রোববার ৩০ নভেম্বর ২০২৫, অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪৩২, ০৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৭

ব্রেকিং

২৪ বছর পর নতুন প্রধানমন্ত্রী পেল ক্যারিবীয় দেশ গাজায় ছেঁড়া নোট জোড়া দিয়ে ঘুরছে সাদানির পরিবারের চাকা গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইসরাইলি ড্রোন হামলায় গাজায় একই পরিবারের ২ শিশু নিহত খালেদা জিয়া বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের ‘কোনো বাধা নেই’: প্রেস সচিব “ঢাকায় উবারের ভাড়া জালিয়াতি অভিযোগে ভোক্তা অধিদপ্তরের তদন্ত, গ্রাহক ক্ষোভ চরমে” ‘খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, অবস্থা বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত’ সারাদেশে ‘রোড শো’র পর বিজয় দিবসে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বিএনপি ভূমিকম্প: বন্ধের ৮ দিনের মাথায় ঢাবিতে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়ায় বিপর্যয়, শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর সব কর্মকর্তা-কর্মচারী একযোগে প্রত্যাহার ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল: সিইসি দেশে ফেরার ‘একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের’ সুযোগ দেখছেন না তারেক

স্বাস্থ্য

ভাইরাসরোধী কাপড় তৈরি করছে বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ১২:৪৭, ১৩ মে ২০২০

ভাইরাসরোধী কাপড় তৈরি করছে বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস মহামারী বশে আনার জন্য সারা বিশ্ব যখন প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক সেই সময় তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ তাক লাগিয়ে দিয়েছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করে। সেই দেশ অন্য কোনো দেশ নয়। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

দেশের বস্ত্র খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জুবায়ের করোনাভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করেছে। এই কাপড় তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ। ফলে ওই কাপড়ে করোনাভাইরাসসহ অন্য কোনো ভাইরাস টিকতে পারবে না। যদি কোনোভাবে কোনো ভাইরাস ওই কাপড়ে লাগে, মাত্র ১২০ সেকেন্ডে ওই কাপড় ৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাসমুক্ত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাবের অ্যান্ড জুবায়েরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানায়। তারা আরো জানায়, বস্ত্র খাতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এই কাপড় উদ্ভাবিত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোও এই কাপড় তৈরিতে এগিয়ে আসবে বলে তারা আশাবাদী।
প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার অনল রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণ সব ধরনের পোশাক তৈরিতে ভাইরাস প্রতিরোধক এই কাপড় ব্যবহার করা যাবে। তবে বিশেষায়িত কাপড় হওয়ায় এই কাপড়ে তৈরি পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি হবে। জাবের অ্যান্ড জুবায়ের রপ্তানির জন্য এ কাপড় তৈরি করেছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। এরই মধ্যে তাদের এই কাপড় আন্তর্জাতিকভাবে মান সনদের স্বীকৃতি পেয়েছে। আইএসও ১৮১৮৪-এর অধীনে এটি পরীক্ষা করা হয়েছে। কাপড় তৈরির মূল উপাদানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিষাক্ত পদার্থ নিয়ন্ত্রণ আইন ও পরিবেশগত সুরক্ষা সংস্থায় নিবন্ধিত। ভাইরাস রোধে এ কাপড় প্রায় শতভাগ নিরাপত্তা দিলেও ২০ বার ধোয়ার পর এর কার্যকারিতা কতখানি থাকবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। তার পরও এই কাপড় নেওয়ার ব্যাপারে ইউরোপ-আমেরিকার ক্রেতাদের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

আগামী বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কাপড় উদ্ভাবনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। উদ্বোধনের পর সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের প্রয়োজনে সরকার এই কাপড় ব্যবহার করতে চাইলে সরবরাহ করতে চায় তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কথা হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল