মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৪ ১৪৩২, ০৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জামায়াতের দুই মন্ত্রী তখন কেন পদত্যাগ করেনি, প্রশ্ন তারেক রহমানের মির্জা আব্বাসের ‘বহিষ্কার চান’ পাটওয়ারী মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে টেকনাফে ২ কিশোর আহত স্কুলে শিশু নির্যাতন: পবিত্র কুমার ৪ দিনের রিমান্ডে নির্বাচন: তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল আবু সাঈদ হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শেষ, রায় যে কোনো দিন নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা নির্বাচন অস্থিতিশীল করার কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারের ভোটের পথ খুলল মুস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া ‘চরম অপমান’: জামায়াত আমির রাষ্ট্রপতি ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’: সেই জামায়াত নেতা বহিষ্কার একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারিই, কমবে স্টল ভাড়া প্রবাসীদের সাড়ে ২১ হাজার ব্যালট দেশে পৌঁছেছে তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যু ২০

প্রযুক্তি

বাংলাদেশে স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

 প্রকাশিত: ২০:২০, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশে স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস স্টারলিংকের এনজিএসও সেবাদানের লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২৫ মার্চ এনএসজিও লাইসেন্সিং গাইডলাইন জারি করে, যার আওতায় স্টারলিংক আবেদন করে এবং ২১ এপ্রিল কমিশন সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্টারলিংক বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবায় নতুন সংযোজন, শ্রীলঙ্কার পর দক্ষিণ এশিয়ায় এটি দ্বিতীয় দেশ। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের প্রতিবাদে স্টারলিংক নিয়ে আসার দাবি উঠেছিল। প্রধান উপদেষ্টা ইলন মাস্ককে সরাসরি ফোন করে ৯০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করার অনুরোধ করেন। বিডা, বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করেছে।

স্টারলিংকের সেবার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত হবে, যেখানে লোডশেডিং হলেও সংযোগ বিঘ্নিত হবে না। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এখনও ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছেনি; স্টারলিংক বিশেষ করে দুর্গম, উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেবে। বর্তমানে দেশের অন্তত ৬৫% টেলিকম টাওয়ার ফাইবারের বাইরে এবং দুর্বল মাইক্রোওয়েভ সংযোগের ওপর নির্ভরশীল।

ফয়েজ তৈয়্যব আরও বলেন, স্টারলিংকের সার্ভিসের ফলে কমিউনিকেশন ইন্ডাস্ট্রিতে ডিরেগুলেশনের সূচনা হবে, প্রতিযোগিতা বাড়বে, শহর কিংবা গ্রামভেদে নিরবচ্ছিন্ন এবং মানসম্পন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রাপ্তির নিশ্চয়তা তৈরি হবে।