শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হরমুজ প্রণালি ছেড়ে আসা ১২ জাহাজ চট্টগ্রামে সীমিতভাবে মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট চালু ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে পদযাত্রা, চানখারপুলে দুজন আটক ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রী হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রী, নেই অর্ধেক চিকিৎসক মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২৬৮ ফ্লাইট ইরানে স্থল অভিযানে নামার আভাস কুর্দি সংগঠনের যুদ্ধ গড়াল দ্বিতীয় সপ্তাহে, ট্রাম্প চান ইরানের `নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ` ইরানে ভয়াবহ বিমান হামলা: নিহত ১৩০০ ছাড়ানোর আশঙ্কা রাতভর ৮০ যুদ্ধবিমান থেকে ইরানে গোলাবর্ষণ এবার তেহরানে প্রাইমারি স্কুলে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রাতে ইরানে ‘সবচেয়ে বেশি বোমাবর্ষণ’ হবে, মার্কিন অর্থমন্ত্রীর পূর্বাভাস

অর্থনীতি

চাল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলল ভারত

 প্রকাশিত: ১৬:১৪, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চাল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলল ভারত

সিদ্ধ চালের মজুদ ঠিক রাখতে বছর খানেক আগে রপ্তানিতে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত তা শুক্রবার তুলে নেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে রপ্তানি শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে অর্ধেক।

গত বছর দেশটিতে গড়ের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধান উৎপাদন কমে যায়। অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের সরবরাহ ও দাম ঠিক রাখতে ওই বছরের জুলাইয়ে চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

চাল রপ্তানিকারক রাইস ভিলার প্রধান নির্বাহী সুরজ আগরওয়াল বলেন, অ-বাসমতী সাদা চাল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত কৃষি খাতের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’।

"এই কৌশলগত পদক্ষেপ কেবল রপ্তানিকারকদের আয় বাড়াবে না, কৃষকদেরও ক্ষমতায়ন করবে। খরিফ শস্য (বর্ষাকালীন) বাজারে আসছে; এই সিদ্ধান্তের বদৌলতে কৃষকেরা ভালো দাম পাবেন।”

চাল রপ্তানির বিষয়টি দেখভালের জন্য গত জুলাইয়ে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে রাইস ফেডারেশন কনসালটিং কমিটি গঠন করা হয়।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরেই বাসমতি চালের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয় ভারত সরকার। তাতে করে ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অগাস্টে মূল্যস্ফীতি ৩.৬৫ শতাংশে পৌঁছানোর পর রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেছিলেন, খাদ্যপণ্যের ওপর নিবিড় নজরদারি না করা হলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে।