বুধবার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৪ ১৪৩২, ১৮ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

তারেকের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ‘অনড়’: আসিফ নজরুল ভোটের আগে-পরে ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন’: বিএনপি প্রার্থী রেজা কিবরিয়াকে শোকজ অর্থ আত্মসাৎ: কক্সবাজারের সাবেক মেয়র আবছারের ৩ বছরের সাজা রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতিরও ‘গণতন্ত্রায়ন দরকার’: খসরু সরকার একটি দলে ‘ঝুঁকেছে’, নির্বাচন ‘পাতানো হতে পারে’: জামায়াতের তাহের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশ, ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত গুনতে হতে পারে দুবাইয়ে ৩ ফ্ল্যাট একরামুজ্জামানের, সাত বছরে ঋণ বেড়েছে ২২ গুণ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয় আইসিসির কাছ থেকে আল্টিমেটাম পাওয়ার খবর উড়িয়ে দিল বিসিবি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে, খবর ক্রিকইনফো ও ক্রিকবাজের যুক্তরাষ্ট্রে ২০০ কোটি ডলার মূল্যের তেল রপ্তানি করবে ভেনেজুয়েলা মার্কিন তাড়া খাওয়া তেল ট্যাংকার পাহারায় রাশিয়ার নৌবহর গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক বিকল্প ভাবছে ট্রাম্প কলম্বিয়ার গেরিলারা মার্কিন হামলার পর ভেনেজুয়েলা থেকে পালাচ্ছে

জাতীয়

চালু হচ্ছে বুলেট ট্রেন: ৫৫ মিনিটেই ঢাকা টু চট্টগ্রাম

 প্রকাশিত: ২১:৪৮, ১ ডিসেম্বর ২০২০

চালু হচ্ছে বুলেট ট্রেন: ৫৫ মিনিটেই ঢাকা টু চট্টগ্রাম

বুলেট ট্রেনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটে চলাচলের জন্য নেওয়া প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ। নকশা তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে। উচ্চগতির এ রেলসেবা চালু হলে ৬ ঘণ্টা নয়, ননস্টপে মাত্র ৫৫ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া যাবে।

ট্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে এবং দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করবে। এর জন্য একজন যাত্রীর ২ হাজার টাকার মতো ভাড়া গুনতে হবে।

 

রুট ম্যাপ অনুযায়ী প্রস্তাবিত রেলপথে মোট ছয়টি স্টেশন রয়েছে। সেগুলো হলো: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলী ও চট্টগ্রাম। যদি এসব স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামে তাহলে আরও ১৮ মিনিট সময় বেশি লাগবে। সেক্ষেত্রে ৭৩ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌঁছানো যাবে। আর যদি না থামে তাহলে ৫৫ মিনিটেই চট্টগ্রাম টু ঢাকা। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর থামবে কি থামবে না- এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের মার্চে অনুমোদন পাওয়া এ ট্রেনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন এবং বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে এ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজটি করেছে। বর্তমানে এর বিশদ নকশা তৈরির কাজ চলছে।

 

যার জন্য ব্যয় হবে শত কোটি টাকার বেশি। জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্পটির নকশা তৈরির কাজও শেষ হবে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীন জানান, ডিসেম্বরের দিকে চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন।

তারপর ব্যায়ের বিষয়টি নির্ধারণ করে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য যাবে। অনুমোদন পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের ৩২১ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল