ব্রেকিং:
লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবি, ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা ১৮ বছর পর ইরাকে ‘যুদ্ধ সমাপ্তির’ ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাজধানীতে আটক-জরিমানায় চলছে কঠোর লকডাউন

বৃহস্পতিবার   ২৯ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৪ ১৪২৮,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪১ লাখ ৮২ হাজার ছাড়াল দেশে টিকার আওতায় এসেছ প্রায় এক কোটি ২১ লাখ মানুষ ঈদের আগে দেশে ১৫৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা
১৪৬

২২ আফগান কমান্ডোকে হত্যার ভিডিও প্রকাশ

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২১  

 ১৬ জুন আফগানিস্তানের ২২ কমান্ডোকে গুলি করে হত্যা করেছে তালিবানরা। তুর্কমিনিস্তান সীমান্তবর্তী ফারিয়ব প্রদেশের দৌলত আবাদ শহরে গত ১৬ জুন এ ঘটনা ঘটে। সদ্য প্রকাশিত এক ভিডিওর বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, নিহত ব্যক্তিরা আফগান স্পেশাল ফোর্সের সদস্য। ঘটনাটির একাধিক ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছে বলে জানায় সংবাদ মাধ্যমটি।

 
প্রত্যক্ষদর্শীরা  বলেন, দুই পক্ষের মাঝে এ এলাকায় ভয়াবহ যুদ্ধ হয়। পরে তালিবানদের হাতে আত্মসমর্পণ করে আফগান সেনারা।


স্পষ্ট কিন্তু এলোমেলোভাবে ধারণ একটি ভিডিওতে শোনা যায়, ‘আত্মসমর্পণ করো কমান্ডোরা, আত্মসমর্পণ করো।’ এরপর নিরস্ত্র কয়েকজন মানুষকে একটি বাড়ি থেকে বের হতে দেখা যায়। তারপর গুলির শব্দ। এতে কমপক্ষে এক ডজন মানুষ মারা যায়। যাদের মুখে কান্নার সঙ্গে শোনা যায়, ‘আল্লাহু আকবর’।
৪৫ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে স্থানীয় পশতু ভাষায় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘তাদের গুলি করো না, গুলি করো না। আমি অনুরোধ করছি তাদের গুলি করো না।’ একই ব্যক্তিকে পরে বলতে শোনা যায়, ‘কীভাবে পশতুন হয়ে আফগানদের হত্যা করছেন?’

 

পাশতুনরা আফগানিস্তানের প্রধান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী। এ দিকে রেড ক্রস নিশ্চিত করেছে, তারা ২২ জন কমান্ডোর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তবে সিএনএনকে তালিবানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গুলির ভিডিওটি ভুয়া। জনগণকে আত্মসমর্পণ না করার জন্য সরকার এ অপপ্রচার চালাচ্ছে। তালিবান মুখপাত্র জানান, তাদের হাতে ফারিয়ব প্রদেশে বন্দী ২৪ জন কমান্ডো রয়েছে, যদিও এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেননি তিনি।

 

দৌলত আবাদের লড়াইয়ের তিন দিন পর তালিবানদের পক্ষে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেখান দেখা যায়, তারা সামরিক ট্রাক ও অস্ত্র জব্দ করেছে। ভিডিওতে দাবি করা হয়, সিআইএ’র বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া কমান্ডো অনুসরণ করছিল তাদের। তাকে আটক করা হয়েছে। যদিও আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো কমান্ডো বন্দী থাকার কথা অস্বীকার করে জানায়, তাদের হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বর্ণনা করেছে মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকে।


এই বিভাগের আরো খবর