মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৬ ১৪৩৩

ব্রেকিং

একদিনেই ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪ নতুন মুদ্রানীতি মঙ্গলবার করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে করা হল ৪ লাখ টাকা ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ধারা বাতিল সকল আয় ব্যাংকে ট্রান্সফারের শর্তে কোম্পানির করহার কমল দেশ পুনর্গঠনে ‘ঘুরে দাঁড়ানোর’ বিকল্প নেই: সংসদে প্রধানমন্ত্রী করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর, ‘কালো টাকা সাদা করার’ সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ‘উন্নতির’ তথ্য সংসদে দিলেন মন্ত্রী দীপু মনি হাসপাতাল থেকে আবার কারাগারে ৩ মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজের জামিন, মুক্তি মিলছে না এখনই দেশে সন্দেহজনক হামরোগী লাখ ছাড়ালো বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলব, এটাই মানুষ চায়: প্রধানমন্ত্রী নতুন বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ বললেন প্রধানমন্ত্রী বিপৎসীমা অতিক্রমের ১২ ঘণ্টা পর কমছে তিস্তার পানি, কাটেনি বন্যার শঙ্কা বিরোধী দলের এমপিদের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানালেন ফখরুল

জাতীয়

লক্ষ্মীপুরে কমছে বন্যার পানি বাড়ছে পানি বাহিত রোগ

 আপডেট: ১৮:০৫, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লক্ষ্মীপুরে কমছে বন্যার পানি বাড়ছে পানি বাহিত রোগ

লক্ষ্মীপুর জেলায় কমছে বন্যার পানি বাড়ছে পানি বাহিত রোগ। দিন দিন ডায়রিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ১৩ দিনে জেলায় ৫টি উপজেলায় ডায়রিয়া, চর্ম রোগ ও সর্পদংশনে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১৮ জন।

এরমধ্যে শুধু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৭ জন মানুষ।

এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় পানিতে ডুবে এবং ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  
বন্যা কবলিত এলাকায় পানি বন্দি মানুষের  চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের ৬৪ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে বন্যার্তদের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার  (আরএমও) বন্যা সম্পর্কিত রোগীর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট থেকে জেলার ৫টি উপজেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৭ জন। সর্পদংশন করেছে ১৫৬ জনকে, চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৩২৭ জন, আর টি আই ২ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এছাড়া সদর ও রায়পুর উপজেলায় পানিতে ডুবে ২ জন এবং রামগঞ্জ উপজেলা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বাসসকে বলেন, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩২২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে ৭৯ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। তবে শিশু হলো ৫২ জন । এছাড়া চর্ম-আরটিআইসহ বিভিন্ন রোগে প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ১ হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবীর বাসসকে  বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের  চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ৬৪ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে বন্যার্তদের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। বন্যার্তদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

এছাড়া সমন্বিতভাবে বন্যা কবলিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা  নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে সভা চলছে বলে জানান তিনি।