মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৭ ১৪৩২, ০১ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ‘ঝুঁকিপূর্ণ’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না: তারেক রহমান নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ হচ্ছে শাকসু নির্বাচন ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিত ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম: ফখরুল রুমিন ফারহানাকে শোকজ, সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দাবি না মানলে নির্বাচন ভবনের ফটক অবরোধের হুঁশিয়ারি ছাত্রদলের অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু আলিফ হত্যা: চিন্ময়সহ সব আসামির বিচার শুরুর আদেশ কুর্দিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আল-শারা ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে মিছিল সংসদ-গণভোট: ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু ২২ জানুয়ারি স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ২১

স্বাস্থ্য

মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ১৭:০৬, ১৫ নভেম্বর ২০২০

মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশ অনুমোদনবিহীন কোনো হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিক কাজ করতে পারবে না। আমরা অফিশিয়ালি সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দিয়েছি।

যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবুও মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।

রোববার দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ১০০ ভেন্টিলেটর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা সব জেলার সমস্ত হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক পরিদর্শন করবেন। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। যাদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদেরকে সময় বেধে দেওয়া হবে। যাদের যন্ত্রপাতি নেই বা যন্ত্রপাতির কমতি আছে, তাদেরও সময় দেওয়া হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সব ঠিক না হলে, বন্ধ করে দেব।  

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো দাবি করে তিনি বলেন, মৃত্যু হার অনেক কম। তবে সংক্রমণের হার কমেনি। মাঝে মধ্যে সংক্রমণের হার বাড়ছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। সংক্রমণ কমানোর জন্য আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ব মন্ত্রণালয়ের চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবা পেতে হলে মাস্ক পরে আসতে হবে। নো মাস্ক, নো সার্ভিস। এটি সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছি। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলছি। এটা অনেকে মানছেন না। আবার অনেকে মানছেন। তবে রাতারাতি এটি সব জায়গায় হয়ে যাবে, এমনটা মনে করি না। আস্তে আস্তে এটি হয়ে যাচ্ছে। সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, কেউ যেন মাস্কের প্রতি উদাসীন না হন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের একার পক্ষে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলা করা সম্ভব না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রমণ রোধ করতে পারবে না। সে সেবা দিতে পারবে। চিকিৎসা দিতে পারবে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। জনগণই পারে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে। জনগণ উদাসীন থাকলে সংক্রমণ বাড়বে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল