রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১০ ১৪৩২, ০৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কথা কম বলে, কাজ বেশি করতে চাই: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ফেব্রুয়ারির ২১ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৩০ কোটি ডলার ১৬ বছর হলেই এনআইডি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইসির সংসদ বসছে ১২ মার্চ, সেদিনই স্পিকার নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৮ মাস পর ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন মুহাম্মদ ইউনূস ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ এপ্রিলের প্রথমার্ধে বগুড়া-৬, শেরপুর-৩ আসনে ভোট জানুয়ারিতে সড়কে ঝরেছে ৫৪৬ প্রাণ তেজগাঁও কলেজের ছাত্র ইকরাম হত্যায় দুজনের প্রাণদণ্ড ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এবার শিক্ষার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশ ‘জঙ্গি’ হামলার জবাব দিতে আফগানিস্তানে আক্রমণ পাকিস্তানের

ফিচার

ট্রাফিক জ্যামে বসে থেকে বিরক্ত হয়ে কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ!

 প্রকাশিত: ০৯:৫২, ১৬ জুলাই ২০২১

ট্রাফিক জ্যামে বসে থেকে বিরক্ত হয়ে কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ!

কিছু কিছু সময় আছে যে বিরক্তকর কিন্তু কিছুই করার থাকেনা। ঠিক যেমন যানজটে বসে থাকতে কারই ভালো লাগে না? কিন্তু ভালো না লাগলেও বসে থাকা ছাড়া তো আর উপায় নেই। চাইলেই গাড়ি নিয়ে উড়ে চলে যাওয়া যায় না কিংবা গাড়ি রেখে হাঁটা দেওয়া যায় না।

যানজটে বিরক্ত হলেও বসেই থাকতে বাধ্য হন গাড়ির চালক আর যাত্রীরা। তবে যানজটে বিরক্ত হয়ে কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার নজির বোধহয় খুব বেশি নেই।
 এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার বাসিন্দা জিমি ইভান জেনিংস নামের ২৬ বছর বয়সী ওই যুবক দুই ঘণ্টা ধরে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে যানজটে আটকে ছিলেন। এ সময় যানজটে বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে পাশের নদীতে সাঁতার কাটার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ভাবেন কিছুক্ষণ সাঁতার কেটে আবার গাড়িতে ফিরে আসবেন।
কিন্তু নদীতে ঝাঁপ দিতেই বাঁধে বিপত্তি। নদীটিতে যে কুমির আছে তা তিনি জানতেন না। তবে কুমির আক্রমণ না করলেও ঝাঁপ দেওয়ার সাথে সাথে তলিয়ে যেতে থাকেন তিনি। কোনোক্রমে ভেসে উঠে সাঁতার কেটে তীরে আসার চেষ্টা করেন।

নিজের ফেসবুকে ওই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জিমি লিখেছেন, আমার জীবনের সেরা সময় কাটাচ্ছিলাম। সবকিছু আমার মনের মতোই চলছিল। আমি অনেককে আগেও নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখেছি। তবে ঝাঁপ দেওয়ার পর মনে পড়েছিল এসব কেবল সিনেমাতেই দেখা যায়।
তিনি লিখেছেন, ঝাঁপ দিয়ে পানিতে পড়ামাত্র আমার মুখে পানি ঢুকে যায়। আমি বাম হাতে ব্যথা পাই। সাঁতার কেটে তীরে আসার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু স্রোত অনেক তীব্র ছিল। দেড়ঘণ্টা পর আমি ক্লান্ত হয়ে যাই। আমার বাম হাত আসাড় হয়ে যায়। ডান হাত আর পা দিয়ে ভেসে ছিলাম। পুরোটা সময় জুড়েই প্রার্থনা করছিলাম। তবে শেষমেষ কোনরকমে তীরে এসে পৌঁছাতে সক্ষম হই।
তবে এভাবে নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলার অপরাধে হাতে হাতকড়া উঠেছে তার। পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাকে।

 অন্য দিকে, এভাবে সাঁতার কাটার শখ একেবারেই ঘুচে গেছে জিমির। আর জীবনেরও সাঁতার কাটবেন না বলে ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন তিনি।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল