শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চুক্তিতে পৌঁছাতে জেলেনস্কিকে এগোতে হবে, পুতিন প্রস্তুত: ট্রাম্প ড্রোন হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র খামেনিকে হত্যায় যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন হয়নি : ইসরাইল খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

মতামত

৩০০ আসন ভাগাভাগি হয়ে গেলে আর নির্বাচনের দরকার কী!

 প্রকাশিত: ১০:২১, ১১ নভেম্বর ২০২৫

৩০০ আসন ভাগাভাগি হয়ে গেলে আর নির্বাচনের দরকার কী!

বর্তমানে বিএনপি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। শোনা যাচ্ছে আরেক বৃহৎ দল জামায়াতে ইসলামী বিএনপির সাথে নির্বাচনি আসন নিয়ে কথা বলছে। যেহেতু তারা বিরোধী আসনে বসতে চান না, তাহলে আসন ভাগাভাগির বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। আরও একটি নতুন এবং আলোচিত দলও বিএনপির সাথে আসন নিয়ে কথা বলছে। আর জমিয়তের বিষয়টি তো চাউর আছেই। যদিও এই সুরে সংসদীয় আসন নিয়ে জামায়াতের হতাশার আভাস পাওয়া যাচ্ছে, তথাপি তাদের কিছু আসন আছে যেগুলোতে তারা জিতবেন। কিন্তু আসন সংখ্যা ভারী করতেই তাদের এই উদ্যোগ। তবে তাদের সঙ্গীদের হালত কী হবে বলতে পারবো না।

যদি বিএনপি ২০০ আসন তাদের হাতে রাখে এবং জামায়াতকে ৫০টি, নতুন দলকে বিশটা এবং নিবন্ধিত অন্যান্য দলকে কমপক্ষে একটা করে দিয়ে দেয়, এভাবে ৩০০ আসন ভাগাভাগি হয়ে গেলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে, মারামারির ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচন করার দরকার কী? সকল দল একটা কাগজে সই করে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিলেই হলো যে, আমরা ঐকমত্যে পৌঁছে গেছি, আমাদের গেজেট প্রকাশ করুন এবং শপথের ব্যবস্থা নিন।

এভাবে ঐকমত্যের কমিশন, ঐকমত্যের সংস্কার, ঐকমত্যের সংসদ এবং ঐকমত্যের সরকার গঠন হলে বিশ্ব আমাদের সৃজনশীলতা দেখবে। হয়তো আমরা সবার কাছে অনুকরণীয় হয়ে যেতে পারি।

এমতাবস্থায় জমিয়ত পাঁচ সাতটা আসনের প্রত্যাশা না করে জামায়াত জোটের বাকিদের নিয়ে কথিত ইসলামি স্রোত তৈরি করতে পারে। শায়খুল হাদীস ওবায়দুল্লাহ্ ফারুক, পীর সাহেব চরমোনাই ও মাওলানা মামুনুল হক এক মঞ্চে উঠে প্রচারণা শুরু করলে দেশে আবার নুতন সুর উঠতে পারে। ভেজাল ইসলাম ও ভেজাল রাজনীতি থেকেও জাতি মুক্তি পেতে পারে। আমাদের পজিশনের নয়, অপজিশনের আসনে বসতে অসুবিধা কী? এতে আমাদের একটা স্বকীয়তা ফুটে উঠতে পারে।

লেখক: সিনিয়র সহসভাপতি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ