সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৯ ১৪৩২, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৭

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানি হামলার পর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

 প্রকাশিত: ১১:৪৮, ২৩ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানি হামলার পর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

ইসরায়েলের আরাদ ও ডিমোনা শহরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটির কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যত উন্নতই হোক না কেন, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র শেষ পর্যন্ত ভেদ করবেই। ইসরায়েলের বহুস্তরবিশিষ্ট অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও এ বাস্তবতা অস্বীকার করা যাচ্ছে না।

কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা ৯০ শতাংশের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম।

তবে বিশেষ করে ডিমোনায়, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা রয়েছে সেখানে হামলা প্রতিহত করতে না পারা তাদের জন্য ‘বিব্রতকর’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই হামলাগুলো ইরানে ব্যাপকভাবে উদযাপন করা হয়েছে এবং প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা দাবি করছে, এটি ভবিষ্যতের আরও বড় হামলার পূর্বাভাস এবং তারা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার উপায় খুঁজে পেয়েছে। তবে ইসরায়েলে এসব দাবি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, ইরান তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। তারা এখন ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করছে, যা বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বৃহত্তর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিরোধ করা কঠিন হয়।

এছাড়া একসঙ্গে বড় আকারের হামলার বদলে ইরান এখন ছোট ছোট আকারে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ছে। এতে বারবার সাইরেন বাজছে এবং মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটতে হচ্ছে।

এমন হামলার লক্ষ্য বেসামরিক জনগণের মানসিক স্থিতিশীলতা দুর্বল করা।