শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৫ ১৪৩২, ০১ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

চাঁদ দেখা যায়নি, রোজার ঈদ শনিবার তারেককে ঈদ শুভেচ্ছা মোদীর সকাল-বিকেল কমছে সোনা-রূপার দাম ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ‘তুলনামূলক স্বস্তি’ উত্তরায় ছিনতাইকারীর হেঁচকা টানে রাস্তায় পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ নিলেন ট্রাম্প কখন কোথায় ঈদের জামাত ঈদযাত্রা: গাজীপুর মহাসড়কে যানজট ও অতিরিক্ত ভাড়ায় নাকাল ঘরমুখো মানুষ সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা: দুই নৌযানের রুট পারমিট বাতিল, গঠন তদন্ত কমিটি কুয়েতে যুদ্ধ পরিস্থিতি: ঈদ উৎসবেও বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ইরানের পাল্টা হামলায় কাঁপল সৌদি-কাতার-কুয়েত-বাহরাইন আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে ঈদ উপলক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ইরানি গ্যাস হামলার জবাবে তেহরানের পাল্টা আঘাত

জাতীয়

লক্ষ্মীপুরে কমছে বন্যার পানি বাড়ছে পানি বাহিত রোগ

 আপডেট: ১৮:০৫, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লক্ষ্মীপুরে কমছে বন্যার পানি বাড়ছে পানি বাহিত রোগ

লক্ষ্মীপুর জেলায় কমছে বন্যার পানি বাড়ছে পানি বাহিত রোগ। দিন দিন ডায়রিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ১৩ দিনে জেলায় ৫টি উপজেলায় ডায়রিয়া, চর্ম রোগ ও সর্পদংশনে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১৮ জন।

এরমধ্যে শুধু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৭ জন মানুষ।

এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় পানিতে ডুবে এবং ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  
বন্যা কবলিত এলাকায় পানি বন্দি মানুষের  চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের ৬৪ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে বন্যার্তদের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার  (আরএমও) বন্যা সম্পর্কিত রোগীর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট থেকে জেলার ৫টি উপজেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৭ জন। সর্পদংশন করেছে ১৫৬ জনকে, চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৩২৭ জন, আর টি আই ২ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এছাড়া সদর ও রায়পুর উপজেলায় পানিতে ডুবে ২ জন এবং রামগঞ্জ উপজেলা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বাসসকে বলেন, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩২২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে ৭৯ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। তবে শিশু হলো ৫২ জন । এছাড়া চর্ম-আরটিআইসহ বিভিন্ন রোগে প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ১ হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবীর বাসসকে  বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের  চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ৬৪ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে বন্যার্তদের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। বন্যার্তদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

এছাড়া সমন্বিতভাবে বন্যা কবলিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা  নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে সভা চলছে বলে জানান তিনি।