শনিবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪৩২, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৭

ব্রেকিং

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ মাগুরায় সাব-রেজিস্ট্রি ও ভূমি অফিসে পেট্রোল বোমা, পুড়ল দলিল-আসবাব পোস্টাল ভোটিং: তফসিল ঘোষণার দিন থেকে দেশে নিবন্ধন তারেক রহমানের না ফেরা নিয়ে গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই: আমীর খসরু এবার স্ন্যাপচ্যাট ও ফেইসটাইম নিষিদ্ধ করল রাশিয়া জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিষয়ে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মিয়ানমারের প্রবাসী নাগরিকদের আগাম ভোটগ্রহণ শুরু থাইল্যান্ডে আরও পেছাতে পারে খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা মঞ্জু-আনিসুলের নেতৃত্বে আসছে নতুন জোট ১০ ডিগ্রির ঘরে তাপমাত্রা, আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে আগারগাঁওয়ে গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের দগ্ধ ৭ সীমান্তে পাকিস্তান-আফগানিস্তান তুমুল গোলাগুলি ফিফা শান্তি পুরস্কার চালু হল ট্রাম্পকে দিয়ে ভারতে ‘নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ’ অব্যাহত থাকবে : পুতিন

ইসলাম

ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?

 প্রকাশিত: ২৩:১০, ১ আগস্ট ২০২৫

ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?

কারো কারো মুখে শোনা যায় যে, আল্লাহ তাআলা যে জলভাগ দিয়ে মুসা আ ও তাঁর সাহাবীদেরকে কুদরতীভাবে পার করেছিলেন আর ফিরাউনকে ও তার দলবলকে নিমজ্জিত করেছিলেন তা হচ্ছে নীলনদ। এই ধারণা ঠিক নয়। যেহেতু নীলনদ মিসরের নদী আর ফিরাউন ছিল মিসরের অধিপতি, সম্ভবত এজন্যই এ কথা অনেকের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়। ফলে এই ভুল ধারণা ব্যাপকতা লাভ করেছে। সঠিক তথ্য হচ্ছে, ফিরাউন যে স্থানে নিমজ্জিত হয়েছে তা হচ্ছে লোহিত সাগরের উত্তরের অংশ। মিসরের পূর্বে যেখানে সুয়েজ খাল খনন করা হয়েছে তার সঙ্গে সংলগ্ন দক্ষিণে সমুদ্র দুইটি মাথা পরিলক্ষিত হয়। আমাদের আলোচিত স্থান হচ্ছে পশ্চিমের মাথা। (এ স্থান বর্তমানে সুয়েজ উপসাগর নামে পরিচিত)।

হযরত মুসা আ. যখন আল্লাহ তাআলার আদেশে মজলুম নবী ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে রাতের বেলা এখানে পৌঁছলেন এবং সঙ্গের লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত করলেন তখন সমুদ্র যেন তার জন্য পথ করে দিল। পানি উঁচু টিলার মতো দুই পাশে স্থির হয়ে গেল আর তিনি শুকনা রাস্তা দিয়ে সমুদ্র পার হলেন। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মুসা আ. ও তাঁর সঙ্গীরা সীনা উপদ্বীপে উপনীত হয়েছিলেন। এদিকে ফিরাউন যখন তার বাহিনী নিযে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করতে চাইল এবং সে রাস্তা অতিক্রম করতে চাইল তখন আল্লাহ তাআলা উভয় পার্শ্ব থেকে পানিকে মিলিত হওয়ার আদেশ দিলেন। ফলে তারা সবাই নিমজ্জিত হয়ে জাহান্নাম-রসীদ হল।

মুসা আ. সে সময় মিসর থেকে সীনা উপদ্বীপে পৌঁছেছিলেন তা একটি স্বীকৃত বিষয়। মিসর থেকে সীনা যাওয়ার পথে যে জলভাগ রয়েছে তা হচ্ছে লোহিত সাগর, নীল নদের প্রশ্ন এখানে অবান্তর।

(আরদুল কুরআন, মাওলানা আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী, পৃ. ১৮-১৯; কাসাসুল কুরআন, মাওলানা হিফজুর রহমান ও অন্যান্য সূত্র)
সুত্র: মাসিক আল-কাউসার।