শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২২ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চুক্তিতে পৌঁছাতে জেলেনস্কিকে এগোতে হবে, পুতিন প্রস্তুত: ট্রাম্প ড্রোন হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র খামেনিকে হত্যায় যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন হয়নি : ইসরাইল খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক

গাদ্দাফির ছেলেকে হত্যায় ৩ সন্দেহভাজন শনাক্ত লিবিয়ার

 প্রকাশিত: ১৬:৪৮, ৬ মার্চ ২০২৬

গাদ্দাফির ছেলেকে হত্যায় ৩ সন্দেহভাজন শনাক্ত লিবিয়ার

গত মাসে সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে হত্যার ঘটনায় তিন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার লিবিয়ার প্রসিকিউটররা এ তথ্য জানান। যদিও তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

ত্রিপোলি থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সাইফ। 

একসময় দেশটির সম্ভাব্য উত্তরসূরী হিসেবে মনে করা হত তাকে।

প্রসিকিউটর কার্যালয় জানায়, তদন্তে সন্দেহভাজনদের মিলিত হওয়ার স্থান; অপরাধ সংঘটনের সময় এবং ঘটনাস্থলে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেছে। সবার পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে। 

ফেসবুকে দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাদেরকে গ্রেফতারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

পিতা গাদ্দাফির শাসনামলে উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে সাইফ আল-ইসলামের আনুষ্ঠানিক পদ ছিল না। তবে তাকে কার্যত লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই দেখা হত। তিনি সংস্কার ও মধ্যপন্থার ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন। 

তবে ২০১১ সালের ‘আরব বসন্ত’ দমনে ‘রক্তের নদী’ বইয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে সেই ভাবমূর্তি ভেঙে পড়ে।

২০১১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই বছর লিবিয়া কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে। 

পরে ত্রিপোলির একটি আদালত সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। তবে পরবর্তীতে তাকে সাধারণ ক্ষমাও করা হয়েছিল।

গাদ্দাফি পুত্রের ফরাসি আইনজীবী মার্সেল সেকালদি এএফপিকে জানান, চার সদস্যের একটি কমান্ডো দল সাইফের বাড়িতে ঢুকে তাকে হত্যা করে।