রোববার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৯ ১৪৩২, ১৩ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

নির্বাচনি সহিংসতা: জানুয়ারিতে ৪ জনের মৃত্যু, আহত ৫০৯ বিএনপি ছাড়া দেশ সঠিকভাবে পরিচালনা করার মতো দল নেই: তারেক রহমান সংঘর্ষে নিহত নেতা: জামায়াত আমির শেরপুর যাচ্ছেন গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২৬ ফিলিস্তিনি নিহত কমেছে স্বর্ণের দাম আরো ৫৮ হাজার টন গম এল যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচনে ৩৭ হাজার সদস্য মোতায়েন, লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে না বিজিবি কাঠমান্ডু আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়: ইউএস-বাংলাকে দায়সীমার বেশি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতি নোয়াখালীতে ছুরিকাঘাতে তরুণ হত্যার ঘটনায় আটক ৩ ‘ট্রাম্প বলয়ে’ টিকটক, যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপ ডিলিটের হিড়িক! বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন কামিন্স, নেই স্মিথও, চমক রেনশ মহাদেবপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ৫ শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যুতে মামলা, আসামি ৭ শতাধিক এক লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে খনি ধসে দুই শতাধিক নিহত ভেনেজুয়েলায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান মার্কিন হামলা এড়াতে চুক্তি করবে: ট্রাম্পের আশা

জাতীয়

চালু হচ্ছে বুলেট ট্রেন: ৫৫ মিনিটেই ঢাকা টু চট্টগ্রাম

 প্রকাশিত: ২১:৪৮, ১ ডিসেম্বর ২০২০

চালু হচ্ছে বুলেট ট্রেন: ৫৫ মিনিটেই ঢাকা টু চট্টগ্রাম

বুলেট ট্রেনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটে চলাচলের জন্য নেওয়া প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ। নকশা তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে। উচ্চগতির এ রেলসেবা চালু হলে ৬ ঘণ্টা নয়, ননস্টপে মাত্র ৫৫ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া যাবে।

ট্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে এবং দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করবে। এর জন্য একজন যাত্রীর ২ হাজার টাকার মতো ভাড়া গুনতে হবে।

 

রুট ম্যাপ অনুযায়ী প্রস্তাবিত রেলপথে মোট ছয়টি স্টেশন রয়েছে। সেগুলো হলো: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলী ও চট্টগ্রাম। যদি এসব স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামে তাহলে আরও ১৮ মিনিট সময় বেশি লাগবে। সেক্ষেত্রে ৭৩ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌঁছানো যাবে। আর যদি না থামে তাহলে ৫৫ মিনিটেই চট্টগ্রাম টু ঢাকা। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর থামবে কি থামবে না- এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের মার্চে অনুমোদন পাওয়া এ ট্রেনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন এবং বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে এ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজটি করেছে। বর্তমানে এর বিশদ নকশা তৈরির কাজ চলছে।

 

যার জন্য ব্যয় হবে শত কোটি টাকার বেশি। জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্পটির নকশা তৈরির কাজও শেষ হবে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীন জানান, ডিসেম্বরের দিকে চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন।

তারপর ব্যায়ের বিষয়টি নির্ধারণ করে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য যাবে। অনুমোদন পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের ৩২১ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল