রোববার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৬ ১৪৩২, ২০ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হজ ভিসা মিলবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে দুদিন দোকানপাট বন্ধের ঘোষণা নানিবাড়ি এলাকার ভোট চাইলেন তারেক রহমান রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের ঋণ মওকুফ হবে : তারেক রহমান এমপি হয়ে প্লট, শুল্কমুক্ত গাড়ি নেব না: হবিগঞ্জে জামায়াত আমির হাদি হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না: হাদির বোন কারাগারে মারা গেলেন সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন এনসিটি ইজারা: রোববার থেকে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত সেই শিশুর মৃত্যু আবার বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ‘খুব ভালো’ হয়েছে : ট্রাম্প জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার? তারেক বললেন, বিএনপি ‘একাই সক্ষম’ তারেক রহমানকে ওপেন ডিবেটের আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের বিশ্বকাপ শুরু, ৩০ বছর পর নেই বাংলাদেশ ইউক্রেইনে ‘মার্চের মধ্যে’ শান্তি চুক্তি ও দ্রুত নির্বাচন ‘চায় যুক্তরাষ্ট্র’

অর্থনীতি

১০৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ রেখে গেছেন হাসিনা

 প্রকাশিত: ১৩:০৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

১০৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ রেখে গেছেন হাসিনা

ছাত্র-গণ আন্দোলনে ক্ষমতা ছাড়ার সময় শেখ হাসিনা ১০৩.৭৯ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ রেখে গেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ( প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে) ১২ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা।

১৫ বছর আগে শেখ হাসিনা দায়িত্ব নেওয়ার সময় বৈদেশিক এ ঋণের পরিমাণ ছিল ২১.১৯ বিলিয়ন ডলার।

এ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রের। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করে।

তথ্য বলছে, গত ডিসেম্বরের শেষে সরকারি-বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ স্থিতি ছিল ১০০.৬৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসেই প্রায় ৩.৩৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
 
গত মার্চে দেশের মোট বিদেশি ঋণ কমে ৯৯.৩০ বিলিয়ন ডলার হয়েছিল। কিন্তু ডলার সংকটসহ নানা কারণে বিদেশি সংস্থাগুলো থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবার বেড়ে ১০৪ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয়েছে দর-কষাকষি ছাড়া ও বাছবিচারহীনভাবে, যা সরকারের দায়দেনা পরিস্থিতিতে চাপ বাড়িয়েছে।

তথ্যে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুন শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ২০.৫৭ বিলিয়ন ডলার। ডিসেম্বর শেষে এ ঋণ ছিল ২০.৯৫ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের অক্টোবর শেষে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ২১.২৮ বিলিয়ন ডলার থাকলেও চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৯ মাসে বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ কমেছে ৭০৬ মিলিয়ন ডলার।

বেসরকারি এ ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জুন পর্যন্ত মোট বিদেশি ঋণের ১১.৪০ বিলিয়ন স্বল্পমেয়াদি ও ৯.১৭ বিলিয়ন ডলার দীর্ঘমেয়াদি ঋণ।

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন এ বিষয়ে বলেন, ঋণ বাড়লেও পরিশোধ করার সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে সরকারকে। তাহলে এ ঋণ কোনো শঙ্কা তৈরি করবে না।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মেগাপ্রকল্পগুলো, যেমন- পদ্মা বহুমুখী সেতু, ঢাকা মেট্রোরেল, ঢাকা শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর এসব করতে গিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

দুঃখজনক হলো এসব ঋণের অর্থে চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন যখন সম্পন্ন হবে তখন প্রকল্পগুলোর আয় থেকে ঋণের কিস্তির অতি সামান্য অংশই পরিশোধ করা সম্ভব হবে বলেন এ অর্থনীবিদ।