রোববার ২৯ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১৫ ১৪৩২, ১০ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দিচ্ছে সরকার ঈদের ছুটির পর সংসদ অধিবেশন শুরু মানব পাচারের মামলা: জেনারেল মাসুদ উদ্দিন আরও ৬ দিন রিমান্ডে গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাস থেকে শতভাগ যাত্রী নামিয়ে ফেরিতে তুলতে হবে আরও ১১ জেলা পেল নতুন ডিসি আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী: হেঁটে ঘুরলেন সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নড়াইলে ‘তেল না পেয়ে’ পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ শাহজালালে বিমানের শৌচাগারে মিলল ৩৮ কোটি টাকার সোনার বার এবার এসএসসি পরীক্ষা কক্ষেও বসবে সিসিটিভি যুক্তরাষ্ট্র সফরে সেনাপ্রধান গাজায় পুলিশ চেকপয়েন্টে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬

শিক্ষা

শিক্ষা খাতে নির্বাচনী ইশতেহার

 প্রকাশিত: ১৬:১০, ২৯ মার্চ ২০২৬

শিক্ষা খাতে নির্বাচনী ইশতেহার

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতিসমূহ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ একটি বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা ও কর্মকৌশল গ্রহণ করেছে। 

একইসঙ্গে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতি মাসে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    
আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠানো নির্বাচনী ইশতেহার অগ্রাধিকার সংক্রান্ত এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সমন্বয় শাখার উপসচিব মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির আদেশে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে প্রণীত এই কর্মপরিকল্পনা দ্রুত কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা এবং কর্মকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। এই কর্মপরিকল্পনা ও কর্মকৌশলের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্ব-স্ব অনুবিভাগ এবং অধীনস্থ সকল দপ্তর ও সংস্থাকে তাদের অংশসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

আদেশে আরও বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে, প্রতি মাসের একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করতে বলা হয়েছে। ২৫ পৃষ্ঠার এই বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনায় প্রতিটি খাতের জন্য আলাদা আলাদা বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট ১৩টি দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।