শুক্রবার ০২ মে ২০২৫, বৈশাখ ১৮ ১৪৩২, ০৪ জ্বিলকদ ১৪৪৬

ব্রেকিং

পহেলগাঁও হামলায় ‘র’-এর জড়িত থাকার গোপন নথি ফাঁস চিন্ময় কৃষ্ণের জামিন নিয়ে ইন্টারিম সরকারকে হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১১৩৭ ‘মানবিক করিডোরের’ সিদ্ধান্ত আসতে হবে নির্বাচিত সংসদ থেকে: তারেক রহমান ‘জাতীয় স্বার্থে প্রস্তুত পাকিস্তান’—ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে বললেন সেনাপ্রধান বৈষম্যবিরোধী হয়ে থাকলে শ্রমিকের বেতন বাড়ান: ইউনূসকে সেলিম ‘দুর্দশায়’ ২৬ বাংলাদেশি, ‘ব্যবস্থার’ নির্দেশ ফিজি প্রধানমন্ত্রীর ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা: বিশেষ এলাকায় ‘কঠোর পদক্ষেপ’ ‘শ্রমিক-মালিক এক হয়ে গড়বো এ দেশ নতুন করে’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে আজ পালিত হচ্ছে মে দিবস উত্তেজনা কমাতে একসঙ্গে কাজ করুন: ভারত-পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্র ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচনের তফসিল পাকিস্তানে ভারতের সম্ভাব্য হামলার ধরন যেমন হতে পারে ঐকমত্য কমিশন যেন বিভাজনের কমিশন না হয় পোপ হতে চান ট্রাম্প অবশেষে সেই খনিজ চুক্তিতে সই করল যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেইন

ইসলাম

”নামাযের সময় নবীজী আয়েশা রা.কেও চিনতেন না” এ কিসসাটি প্রমাণিত নয়

 আপডেট: ২২:৪৩, ৯ অক্টোবর ২০২৩

”নামাযের সময় নবীজী আয়েশা রা.কেও চিনতেন না” এ কিসসাটি প্রমাণিত নয়

ছবি: সংগৃহীত

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযকে কতটা গুরুত্ব দিতেন বা নামাযের সময় হলে নবীজীর অবস্থা কেমন হত- একথা বোঝাতে কাউকে কাউকে নিচের কিসসাটি বলতে শোনা যায়।

“একবার নামাযের সময় হলে নবীজী সা. ওযু করছিলেন। এমন সময় আয়েশা রা. তাঁর কাছে গেলে তিনি তাকে চিনতে পারলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে?

আয়েশা রা. বললেন, আমি আয়েশা।

নবীজী বললেন, আয়েশা কে?

তিনি বললেন, আবু বকরের মেয়ে।

নবীজী বললেন, আবু বকর কে?

আয়েশা রা. বললেন, ইবনে কুহাফা।”

অর্থাৎ নামাযের সময় ঘনিয়ে আসার কারণে নবীজী নামায নিয়ে এতটাই নিমগ্ন যে, প্রিয় সহধর্মিণী আয়েশা রা.-কেও চিনতে পারছেন না। প্রিয় সাহাবী আবু বকর রা.-কেও চিনতে পারছেন না।

নামায বা জামাতের নামায নবীজীর কাছে কী পরিমাণ গুরুত্বের বিষয় ছিল- তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু সে কারণে আয়েশা রা.-কেও চিনতে পারছেন না- এমন কথার কোনো ভিত্তি নেই। কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে তা পাওয়া যায় না।

হাঁ, একটি যয়ীফ বর্ণনায় এর কাছাকাছি অর্থ পাওয়া যায়। বর্ণনাটি হল-

كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- إِذَا نُوْدِيَ بِالأَذَانِ كَأَنَّهُ لاَ يَعْرِفُ أَحَداً مِنَ النَّاسِ.

قال الذهبي في سير أعلام النبلاء (في ترجمة سويد بن غفلة) : هَذَا حَدِيْثٌ ضَعِيْفُ الإِسْنَادِ.

যখন আযান হত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থা এমন হত, যেন তিনি কাউকে চেনেন না। [দ্রষ্টব্য : তারীখে দিমাশক, ইবনে আসাকির, খ. ৭২, পৃ. ৩৬৭; তারীখু আবি যুরআহ আদদিমাশকী, খ. ১, পৃ. ৬৬০; সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, খ. ৫, পৃ. ২৯ (সুওয়াইদ ইবনে গাফালা রাহ.-এর জীবনী); তাখরীযু আহাদীসিল ইহইয়া, ইরাকী, বর্ণনা ৩৮৭]

আযান শুনলে বা নামাযের সময় হলে রাসুল সা. কী পরিমাণ গুরুত্বের সাথে নামাযের জন্য মসজিদে চলে যেতেন  আয়েশা রা. থেকেই বর্ণিত এ সংক্রান্ত সহীহ হাদীস রয়েছে। আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ রাহ. বলেন, আমি আয়েশা রা.-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবীজী পরিবারে থাকা অবস্থায় কী করতেন। উত্তরে আয়েশা রা. বলেন-

كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ، فَإِذَا سَمِعَ الأَذَانَ خَرَجَ.

নবীজী সা. পরিবারের খেদমতে নিয়োজিত থাকতেন (পারিবারিক কাজে সহযোগিতা করতেন); যখন আযান শুনতেন সাথে সাথে (নামাযের জন্য মসজিদে) বের হয়ে যেতেন। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৩৬৩

Online_News_Portal_24