বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২০ ১৪৩২, ১৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

দুইজন উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন মুন্সীগঞ্জে চোর সন্দেহে ‘গণপিটুনি’, হাসপাতালে ২ জনের মৃত্যু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে চাপ, সাশ্রয়ে জোর জ্বালানিমন্ত্রীর ভূমধ্যসাগরে পরমাণু রণতরী ‘চার্লস দ্য গল’ পাঠাচ্ছে ফ্রান্স ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধে ব্যবসায়ীদের বিশেষ ঋণ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রসেসিং ফি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র আটকা পড়া প্রবাসীদের জন্য দুবাইয়ে ইউএস-বাংলার দুটি বিশেষ ফ্লাইট ইরানে হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে: ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম আইআরজিসিকে গুঁড়িয়ে দিতে ২০০০ লক্ষ্যস্থলে আঘাত হানা হয়েছে: ইউএস সেন্টকম দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক

ইসলাম

রমজানে বিতর নামাজ পড়ার উত্তম সময় কখন?

 প্রকাশিত: ১৪:৪৪, ৪ মার্চ ২০২৬

রমজানে বিতর নামাজ পড়ার উত্তম সময় কখন?

রমজান মাস ব্যতীত বাকি এগারো মাসে বিতর নামাজ পড়ার উত্তম সময় হচ্ছে, রাতের শেষ তৃতীয়াংশ; যদি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার আশা থাকে। আর যদি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার আশা না থাকে, তাহলে এশার নামাজের পরপর বিতরের নামাজ পড়ে নিতে হবে।

হাদিসে পাকে এসেছে, হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আশঙ্কা করে যে, রাতের শেষভাগে উঠতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম ভাগেই বিতর পড়ে নেয়। আর যে ব্যক্তি রাতের শেষভাগে জাগ্রত হওয়ার আশাবাদী, সে যেন রাতের শেষ ভাগেই বিতর পড়ে। কেননা রাতের শেষ ভাগের নামাজে ফেরেশতারা উপস্থিত হন এবং এটাই উত্তম। (সহিহ মুসলিম: ৭৫৫)

রমজানে বিতরের উত্তম সময়:

তবে রমজান মাসে তারাবির নামাজের পর জামাতের সাথে বিতরের নামাজ পড়া উত্তম, এবং এটা সুন্নতও বটে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি (ইমাম নামাজ শেষ করে ফিরে যাওয়া) পর্যন্ত জামাতের সাথে ( তারাবি ও বিতরের) নামাজ আদায় করে, তার আমলনামায় পূর্ণ রাত নামাজ পড়ার সওয়াব লিখে দেওয়া হয়। ( সুনানে তিরমিজি: ৮০৬)

তবে রমজানে যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে বিতর আদায় করতে না পারবে তার জন্য উত্তম হলো শেষ রাতে বিতর নামাজ পড়া।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের রাতের শেষ নামাজ যেন বিতর হয়। (সহিহ বুখারি: ৯৯৮)