ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি
ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকের ঢলে মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজার।
ঈদের দ্বিতীয় দিন রোববার সকাল থেকেই সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
টানা সাত দিনের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে পর্যটকেরা সমুদ্রসৈকতে ছুটে এসেছেন। তারা বালুকাবেলায় সময় কাটাচ্ছেন; সমুদ্রস্নান ও ঘোরাঘুরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
নরসিংদী থেকে আসা সাঈদ বিন জেবর বলেন, “কক্সবাজারের প্রকৃতি আমাকে সবসময় টানে। ঈদের ছুটি কাটাতে তাই এখানে এসেছি। আরও দুই দিন থাকব, সময়টা ভালোই কাটছে।”
পর্যটকের ভিড়ে চাঙা হয়ে উঠেছে স্থানীয় ব্যবসা। রমজান মাসে স্থবির থাকার পর আবারও জমে উঠেছে কেনাবেচা।
বার্মিজ মার্কেটের শুটকি বিক্রেতা মফিজুর রহমান বলেন, “রমজানে ব্যবসা ছিল না বললেই চলে। এখন পর্যটক বাড়ছে, সামনে আরও বাড়বে। আশা করছি, ভালো ব্যবসা হবে।”
শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে এখন কোনো কক্ষ খালি নেই। বেশির ভাগ আবাসিক হোটেলেই ৩০ মার্চ পর্যন্ত অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন হোটেল-মোটেল মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার।
তিনি বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকের চাপ বেড়েছে। প্রায় সব হোটেলেই অতিথি রয়েছে। পর্যটকদের যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয় এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হয় সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন, টুরিস্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে বিভিন্ন স্পটে।
জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, “পর্যটকেরা আমাদের অতিথি। তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিচ্ছে।”
এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া ও যেকোনো ধরনের পর্যটক হয়রানি রোধে পর্যটন সেল কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।