বৃহস্পতিবার ০১ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ১৮ ১৪৩২, ১২ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ বিএনপি আমলে র‌্যাবকে ‘রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি’, দাবি বাবরের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা কমলো আওয়ামী লীগ থেকে এসে যোগ দেন, দায়-দায়িত্ব আমাদের: জামায়াতের লতিফুর রংপুর-১: জাপা প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল এনইআইআর চালু, প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা, ভাঙচুর ২৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান, ভাই ও ছেলেদের বিরুদ্ধে চার মামলা করছে দুদক নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে কোরান ছুঁয়ে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার ই-সিগারেট, ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরে ২৫ ভবন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮

ইসলাম

৬ দিনের ঋতু ১৩ দিন হলে, ৭–১০ দিনের নামায কাযা?

 প্রকাশিত: ১৭:৪৫, ১ জানুয়ারি ২০২৬

৬ দিনের ঋতু ১৩ দিন হলে, ৭–১০ দিনের নামায কাযা?

প্রশ্ন :আমার স্ত্রী সাধারণত মাসে ছয় দিন ঋতুমতী থাকে। গত পিরিয়ডে তার ব্যতিক্রম হয়। ছয় দিনে স্রাব বন্ধ না হয়ে তেরোতম দিন পর্যন্ত দেখা যায়। এর পরে স্রাব বন্ধ হয়। দশম দিন পর্যন্ত সে নামায পড়া বন্ধ রেখেছিল। কিন্তু যখন দশম দিনও পার হয়ে যায় তখন এর পর থেকে প্রতি ওয়াক্তে ওযু করে নামায আদায় করে। কিন্তু আমার মনে প্রশ্ন থেকে যায়, সপ্তম দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত যে সে নামায পড়েনি, তা কি ঠিক ছিল? এই চার দিনের নামায কি তাকে কাযা আদায় করতে হবে? দয়া করে সঠিক মাসআলা জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর:প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীর মাসিকের সাধারণ নিয়ম ছয় দিনের পরও যেহেতু স্রাব চালু ছিল, তাই এক্ষেত্রে সপ্তম দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত নামায না পড়া ঠিক ছিল। কেননা দশম দিনের ভেতর স্রাব বন্ধ হয়ে গেলে পুরো দশ দিনই হায়েয গণ্য হয়।

কিন্তু প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে তা যেহেতু দশ দিন অতিক্রম করে গেছে, তাই তার পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী এক্ষেত্রে ছয় দিন হায়েয এবং এর পর থেকে তেরোতম দিন পর্যন্ত ইস্তেহাযা গণ্য হবে। সুতরাং এখন আপনার স্ত্রীর জন্য সপ্তম থেকে দশম এই চার দিনের নামায কাযা করা জরুরি।

* >المبسوط< للسرخسي ২/১৬ : وإذا كان حيضها خمسة أيام، فزاد الدم عليها، فالزيادة دم حيض معها إلى تمام العشرة، ... فإذا زاد على العشرة كان حيضها هي الخمسة، والزيادة استحاضة.

–কিতাবুল আছল ১/২৮৮; আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৩৪; আলগায়া, সারুজী ১/৬৫১; ফাতহুল কাদীর ১/১৫৭; আলবাহরুর রায়েক ১/২১২

মাসিক আলকাউসার