রোববার ২৯ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১৫ ১৪৩২, ১০ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দিচ্ছে সরকার ঈদের ছুটির পর সংসদ অধিবেশন শুরু মানব পাচারের মামলা: জেনারেল মাসুদ উদ্দিন আরও ৬ দিন রিমান্ডে গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাস থেকে শতভাগ যাত্রী নামিয়ে ফেরিতে তুলতে হবে আরও ১১ জেলা পেল নতুন ডিসি আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী: হেঁটে ঘুরলেন সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নড়াইলে ‘তেল না পেয়ে’ পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ শাহজালালে বিমানের শৌচাগারে মিলল ৩৮ কোটি টাকার সোনার বার এবার এসএসসি পরীক্ষা কক্ষেও বসবে সিসিটিভি যুক্তরাষ্ট্র সফরে সেনাপ্রধান গাজায় পুলিশ চেকপয়েন্টে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬

স্বাস্থ্য

গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ১৫:৪৫, ২৯ মার্চ ২০২৬

গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানালেন, গত ৮ বছর দেশে অতি সংক্রামক এ রোগের টিকাই দেওয়া হয়নি।

নতুন করে হামের টিকা কিনতে বর্তমান সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক ওষুধ শিল্প মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “মিজেলসের (হাম) রোগী অনেক বেড়েছে। আট বছর আগে মিজেলসের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এরপর ভ্যাকসিন কোনো গভার্নমেন্ট দেয় নাই।

“আমরা কিন্তু এর মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। পারচেজ কমিটি পাস হয়েছে। ভ্যাকসিন আমরা যথাসময়ে কালেকশন করব এবং স্টার্ট করব।”

শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকার প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। অন্যদিকে ক্যাম্পেইনের সময় ৯ মাস বয়স থেকে ১০ বছরের সব শিশুকে টিকা দেওয়া হয়।

টিকা কর্মসূচির কারণে দেশে হামের প্রকোপ কমে এসেছিল। কিন্তু এ বছর তা নতুন করে বেড়েছে।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হয়। ১০ জানুয়ারি ক্যাম্প এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। ওই সময় রাজধানীর বস্তি এলাকায় হামের রোগী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

গত শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। তাদের বড় অংশই হামের রোগী।

হামের রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা দিতে ‘সব ধরনের প্রস্তুতি; নেওয়ার কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইনশআল্লাহ আমাদের ঢাকাতে ডিএনসিসি ওয়ার্ডগুলো সব রেডি করা হয়েছে। আইসিইউ রেডি করা হয়েছে।

“সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আইসিইউ রেডি করা হয়েছে, উইথ ভেন্টিলেটর। শিশু হাসপাতালে করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেলে করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ আট ইউনিটে করা হয়েছে। ডিএনসিসিতে করা হয়েছে। নর্থ বেঙ্গলে করা হয়েছে।”

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জায়গা না পেয়ে একাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর সরকার পাঁচটি ভেন্টিলেটর দান পেয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আজকে আমরা সেগুলো কালেক্ট করব। আগামীকাল (সোমবার) সকালে আমাদের সচিব রাজশাহী যাচ্ছেন, উনি চারটে নিয়ে যাবেন ওখানে; ওখানে দিয়ে আসবেন।”

ওষুধ প্রস্তুতকারকরা কিছুদিনের মধ্যে আরও ১২টির বেশি ভেন্টিলেটর সরকারকে ‘সরবারহ করবে’ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসব ভেন্টিলেটর মের বিরুদ্ধের লড়াই চালাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করবে।