বৃহস্পতিবার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৫ ১৪৩২, ১৯ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

দিনভর ভুগিয়ে এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার বন্ডাই বিচে বন্দুক হামলা : রয়েল কমিশন গঠনের ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার সোমালিয়ায় খাদ্য সহায়তা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র তীব্র তাপপ্রবাহে অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ‘কর্তন নিষিদ্ধ’ গাছ কাটলে এক লাখ টাকা জরিমানা, অধ্যাদেশ জারি সাগরে গভীর নিম্নচাপ, অব্যাহত থাকবে শৈত্যপ্রবাহ দিপু হত্যা: লাশ পোড়ানোয় ‘নেতৃত্ব’ দেওয়া যুবক গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে ইজিবাইক চালককে হত্যায় ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড মুছাব্বির হত্যায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি মৌলভীবাজারে কনকনে শীত, শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি

সরকার একটি দলে ‘ঝুঁকেছে’, নির্বাচন ‘পাতানো হতে পারে’: জামায়াতের তাহের

 প্রকাশিত: ১৪:৩৮, ৭ জানুয়ারি ২০২৬

সরকার একটি দলে ‘ঝুঁকেছে’, নির্বাচন ‘পাতানো হতে পারে’: জামায়াতের তাহের

সরকার ও আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী কিছুদিন ধরে 'একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের' দিকে 'ঝুঁকে পড়েছে' বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

এতে করে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট 'পাতানো নির্বাচনে' রূপান্তরিত হওয়ার শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

বুধবার দলীয় প্রধানের বসুন্ধরা কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে কোনো দলের নাম না নিয়ে তিনি বলেন, "গত এক দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে সরকার এবং আমাদের 'ল এনফর্সিং অথরিটি' যারা আছে ইনক্লুডিং সেনাবাহিনী যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের আনুগত্য দেখাচ্ছে; এতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি কি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কী না অতীতের নির্বাচনগুলোর মত।

"আমরা মনে করি এ ধরনের পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।"

নিরপেক্ষ হয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য ভূমিকা রাখতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এ দিন সকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে তার বসুন্ধরা কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দলটির নায়েবে আমির তাহের।

সে সময় তাহের বলেন, সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক পাঠানোকে কেন্দ্র করে মূল আলোচনা হলেও প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়েও তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তাহের বলেন, "আমরা বলেছি যে বাংলাদেশে একটা ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন অত্যন্ত জরুরি। কারণ বিগত ৫৫ বছরে বাংলাদেশের যে ক্রাইসিস তৈরি হয়েছিল এর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল সুষ্ঠ এবং সঠিক নির্বাচনের অভাব।"

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্ট 'অচলাবস্থা' নিরসনে সুষ্ঠ এবং অবাধ নির্বাচন প্রয়োজন বলে জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করে দলটির নায়েবে আমির বলেন, “যদি আগামী নির্বাচনটি অবাধ এবং সুষ্ঠ না হয়, নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে ক্রাইসিস কিন্তু শেষ হবে না। ক্রাইসিস আবার নতুন করে তৈরি হবে এবং এটা আরো গভীরতর হবে।"

দলের পক্ষ থেকে এ আশঙ্কার কথা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তাহের।

আসন্ন নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে বলে প্রতিনিধি দল আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বলে জানান তাহের।

তিনি বলেন, "এই নির্বাচনেই বিদেশি পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্যে তারা এগ্রি করেছে এবং বাংলাদেশও করেছে। কারণ এর আগের নির্বাচনগুলো আসলে পার্টিসিপেটেড ছিল না। আমরা বলেছি আমরা এটাকে ওয়েলকাম করি।"

নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশ-বিদেশের অংশীজনদের নিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাহের।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি সূষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, "আমরা তাদেরকে আশ্বস্ত করেছি, নির্বাচন সুষ্ঠ এবং অবাধ হওয়ার জন্যে যা কিছু করার প্রয়োজন, জামায়াতে ইসলামী সেটা করবে এবং সহযোগিতা করবে।”