শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১ ১৪৩২, ২৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

তারেক-মোদী ফোনালাপ: সমর্থনের বার্তা নতুন আইনপ্রণেতাদের শপথ ‘যেদিন বলবে সেদিনই’: সচিব এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের: বিএনপি তারেক রহমানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে অভিনন্দন মমতা ব্যানার্জীর গণভোট: হ্যাঁ ভোট ৬৮.০৬% ভোট পড়েছে ৫৯% আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান: ফখরুল ঢাকার ১৩টি আসন বিএনপির, ৭টি জামায়াত জোটের এনসিপির ঝুলিতে ৬ আসন ফলাফলে ‘গরমিল’, প্রশাসন ‘নিরপেক্ষ ছিল না’: জামায়াত নিরঙ্কুশ বিজয়ে তারেককে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন তারেককে মোদীর অভিনন্দন, গণতান্ত্রিক-অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের সমর্থনে থাকবে ভারত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি ঐতিহাসিক জয়ে তারেককে অভিনন্দন, এক সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

রাজনীতি

তারেক-মোদী ফোনালাপ: সমর্থনের বার্তা

 প্রকাশিত: ১৯:১০, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

তারেক-মোদী ফোনালাপ: সমর্থনের বার্তা

জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিপুল ব্যবধানে জয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শুক্রবার বিকালে ওই ফোনালাপে ভাবি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তার কাজে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

তারেকের সঙ্গে ফোনালাপের কথা তুলে ধরে মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স-এ মোদী বলেছেন, “জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে চমকপ্রদ বিজয়ের তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি।

“আমার শুভকামনা এবং বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তার প্রচেষ্টায় সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছি।”

তিনি বলেন, “গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে জড়িয়ে থাকা দুই প্রতিবেশি হিসেবে দুদেশের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি।”

এর আগে সকালে এক এক্স বার্তায় নিরঙ্কুশ জয়ের পথে থাকা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান মোদী।

বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদী বলেন, “এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন। গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের সমর্থনে থাকবে ভারত।”

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২০৯ টিতে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি।

জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। এছাড়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি জোটে থাকা বিজেপি ও গণসংহতি আন্দোলন , গণঅধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসন পেয়েছে। ৭টি আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

একটি আসন পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।