রোববার ১১ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৮ ১৪৩২, ২২ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

বগুড়ায় জাতীয় পার্টির কার্যালয় দখল ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জামায়াত জোটে এনসিপির প্রার্থী কত, দুয়েক দিনের মধ্যেই ঘোষণা: নাহিদ পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোট স্থগিতের নির্দেশ ‘নভেম্বর’ থেকেই এলপি গ্যাসের সংকট, ‘জানানো হয়নি’: হাসিন পারভেজ ৫ অগাস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে চাই না: তারেক রহমান তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের মানুষ: ফখরুল আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জামায়াতের হামিদুর রহমান আযাদ ‘মব’ দমন না হলে ভোট সুষ্ঠু হওয়ার ‘সম্ভাবনা নেই’: জাপা মহাসচিব আলেপ্পোর কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় সিরিয়ার হামলা ইউক্রেন ইস্যুতে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক নরসিংদী কারাগারের লুট হওয়া ২৭ অস্ত্র-গুলি লাপাত্তা, ভোট নিয়ে শঙ্কা কনকনে শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়, ফের দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান গোলমালকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চাইছে: আয়াতুল্লাহ খামেনি

জাতীয়

পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোট স্থগিতের নির্দেশ

 প্রকাশিত: ১৮:১১, ১০ জানুয়ারি ২০২৬

পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোট স্থগিতের নির্দেশ

সীমানা জটিলতা নিয়ে আদালতের আদেশের কারণে পাবনার দুটি আসনে ভোট স্থগিত করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার এ সংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা।

তিনি বলেছেন, “এখন এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।”

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, “জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকা ৬৮ পাবনা-১ ও ৬৯ পাবনা-২ এর সীমানা সংক্রান্ত সিএমপি নং ১১০৫/২০২৫ এ মাননীয় আপিল বিভাগের ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের প্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনি এলাকা ৬৮ পাবনা-১ ও ৬৯ পাবনা-২ এর নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে সাঁথিয়া উপজেলার পুরোটা নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে পাবনা-২ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করা হয়।

এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার আবু সাঈদ হাই কোর্টে রিট মামলা করেন।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাই কোর্ট রুল জারি করে। সেই রুল শুনানি শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর রায় দেয় হাই কোর্ট।

পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা সংক্রান্ত গেজেটের অংশটুকু ‘আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত’ ঘোষণা করা হয় ওই রায়ে।

সেই সঙ্গে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরপর নির্বাচন কমিশন পাবনার আসন দুটি নিয়ে ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে আগের মতই পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভা ও বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন নিয়ে পাবনা-১ আসন দেখানো হয়। আর বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন এবং পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসনের সীমানা দেখানো হয়।

হাই কোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং নির্বাচন কমিশন আলাদা আবেদন করে। ৫ জানুয়ারি সেসব আবেদন শুনে নির্বাচন কমিশনের ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আদেশে বলা হয়, লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বাহল থাকবে।

এর ফলে পাবনার এ আসন দুটির ক্ষেত্রে ইসির ৪ সেপ্টেম্বরের গেজেট বহাল হয়ে যায়। অর্থাৎ সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসনের সীমানা বহাল হয়।

সীমানা নিয়ে এই জটিলতার কারণে আদালতের পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোটের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানাল নির্বাচন কমিশন। তবে বাকি ২৯৮টি আসনে ভোটের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে।