রুটের সেঞ্চুরির পর হেডের ব্যাটে জবাব দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
জো রুটের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে সব উইকেট হারিয়ে ৩৮৪ রান করেছে ইংল্যান্ড। ১৬০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন রুট।
জবাবে ট্রাভিস হেডের হাফ-সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ১৬৬ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ২১৮ রানে পিছিয়ে অসিরা। ৯১ রানে অপরাজিত থেকে টেস্টে ১২তম সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন হেড।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শেষ টেস্টের প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ২১১ রান করেছিল ইংল্যান্ড। রুট ৭২ ও হ্যারি ব্রুক ৭৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় দিন ব্রুক ৮৪ রানে আউট হলেও, টেস্ট ক্যারিয়ারের ৪১তম সেঞ্চুরি তুলে নেন রুট। এতে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে স্পর্শ করেন তিনি। ১৬৮ ম্যাচের ২৮৭ ইনিংসে ৪১ সেঞ্চুরি করেছিলেন পন্টিং। ৪১ সেঞ্চুরি পেতে রুট খেলেছেন ১৬৩ ম্যাচ ও ২৯৭ ইনিংস।
২০২১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১২০ ইনিংসে ২৪টি সেঞ্চুরি করেছেন রুট। এই সময় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০টি করে সেঞ্চুরি করেছেন ইংল্যান্ডের ব্রুক, ভারতের শুভমান গিল, অস্ট্রেলিয়ার স্টিভেন স্মিথ ও নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন।
শতকের পর ইনিংস বড় করে দেড়শর দেখা পান রুট। টেস্টে ১৭তম বারের মত ইনিংসে দেড়শ বা তার বেশি ইনিংস খেলেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার পেসার মাইকেল নেসারের বলে নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হবার আগে রুটের নামের পাশে ছিল ১৬০ রান। তার ২৪২ বলের ইনিংসে ১৫টি চার ছিল।
রুট ফেরার পর ৩৮৪ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন উইকেটরক্ষক জেমি স্মিথ।
নেসার ৬০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন।
প্রথম ইনিংসে ৫৭ রানের সূচনা পায় অস্ট্রেলিয়া। জুটিতে ২১ রান করা জ্যাক ওয়েদারেল্ডকে শিকার করে ইংল্যান্ডকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অধিনায়ক বেন স্টোকস।
এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ১১৩ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার হেড ও মার্নাস লাবুশেন। দিনের শেষভাগে হেড ও লাবুশেনের জুটি ভাঙ্গেন স্টোকস। ৭টি চারে ৪৮ রান করা লাবুশেনকে শিকার করেন তিনি।
লাবুশেন ফেরার পর নাইটওয়াচম্যান নেসারকে নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেন হেড। ১৫টি চারে ৮৭ বলে ৯১ রানে হেড এবং নেসার ১ রানে অপরাজিত আছেন।
স্টোকস ৩০ রানে ২ উইকেট নেন।