বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২১ ১৪৩২, ১৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

রাজনীতি

খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের

 প্রকাশিত: ১৯:০৯, ৫ মার্চ ২০২৬

খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের

বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদের বিরোধী দলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

অন্তর্বর্তী সরকারের আরেক সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধেও তিনি একই অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা তাহের বলেন, “বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে লন্ডনে একটি বিশেষ বৈঠকে পরিকল্পনা করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।

“সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতর থেকে তিনি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভূমিকা রেখেছেন বলে মনে করে জনগণ। কারণ তার ভূমিকার পুরস্কার হিসেবেই বিএনপি সরকারের মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেয়েছেন তিনি। এজন্য তাকে বিচারের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।”

গেল ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এই সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুরকে দায়িত্ব দেওয়ায় অনেকে বিস্মিত হয়েছেন।

সংসদ নির্বাচনের ৫৩টি আসনে ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে জামায়াত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির।

সংবাদ সম্মেলনের পরে জামায়াতের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে বিরোধী দলের উপনেতা তাহের বলেন, “সম্প্রতি তিনি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন, ‘যারা নারীদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি, তারা বিরোধীদলে থাকলেও আমরা তাদের মূলধারা বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দিইনি।’

“এই বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয় যে, জাতীয় নির্বাচনে যে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে, তিনি নিজেই তা স্বীকার করে একপ্রকার রাজসাক্ষী হলেন।”

আব্দুল্লাহ তাহের বলেন, “আমরা এখন তার কাছে, তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এবং বর্তমান সরকারের কাছে জানতে চাই-কেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি দলকে মূলধারা বা প্রধান দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে।

“একই সঙ্গে সাবেক ওই উপদেষ্টার কাছে আমরা জানতে চাই, এই ইঞ্জিনিয়ারিং প্রক্রিয়ায় তার সঙ্গে আরও কারা জড়িত ছিলেন।”

তিনি বলেন, “তাদের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, সাবেক এই দুই উপদেষ্টা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এদের দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

ডেপুটি স্পিকার পদে নাম প্রস্তাব প্রসঙ্গে জামায়াত নেতা তাহের বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে সংবিধানের আলোকে লিখিত প্রস্তাব পাওয়া গেলে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হলে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখব।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে ডা. তাহের বলেন, “গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি শিশু ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এছাড়া সারাদেশে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

“উদ্বেগজনক বিষয় হলো-ন্যায়বিচার পাওয়া তো দূরের কথা, এসব ঘটনায় অনেক ক্ষেত্রে থানা মামলা নিতেও গড়িমসি করছে।”