানবজাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে?

অবিলম্বে বৈশ্বিক তদারকি না হলে এআই হয়ে উঠতে পারে মানবজাতির জন্য হুমকি – ডিপমাইন্ড সিইও

ধীরে ধীরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এই প্রযুক্তি এখন মানুষের মতো চিন্তা করার মতো সক্ষমতা অর্জনের পথে রয়েছে বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই প্রযুক্তির অগ্রগতি মানবজাতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে কি না।

মানবসদৃশ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (এজিআই)। গুগল ডিপমাইন্ডের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের আগেই এমন ধরনের এআই তৈরি হতে পারে, যার বুদ্ধিমত্তা মানুষের সমান হবে। গবেষণায় বলা হয়, এজিআই প্রযুক্তি যেমন অগাধ সম্ভাবনা নিয়ে আসবে, তেমনি এর ভুল ব্যবহারে মানবজাতির অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

গবেষণাটিতে এজিআইয়ের ঝুঁকিকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে—অপব্যবহার, ভুল প্রয়োগ, ভুল সিদ্ধান্ত এবং কাঠামোগত দুর্বলতা। যদিও সম্ভাব্য বিপদের দিকগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ঠিক কীভাবে এজিআই মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

এআই নিয়ে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদারকি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে। ডিপমাইন্ডের প্রধান নির্বাহী ডেমিস হাসাবিস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের আদলে একটি বৈশ্বিক সংস্থা গঠন করে এআই প্রযুক্তির বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও ডেমিস হাসাবিস তাঁর শঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন এবং বলেন, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই এজিআই বাস্তব রূপ নিতে পারে।