শুক্রবার ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৬ ১৪৩২, ২০ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

রাশিয়ার বোমা হামলায় ইউক্রেনে হতাহত ১৬ আলেপ্পোয় সংঘর্ষের পর সিরিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ইরানে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তেহরানের সড়কে মানুষের ঢল ২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার গাজীপুরে এনসিপি নেতাকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে, অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি রংপুরে শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ‘ফাঁসচক্রের দুই সদস্য’ গ্রেপ্তার প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা: ৮ আসামি দুই দিনের রিমান্ডে দিনভর ভুগিয়ে এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার বন্ডাই বিচে বন্দুক হামলা : রয়েল কমিশন গঠনের ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার সোমালিয়ায় খাদ্য সহায়তা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র তীব্র তাপপ্রবাহে অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ‘কর্তন নিষিদ্ধ’ গাছ কাটলে এক লাখ টাকা জরিমানা, অধ্যাদেশ জারি সাগরে গভীর নিম্নচাপ, অব্যাহত থাকবে শৈত্যপ্রবাহ দিপু হত্যা: লাশ পোড়ানোয় ‘নেতৃত্ব’ দেওয়া যুবক গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে ইজিবাইক চালককে হত্যায় ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড মুছাব্বির হত্যায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাস্থ্য

২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার

 প্রকাশিত: ১৯:৩০, ৮ জানুয়ারি ২০২৬

২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার

নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় যুক্ত করে ২৯৫টি ওষুধকে 'অত্যাবশ্যকীয়' ওষুধের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সেগুলো বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। 

ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, একটি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা করা হয়েছে যেখানে ২৯৫টি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আরও একটি দুটি ড্রাগের অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ এসেছে।

সেগুলো অন্তর্ভুক্ত হলে ২৯৫ বা ২৯৬ টা ওষুধ হবে। এগুলোকে বলা হচ্ছে অত্যাবশ্যক ওষুধ।

তিনি আরও বলেন, গত তালিকার চাইতে এবারে ১৩৫-১৩৬টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে নতুনভাবে এবারের তালিকায়। মূল ব্যাপার হচ্ছে যে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলো সরকার কর্তৃক একটি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হবে।

দাম কীভাবে বেঁধে দেওয়া হবে সেই ব্যাখায় তিনি বলেন, মূল ব্যাপার যেটা ঘটবে সেটা হচ্ছে যে এ অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকাভুক্ত ওষুধগুলোর সবগুলোর মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে। এ নির্ধারিত মূল্যের বাইরে যারা আছেন তাদেরকে এ মূল্যে পর্যায়ক্রমে আসতে হবে। যারা ওপরে আছেন তাদেরকেও নেমে আসতে হবে, যারা নিচ থেকে যাবেন তারা ইচ্ছা করলে ওপরে উঠতে পারেন অথবা থাকবেন।

দাম নির্ধারণে পর্যায়ক্রমের চার বছর সময় দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সায়েদুর রহমান বলেন, এই ওষুধগুলো বাংলাদেশের সাধারণভাবে আপনারা সবাই জানেন যে অত্যাবশ্যক ওষুধ মাত্রই এটা শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের সব রোগ ব্যাধি চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট। অতএব এ ওষুধগুলোর ওপর মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরাসরিভাবে বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্যতা এবং ওষুধের প্রাপ্যতা ওপর প্রভাব ফেলবে। অতএব এটা একটা বলা যায় একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

এর বাইরে আরও এক হাজার ১০০ ওষুধ আছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মূল্য ঠিক করে না দিলেও একটা দামের পরিধি বেঁধে দেওয়া হবে বলেও সায়েদুর রহমান জানান। 

তিনি বলেন, কোনো ওষুধ ১০-২০ টাকায় বিক্রি হলে সেটি ঠিক করা হবে ১৫ টাকায়।

এবং এর সঙ্গে যোগ-বিয়োগ ১৫ শতাংশ রেঞ্জ রাখা হবে। মূল্য নির্ধারণের নীতিমালারও অনুমোদন মিলেছে সভায়। দ্রুতই তা প্রকাশ পাবে। এটা করা হলে আর কোনো ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া থাকবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।