শুক্রবার ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৬ ১৪৩২, ২০ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার গাজীপুরে এনসিপি নেতাকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে, অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি রংপুরে শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ‘ফাঁসচক্রের দুই সদস্য’ গ্রেপ্তার প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা: ৮ আসামি দুই দিনের রিমান্ডে দিনভর ভুগিয়ে এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার বন্ডাই বিচে বন্দুক হামলা : রয়েল কমিশন গঠনের ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার সোমালিয়ায় খাদ্য সহায়তা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র তীব্র তাপপ্রবাহে অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ‘কর্তন নিষিদ্ধ’ গাছ কাটলে এক লাখ টাকা জরিমানা, অধ্যাদেশ জারি সাগরে গভীর নিম্নচাপ, অব্যাহত থাকবে শৈত্যপ্রবাহ দিপু হত্যা: লাশ পোড়ানোয় ‘নেতৃত্ব’ দেওয়া যুবক গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে ইজিবাইক চালককে হত্যায় ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড মুছাব্বির হত্যায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক

গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

 প্রকাশিত: ১২:০১, ৮ জানুয়ারি ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, এমন তথ্য প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক শক্তি ব্যবহার নয়, বরং ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার দিকেই আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করতে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের কথা ভাবছেন না।

বরং দ্বীপটি কেনার মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

গ্রিনল্যান্ড বা মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারের এমন প্রশ্নের জবাবেই রুবিও এসব কথা বলেন।

এর আগেও, নিজের প্রথম মেয়াদে গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তার ধারণা, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপ যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে এলে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং রাশিয়া ও চীনের নৌবাহিনীর প্রভাব মোকাবিলা করা সহজ হবে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, গ্রিনল্যান্ড কেনা ট্রাম্পের জন্য একটি বড় লক্ষ্য। বিশেষ করে উত্তর মেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে প্রতিপক্ষ শক্তির প্রভাব ঠেকাতেই এই আগ্রহ। তিনি আরও জানান, দেশের প্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্টের হাতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা সবসময়ই থাকে।

এদিকে ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তারা স্পষ্ট করে বলেছে, গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশেরই উচিত নয় আরেক সদস্য দেশকে হুমকি দেওয়া বা আক্রমণ করা। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে ন্যাটো জোট কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়বে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেনও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালায়, সেটিই হবে ন্যাটোর শেষ। ন্যাটোভুক্ত একটি দেশ আরেকটি সদস্য দেশকে আক্রমণ করলে পুরো জোট ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ডেনমার্কের কাছ থেকে স্বাধীনতা বা আরও বেশি স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। এই স্বাধীনতার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আইসল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত গায়িকা বিয়র্ক। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ১৯৪৪ সালে আইসল্যান্ড যেভাবে ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, গ্রিনল্যান্ডও একদিন সেভাবেই স্বাধীন হতে পারবে।