শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১ ১৪৩২, ২৬ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

তারেক-মোদী ফোনালাপ: সমর্থনের বার্তা নতুন আইনপ্রণেতাদের শপথ ‘যেদিন বলবে সেদিনই’: সচিব এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের: বিএনপি তারেক রহমানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে অভিনন্দন মমতা ব্যানার্জীর গণভোট: হ্যাঁ ভোট ৬৮.০৬% ভোট পড়েছে ৫৯% আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান: ফখরুল ঢাকার ১৩টি আসন বিএনপির, ৭টি জামায়াত জোটের এনসিপির ঝুলিতে ৬ আসন ফলাফলে ‘গরমিল’, প্রশাসন ‘নিরপেক্ষ ছিল না’: জামায়াত নিরঙ্কুশ বিজয়ে তারেককে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন তারেককে মোদীর অভিনন্দন, গণতান্ত্রিক-অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের সমর্থনে থাকবে ভারত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি ঐতিহাসিক জয়ে তারেককে অভিনন্দন, এক সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

স্পেশাল

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর দীর্ঘ ইতিহাস

 প্রকাশিত: ১৭:০৮, ১৪ জুলাই ২০২৪

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর দীর্ঘ ইতিহাস

একটি সমাবেশে বক্তৃতার সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড  ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় তদন্তকারীরা এটিকে হত্যা প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করছেন।

আব্রাহাম লিংকন এবং জন এফ কেনেডিসহ দেশটিতে প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের বন্দুক হামলার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ রয়েছে।

 প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান  ১৯৮১ সালের ৩০ মার্চ ওয়াশিংটনে হিলটন হোটেলে একটি অনুষ্ঠান থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

আক্রমণকারী ছিলেন জন হিঙ্কলি জুনিয়র, ২০২২ সালে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।
এ ঘটনায় রিগান হাসপাতালে বারো দিন কাটিয়েছেন। ঘটনাটি রিগ্যানের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দেয়।

 প্রেসিডেন্ট ফোর্ড ১৯৭৫ সালের সেপ্টেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ায় নারীদের দ্বারা পৃথক দুটি হত্যা প্রচেষ্টায় অক্ষত ছিলেন এবং মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট মনোনয়নের জন্য প্রচারণা চালানোর সময় ১৯৭২ সালের ১৫ মে জর্জ ওয়ালেসকে গুলি করা হয়। মেরিল্যান্ডের লরেলের একটি শপিং মলে চারবার তাকে গুলি করা হয় এবং তিনি সারাজীবনের জন্য পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন।

 প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ভাই রবার্ট, যিনি ডেমোক্র্যাটিক দলের হয়ে প্রেসিডেন্টের প্রতিদ্ব›িদ্ধতা করছিলেন, ১৯৬৮ সালের ৬ জুন তাকে ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস এর অ্যাম্বাসেডর হোটেলে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এই হত্যাকান্ড ১৯৬৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল এবং নাগরিক অধিকার নেতা মার্টিন লুথার হত্যার মাত্র দুই মাস পরে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে।

 প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি টেক্সাসের ডালাসে ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর -তার স্ত্রী জ্যাকির সাথে মোটরযানে চড়ে যাওয়ার সময় তাকে হত্যা করা হয়। হত্যাকারী লি হার্ভে অসওয়াল্ড।

হত্যাকান্ডের তদন্তকারী ওয়ারেন কমিশন ১৯৬৪ সালে উপসংহারে পৌঁছে যে, লি হার্ভে অসওয়াল্ড একজন প্রাক্তন মেরিন যিনি সোভিয়েত ইউনিয়নে থাকতেন, একাই তিনি এই হত্যাকান্ড চালান।  

অনেক আমেরিকান বিশ্বাস করেন, ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং নাগরিক অধিকার সংগ্রামের সাথে রাজনীতি এবং সমাজ, একটি পটভূমি হিসাবে জেএফকে’র- মৃত্যু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরও সহিংস সময় শুরু করেছিল।

নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসাবে ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টকে ১৯৩৩ সালে ফ্লোরিডার মিয়ামিতে একটি হত্যা প্রচেষ্টা চালানো হয়। তিনি অক্ষত ছিলেন, তবে হামলায় শিকাগোর মেয়র আন্তন সেরমাক নিহত হন।

ট্রাম্পের মতো থিওডোর রুজভেল্টও সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯১২ সালে হোয়াইট হাউসের জন্য প্রতিদ্ব›িদ্ধতা করছিলেন,তখন তাকে উইসকনসিনের মিলওয়াকিতে গুলি করা হয়েছিল। ভাঁজ করা ৫০-পৃষ্ঠার বক্তৃতা এবং তার বুক পকেটে স্টিলের চশমার কেস গুলির তীব্রতা রোধ করায় তিনি বেঁচে যান। রুজভেল্টকে গুলি করা সত্ত্বেও তার নির্ধারিত বক্তৃতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলিকে ১৯০১ সালে নিউইয়র্কের বাফেলোতে নৈরাজ্যবাদী লিওন চেলগোস গুলি করে হত্যা করে।

 প্রেসিডেন্ট  আব্রাহাম লিংকনকে ওয়াশিংটনে ১৮৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল জন উইলকস বুথ গুলি করে হত্যা করে।