ব্রেকিং:
প্রথম দিনেই ট্রাম্পের ১৫ পদক্ষেপ বাতিল করলেন বাইডেন

বৃহস্পতিবার   ২১ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৮ ১৪২৭,   ০৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
ময়মনসিংহে মাদরাসার ছাত্রদের ওপর সাদপন্থীদের হামলা, আহত ১২ বেতাগীতে যুবলীগ নেতার ৩ বছরের কারাদণ্ড রাজধানীতে ডাকাতি-হত্যার ঘটনায় আটক ৬ নারীঘটিত বিষয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে বদলগাছী থানার এসআই বরখাস্ত ট্রাম্পের বিদায়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে ইরান
১৮৫

ভাইরাসরোধী কাপড় তৈরি করছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২০  

করোনাভাইরাস মহামারী বশে আনার জন্য সারা বিশ্ব যখন প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক সেই সময় তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ তাক লাগিয়ে দিয়েছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করে। সেই দেশ অন্য কোনো দেশ নয়। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

দেশের বস্ত্র খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জুবায়ের করোনাভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করেছে। এই কাপড় তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ। ফলে ওই কাপড়ে করোনাভাইরাসসহ অন্য কোনো ভাইরাস টিকতে পারবে না। যদি কোনোভাবে কোনো ভাইরাস ওই কাপড়ে লাগে, মাত্র ১২০ সেকেন্ডে ওই কাপড় ৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাসমুক্ত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাবের অ্যান্ড জুবায়েরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানায়। তারা আরো জানায়, বস্ত্র খাতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এই কাপড় উদ্ভাবিত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোও এই কাপড় তৈরিতে এগিয়ে আসবে বলে তারা আশাবাদী।
প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার অনল রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণ সব ধরনের পোশাক তৈরিতে ভাইরাস প্রতিরোধক এই কাপড় ব্যবহার করা যাবে। তবে বিশেষায়িত কাপড় হওয়ায় এই কাপড়ে তৈরি পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি হবে। জাবের অ্যান্ড জুবায়ের রপ্তানির জন্য এ কাপড় তৈরি করেছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। এরই মধ্যে তাদের এই কাপড় আন্তর্জাতিকভাবে মান সনদের স্বীকৃতি পেয়েছে। আইএসও ১৮১৮৪-এর অধীনে এটি পরীক্ষা করা হয়েছে। কাপড় তৈরির মূল উপাদানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিষাক্ত পদার্থ নিয়ন্ত্রণ আইন ও পরিবেশগত সুরক্ষা সংস্থায় নিবন্ধিত। ভাইরাস রোধে এ কাপড় প্রায় শতভাগ নিরাপত্তা দিলেও ২০ বার ধোয়ার পর এর কার্যকারিতা কতখানি থাকবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। তার পরও এই কাপড় নেওয়ার ব্যাপারে ইউরোপ-আমেরিকার ক্রেতাদের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

আগামী বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কাপড় উদ্ভাবনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। উদ্বোধনের পর সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের প্রয়োজনে সরকার এই কাপড় ব্যবহার করতে চাইলে সরবরাহ করতে চায় তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কথা হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।


https://www.bd-pratidin.com/
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর