রোববার ১১ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৭ ১৪৩২, ২২ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

বগুড়ায় জাতীয় পার্টির কার্যালয় দখল ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জামায়াত জোটে এনসিপির প্রার্থী কত, দুয়েক দিনের মধ্যেই ঘোষণা: নাহিদ পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোট স্থগিতের নির্দেশ ‘নভেম্বর’ থেকেই এলপি গ্যাসের সংকট, ‘জানানো হয়নি’: হাসিন পারভেজ ৫ অগাস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে চাই না: তারেক রহমান তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের মানুষ: ফখরুল আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জামায়াতের হামিদুর রহমান আযাদ ‘মব’ দমন না হলে ভোট সুষ্ঠু হওয়ার ‘সম্ভাবনা নেই’: জাপা মহাসচিব আলেপ্পোর কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় সিরিয়ার হামলা ইউক্রেন ইস্যুতে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক নরসিংদী কারাগারের লুট হওয়া ২৭ অস্ত্র-গুলি লাপাত্তা, ভোট নিয়ে শঙ্কা কনকনে শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়, ফের দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান গোলমালকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চাইছে: আয়াতুল্লাহ খামেনি

ইসলাম

ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?

 প্রকাশিত: ২৩:১০, ১ আগস্ট ২০২৫

ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?

কারো কারো মুখে শোনা যায় যে, আল্লাহ তাআলা যে জলভাগ দিয়ে মুসা আ ও তাঁর সাহাবীদেরকে কুদরতীভাবে পার করেছিলেন আর ফিরাউনকে ও তার দলবলকে নিমজ্জিত করেছিলেন তা হচ্ছে নীলনদ। এই ধারণা ঠিক নয়। যেহেতু নীলনদ মিসরের নদী আর ফিরাউন ছিল মিসরের অধিপতি, সম্ভবত এজন্যই এ কথা অনেকের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়। ফলে এই ভুল ধারণা ব্যাপকতা লাভ করেছে। সঠিক তথ্য হচ্ছে, ফিরাউন যে স্থানে নিমজ্জিত হয়েছে তা হচ্ছে লোহিত সাগরের উত্তরের অংশ। মিসরের পূর্বে যেখানে সুয়েজ খাল খনন করা হয়েছে তার সঙ্গে সংলগ্ন দক্ষিণে সমুদ্র দুইটি মাথা পরিলক্ষিত হয়। আমাদের আলোচিত স্থান হচ্ছে পশ্চিমের মাথা। (এ স্থান বর্তমানে সুয়েজ উপসাগর নামে পরিচিত)।

হযরত মুসা আ. যখন আল্লাহ তাআলার আদেশে মজলুম নবী ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে রাতের বেলা এখানে পৌঁছলেন এবং সঙ্গের লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত করলেন তখন সমুদ্র যেন তার জন্য পথ করে দিল। পানি উঁচু টিলার মতো দুই পাশে স্থির হয়ে গেল আর তিনি শুকনা রাস্তা দিয়ে সমুদ্র পার হলেন। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মুসা আ. ও তাঁর সঙ্গীরা সীনা উপদ্বীপে উপনীত হয়েছিলেন। এদিকে ফিরাউন যখন তার বাহিনী নিযে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করতে চাইল এবং সে রাস্তা অতিক্রম করতে চাইল তখন আল্লাহ তাআলা উভয় পার্শ্ব থেকে পানিকে মিলিত হওয়ার আদেশ দিলেন। ফলে তারা সবাই নিমজ্জিত হয়ে জাহান্নাম-রসীদ হল।

মুসা আ. সে সময় মিসর থেকে সীনা উপদ্বীপে পৌঁছেছিলেন তা একটি স্বীকৃত বিষয়। মিসর থেকে সীনা যাওয়ার পথে যে জলভাগ রয়েছে তা হচ্ছে লোহিত সাগর, নীল নদের প্রশ্ন এখানে অবান্তর।

(আরদুল কুরআন, মাওলানা আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী, পৃ. ১৮-১৯; কাসাসুল কুরআন, মাওলানা হিফজুর রহমান ও অন্যান্য সূত্র)
সুত্র: মাসিক আল-কাউসার।