বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

৩ স্থানে অবরোধের ডাক দিয়ে সড়ক ছাড়লেন আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে গত ৩ নির্বাচনে গোয়েন্দা সংস্থার অনেকে ছিলেন ‘স্বপ্রণোদিত’: প্রতিবেদন জুলাই জাতীয় সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো: সালাহউদ্দিন আহমদ যুক্তরাষ্ট্র নাক গলালে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হবে, আঞ্চলিক দেশগুলোকে ইরানের হুঁশিয়ারি ‘সাহস থাকলে’ শেখ হাসিনা ও জয় দেশে এসে কথা বলুক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়: প্রধান উপদেষ্টা রংপুরে ‘স্পিরিট পানে’ তিন দিনে ৬ জনের মৃত্যু অভিযানে আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: জানাজা সম্পন্ন, দাফন বৃহস্পতিবার সিলেটের ছয়টি আসনে ৩৯ প্রার্থীর ২২ জনই কোটিপতি থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ১২ ভেনেজুয়েলার তেল কোম্পানি বিক্রির বিরোধিতা, যুক্তরাষ্ট্রে মামলা দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দেবেন ট্রাম্প : আয়োজক কমিটি ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

প্রযুক্তি

বাংলাদেশে স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

 প্রকাশিত: ২০:২০, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশে স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস স্টারলিংকের এনজিএসও সেবাদানের লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২৫ মার্চ এনএসজিও লাইসেন্সিং গাইডলাইন জারি করে, যার আওতায় স্টারলিংক আবেদন করে এবং ২১ এপ্রিল কমিশন সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্টারলিংক বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবায় নতুন সংযোজন, শ্রীলঙ্কার পর দক্ষিণ এশিয়ায় এটি দ্বিতীয় দেশ। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের প্রতিবাদে স্টারলিংক নিয়ে আসার দাবি উঠেছিল। প্রধান উপদেষ্টা ইলন মাস্ককে সরাসরি ফোন করে ৯০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করার অনুরোধ করেন। বিডা, বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করেছে।

স্টারলিংকের সেবার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত হবে, যেখানে লোডশেডিং হলেও সংযোগ বিঘ্নিত হবে না। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এখনও ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছেনি; স্টারলিংক বিশেষ করে দুর্গম, উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেবে। বর্তমানে দেশের অন্তত ৬৫% টেলিকম টাওয়ার ফাইবারের বাইরে এবং দুর্বল মাইক্রোওয়েভ সংযোগের ওপর নির্ভরশীল।

ফয়েজ তৈয়্যব আরও বলেন, স্টারলিংকের সার্ভিসের ফলে কমিউনিকেশন ইন্ডাস্ট্রিতে ডিরেগুলেশনের সূচনা হবে, প্রতিযোগিতা বাড়বে, শহর কিংবা গ্রামভেদে নিরবচ্ছিন্ন এবং মানসম্পন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রাপ্তির নিশ্চয়তা তৈরি হবে।