বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৮ ১৪৩২, ০২ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে দুর্যোগ, তবে প্রাণহানি কম দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ২৩ বছরের কারাদণ্ড ‘ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা’: জয় ও পলকের বিচার শুরুর আদেশ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির আসামি আবুল কালাম আযাদ কর্মী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে দায় প্রার্থীদের এক দিনেই ৭ নির্বাচনি সমাবেশে আসছেন তারেক বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামানের প্রার্থিতা প্রত্যাহার ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিতে চিঠি পিসিবির ২২ বছর পর তারেকের সিলেট সফর ঘিরে উচ্ছ্বাস, সেজেছে নগরী সংসদ নির্বাচন: প্রচারে নামার আগে মার্কা নিচ্ছেন প্রার্থীরা ‘ছোট’ প্রযুক্তিগত সমস্যা: ট্রাম্পের দাভোসগামী বিমান ফিরে গেল মার্কিন ঘাঁটিতে টবি ক্যাডম্যান আর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের সঙ্গে নেই

আন্তর্জাতিক

‘অনিরাপদ বোধ’ করলে আমেরিকানদের দেশে ফেরা উচিত: দূতাবাস

 প্রকাশিত: ১৫:০৬, ৩ আগস্ট ২০২৪

‘অনিরাপদ বোধ’ করলে আমেরিকানদের দেশে ফেরা উচিত: দূতাবাস

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দেওয়া নিরাপত্তা সতর্কতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বলেছে, তাদের নাগরিকরা বাংলাদেশে ‘অনিরাপদ বোধ’ করলে দেশে ফিরতে পারেন।

শনিবার দূতাবাসের নিরাপত্তা সতর্কতায় বলা হয়েছে, বিক্ষোভ ও সরকারের প্রতিক্রিয়ায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের চোখ-কান খোলা রাখা এবং বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকা উচিত। একইসঙ্গে যেকোনো বড় জটলার আশেপাশে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

“অনিরাপদ বোধ করলে আমেরিকান নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার বিষয় বিবেচনা করা উচিত। বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ভ্রমণ করবেন না’ মর্মে চার মাত্রার ভ্রমণ সতর্কতার অধীনে রয়েছে।”

পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে ওই সতর্কতায় বলা হয়, ঢাকার গুলশান-২ এলাকার বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে শনিবার বিকার ৩টায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি হওয়ার খবর রয়েছে।

“প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, পদযাত্রা এবং সমাবেশ অব্যাহত রাখার আহ্বান রয়েছে এবং সেগুলো দ্রুত সংঘাতে পরিণত হতে পারে। ৪ অগাস্ট রোববার থেকে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ আন্দোলন শুরু হওয়ার বিষয়ে আমরা অবগত। আগামী দিনগুলোতে আরও বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে।”

এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার মধ্যে ২১ জুলাই ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করে ‘জরুরি নয়’- এমন কর্মীদের বাংলাদেশ ছাড়ার অনুমতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

ওই সময় এক ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মীদের মধ্যে যাদের উপস্থিতি জরুরি নয়, তারা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা চাইলে দেশে ফিরতে পারেন, সে অনুমতি তাদের দেওয়া হয়েছে।

“বাংলাদেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কনস্যুলার ও অন্যান্য সেবা দেওয়ার জন্য দূতাবাস খোলা রয়েছে।”

এরপর ওই ভ্রমণ সতর্কতার সূত্র ধরে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘিরে দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যম পেইজগুলোতে আপডেট দেওয়া হয়। এবারের আপডেটে নাগরিকদের দেশে ফেরার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।