ঢাকার ১৩টি আসন বিএনপির, ৭টি জামায়াত জোটের
ঢাকার বিশটি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৩টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি; ৭টি আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন এগারো দলীয় জোট।
ঢাকা-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।
ঢাকা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হক পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৩ ভোট।
ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।
ঢাকা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
ঢাকা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. কামাল হোসেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নবী উল্লা পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।
ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির ইশরাক হোসেন ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট।
ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির হামিদুর রহমান ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট।
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট।
ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এ আসনের আলোচিত প্রার্থী তাসনিম জারা পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
ঢাকা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতে ইসলামীর জসিম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির নাহিদ ইসলাম ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়ছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট।
ঢাকা-১২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সাইফুল আলম ৫৩ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী সাইফুল আলম নীরব পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট।
ঢাকা-১৩ আসনে জয় পেয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি। অন্যদিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট।
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মীর আহমাদ বিন কাসেম ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট।
ঢাকা-১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট।
ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
ঢাকা-১৯ বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।
ঢাকা-২০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তমিজ উদ্দিন ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাবিলা তাসনিম পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮৭ ভোট।