রোববার ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২১ ১৪৩২, ১৫ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা এত মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য আমাদের পরিবার ভুলবে না: তারেক রহমান কাওরানবাজারে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ব্যবসায়ীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মামলার জট কমাতে সহযোগিতা চাইলেন নতুন প্রধান বিচারপতি শরীয়তপুরে খোকন দাস হত্যায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার ২০২৫ সালে সড়কে ঝরেছে ৯১১১ প্রাণ যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ভেনেজুয়েলার মিত্র দেশগুলোর নিন্দা ভেনেজুয়েলায় ডেলসি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, হাইকোর্টের নির্দেশ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে নেই জাকের, আছেন সোহান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার হবে, আশা জয়শঙ্করের সংসদ নির্বাচন: সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ২৫ থেকে ৮৪ লাখ টাকা, না মানলে ৭ বছর জেল বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধে তথ্য উপদেষ্টাকে অনুরোধ আসিফ নজরুলের মাদুরোর অবস্থান খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে সিআইএ চর যুক্তরাষ্ট্রে মাদুরোকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: মার্কো রুবিও

প্রযুক্তি

বাংলাদেশে স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

 প্রকাশিত: ২০:২০, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশে স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস স্টারলিংকের এনজিএসও সেবাদানের লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২৫ মার্চ এনএসজিও লাইসেন্সিং গাইডলাইন জারি করে, যার আওতায় স্টারলিংক আবেদন করে এবং ২১ এপ্রিল কমিশন সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্টারলিংক বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবায় নতুন সংযোজন, শ্রীলঙ্কার পর দক্ষিণ এশিয়ায় এটি দ্বিতীয় দেশ। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের প্রতিবাদে স্টারলিংক নিয়ে আসার দাবি উঠেছিল। প্রধান উপদেষ্টা ইলন মাস্ককে সরাসরি ফোন করে ৯০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করার অনুরোধ করেন। বিডা, বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করেছে।

স্টারলিংকের সেবার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত হবে, যেখানে লোডশেডিং হলেও সংযোগ বিঘ্নিত হবে না। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এখনও ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছেনি; স্টারলিংক বিশেষ করে দুর্গম, উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেবে। বর্তমানে দেশের অন্তত ৬৫% টেলিকম টাওয়ার ফাইবারের বাইরে এবং দুর্বল মাইক্রোওয়েভ সংযোগের ওপর নির্ভরশীল।

ফয়েজ তৈয়্যব আরও বলেন, স্টারলিংকের সার্ভিসের ফলে কমিউনিকেশন ইন্ডাস্ট্রিতে ডিরেগুলেশনের সূচনা হবে, প্রতিযোগিতা বাড়বে, শহর কিংবা গ্রামভেদে নিরবচ্ছিন্ন এবং মানসম্পন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রাপ্তির নিশ্চয়তা তৈরি হবে।