শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬, জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪৩৩

ব্রেকিং

বিভাজন নয়, ‘উদার গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চাই: ফখরুল আইভীর বাড়ির সামনে পুলিশের নজরদারি, সিসি ক্যামেরা স্থাপন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি, নদীতীরে ভাঙন আতঙ্ক নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যু: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলা’ ছিল, বলছে তদন্ত কমিটি অবসরভাতা বঞ্চিত শিক্ষকদের ভাতা চালু করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় ৭ জুন হাম: আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯ ৩৮ ডিগ্রিতে পারদ, দিনাজপুরে তাপদাহে শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের পর মমতার বিরুদ্ধে মামলা ফোনালাপে নেতানিয়াহুকে ‘উন্মাদ’ বলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

ইসলাম

ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?

 প্রকাশিত: ২৩:১০, ১ আগস্ট ২০২৫

ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?

কারো কারো মুখে শোনা যায় যে, আল্লাহ তাআলা যে জলভাগ দিয়ে মুসা আ ও তাঁর সাহাবীদেরকে কুদরতীভাবে পার করেছিলেন আর ফিরাউনকে ও তার দলবলকে নিমজ্জিত করেছিলেন তা হচ্ছে নীলনদ। এই ধারণা ঠিক নয়। যেহেতু নীলনদ মিসরের নদী আর ফিরাউন ছিল মিসরের অধিপতি, সম্ভবত এজন্যই এ কথা অনেকের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়। ফলে এই ভুল ধারণা ব্যাপকতা লাভ করেছে। সঠিক তথ্য হচ্ছে, ফিরাউন যে স্থানে নিমজ্জিত হয়েছে তা হচ্ছে লোহিত সাগরের উত্তরের অংশ। মিসরের পূর্বে যেখানে সুয়েজ খাল খনন করা হয়েছে তার সঙ্গে সংলগ্ন দক্ষিণে সমুদ্র দুইটি মাথা পরিলক্ষিত হয়। আমাদের আলোচিত স্থান হচ্ছে পশ্চিমের মাথা। (এ স্থান বর্তমানে সুয়েজ উপসাগর নামে পরিচিত)।

হযরত মুসা আ. যখন আল্লাহ তাআলার আদেশে মজলুম নবী ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে রাতের বেলা এখানে পৌঁছলেন এবং সঙ্গের লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত করলেন তখন সমুদ্র যেন তার জন্য পথ করে দিল। পানি উঁচু টিলার মতো দুই পাশে স্থির হয়ে গেল আর তিনি শুকনা রাস্তা দিয়ে সমুদ্র পার হলেন। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মুসা আ. ও তাঁর সঙ্গীরা সীনা উপদ্বীপে উপনীত হয়েছিলেন। এদিকে ফিরাউন যখন তার বাহিনী নিযে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করতে চাইল এবং সে রাস্তা অতিক্রম করতে চাইল তখন আল্লাহ তাআলা উভয় পার্শ্ব থেকে পানিকে মিলিত হওয়ার আদেশ দিলেন। ফলে তারা সবাই নিমজ্জিত হয়ে জাহান্নাম-রসীদ হল।

মুসা আ. সে সময় মিসর থেকে সীনা উপদ্বীপে পৌঁছেছিলেন তা একটি স্বীকৃত বিষয়। মিসর থেকে সীনা যাওয়ার পথে যে জলভাগ রয়েছে তা হচ্ছে লোহিত সাগর, নীল নদের প্রশ্ন এখানে অবান্তর।

(আরদুল কুরআন, মাওলানা আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী, পৃ. ১৮-১৯; কাসাসুল কুরআন, মাওলানা হিফজুর রহমান ও অন্যান্য সূত্র)
সুত্র: মাসিক আল-কাউসার।